নাজরানা -blog


...


 


পাঠ্যবইয়ের অন্তর্ভুক্ত রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু


স্কুল কলেজগুলোর অধিকাংশ রচনা বা লেখনীগুলোর কোন অমুসলিম, কোনটা বিধর্মী, কোনটা নস্তিক, কোনটা ইসলামবিদ্বেষী লেখকদের লেখা। এছাড়া বাকি যে লেখাগুলো আছে তার লেখকরাও কি ধরনের মুসলমান সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কারন সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে



অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ এসব গালসর্বস্ব বুলিই বৌদ্ধধর্মের একমাত্র বক্তব্য নয়


“বৌদ্ধরাও এই পঞ্চ ‘ম’ কারে অভ্যস্ত হয়েছিল। অনঙ্গবজ্রের প্রজ্ঞোপায় বিনিশ্চয়সিদ্ধি গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, মহামুদ্রার অভিজ্ঞতার জন্য সাধককে নির্বিচারে নারী সম্ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, তত্ত্বযোগের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাধককে তার মাতা কন্যা ভগিনী ও ভাগিনেয়ীর সঙ্গে উপগত হতে



মুসলমানদের সমৃদ্ধির একমাত্র উপায় “সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা”


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বর্ণযুগের মুসলমানদের দুনিয়া কাঁপানো প্রভাব-প্রতিপত্তির মূল কারণ ছিল সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন। যার বদৌলতে মুসলমানরা সমৃদ্ধির চূড়ান্ত সোপানে উপনিত হয়েছিলেন। দুই একটি ঘটনা উল্লেখ করলেই সম্মানিত মুসলমান উনাদের সমৃদ্ধির মাত্রা কিঞ্চিত উপলদ্ধি করা যাবে। হযরত ছিদ্দীক্বে



পবিত্র রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র যাকাত উনার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগীতা করো, পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগীতা করো না।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র যাকাত উনার মাস। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে সংগৃহীত যাকাত-ফিতরা দ্বারা প্রায় সারা



মুসলমানদের উচিত জুলুমকারী কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে বেশি বেশি বদ-দোয়া করা


মুসলমানদের জন্য করণীয় হচ্ছে- যারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ও হযরত আউলিয়ায়ে



স্থলপথ নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে।



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত বিশেষ ইবাদাত মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ ام المؤمنين سيدتنا حضرت الثامنة عليها السلام (سيدتنا حضرت جويرية عليها السلام) أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ مِنْ عِنْدِهَا بُكْرَةً حِينَ صَلَّى الصُّبْحَ وَهِيَ فِي مَسْجِدِهَا



তুলনাবিহীন মর্যাদা ও সম্মান মুবারক উনার অধিকারী


মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়িদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান অপরিসীম। সাধারণ মানুষের চিন্তা ভাবনার অনেকে উর্ধ্বে। কেননা পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ان اوليائى تـحت قبائى لايعرفهم غيرى الا اوليائى অর্থ:নিশ্চয়ই



আপনি কতটুকু মুসলমান…?


আপনার পরনে খ্রিস্টানদের পোশাক শার্ট, প্যান্ট। গলায় টাই। মুখে নেই দাঁড়ি। মাথায় নেই সুন্নতী টুপি। কয়েকজন খ্রিস্টান, নাস্তিকদের সাথে থাকলে আপনাকে আলাদাভাবে চিনাই তো যাবে না। এরপরও আপনি দাবি করেন- আপনি মুসলমান। এ তো গেলো আপনার বাহ্যিক বেশভূষার কথা। আপনাকে যদি



হক্কানী-রব্বানী শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরয


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআনুল কারীম উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, أَطِيْعُوا اللهَ وَأَطِيْعُوا الرَّسُوْلَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে অনুকরণ কর এবং



কাফিররা আযাব-গযবে ধ্বংস হচ্ছে, হবে; মুসলমানদের উচিত খালিছ তওবা-ইস্তেগফার করা


মুসলমানদের উপর নির্যাতন করার শাস্তিস্বরূপ বিভিন্ন অমুসলিম-কাফির দেশগুলোর উপর একের পর এক খোদায়ী গযব আপতিত হচ্ছে। বন্যা, টর্নেডো, ভূমিকম্প, তুষার ঝড়, দাবানলসহ নানা ধরনের খোদায়ী গযবে কাফিররা বারবার নিস্তানাবুদ হচ্ছে এবং অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু মুসলমানদের জন্য আফসুস! তারা গযবপ্রাপ্ত



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!