নীলাভ -blog


...


 


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক


যিনি খালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ. অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয়, উনাদের মহাসম্মানিত পিতা



খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার নৌবাহিনী গঠন এবং বিজিত এলাকার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা


সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কী কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমান উনাদের অতীত শৌর্য, কী ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে



কুফরী বিজড়িত অন্তরই বিশুদ্ধ বিষয় নিয়ে চু-চেরা করে


চোখে যে রংয়ের চশমা পড়া হয়, প্রকৃতির রংটা তাদের কাছে সেই চশমার রংয়েই রূপান্তরিত হয়। ঠিক তেমনি যাদের অন্তরে কুফরী বিদ্যমান, যারা বিশুদ্ধ আকীদার নয় এবং যারা বাতিল ফিরকার অন্তর্ভূক্ত তাদেরকেই দেখা যাচ্ছে প্রতিষ্ঠিত বিশুদ্ধ বিষয়গুলো নিয়ে চু-চেরা করছে, বিতর্কের জম্ম



বাল্যবিবাহের বিরোধিতাকারীরা যেই হোক এবং তারা যেখানেই থাকুক তাদেরকে পাকড়াও করে মহাসম্মানিত শরীয়ত মুতাবেক শাস্তি দিতে হবে


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আইন সবার উর্র্দ্ধে। উনার আইনের উপস্থিতিতে অন্য কারও প্রণীত আইন মোটেও গ্রহণযোগ্য নয় বরং তা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য ও প্রত্যাখ্যাত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে



সরকারি আমলারা চুরি করবে আর জনগণ তার মূল্য দিবে, এরই নাম গণতন্ত্র ॥


রাষ্ট্রীয় খাতের বন্ধ হওয়া বিদ্যুৎ কারখানা মেরামত, নবায়ন ও সম্প্রসারণ না করে তেলভিত্তিক কুইক রেন্টালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে ব্যয় বেড়েছে। এই ব্যয়ের বোঝা সরকার টানতে না পেরে জনগণের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান সরকার এর আগেও ৬ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল।



সুন্নতী পোশাক টুপি


সুন্নতী পোশাক টুপির বর্ননা: হযরত আবু কাবশা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের টুপি ছিল গোল। [তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ] অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম,



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শানে ব্যবহৃত ‘জারিয়াতুন’ শব্দটির তাহকীক বা বিশ্লেষণ


(جَارِيَةٌ) ‘জারিয়াহ’ শব্দটি আরবী এবং একবচন। এর বহুবচন (جَوَارِي) জাওয়ারী ও (جَارِيَات) জারিয়াত। শব্দটি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যথা: কন্যাশিশু, কন্যা, মেয়ে, তনয়া, দুহিতা, বালিকা, তরুণী, বাঁদী, চাকরানী, নৌকা, জাহাজ, নৌযান ইত্যাদি। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে দুজন হযরত উম্মুল



পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ সম্পর্কে বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত একটি হাদীছ শরীফ; যা ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে সকলেই একমত


পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ প্রসঙ্গে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ বর্ণিত আছে। এত ব্যাপক সংখ্যক বর্ণনার ফলে লা’মাযহাবীদের গুরুরাও পবিত্র হাদীছ শরীফগুলোকে ছহীহ মেনে নিয়েছে। তারপরও কিছু কুয়োর ব্যাঙ সালাফী, লা’মাযহাবীরা হাদীছ শরীফ উনার উছূল সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ার কারণে ছহীহ হাদীছ শরীফসমূহের



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন কায়িনাতবাসীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সুতরাং সর্বশ্রেষ্ঠ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ অর্থ: আমার হাবীব মাহবুব মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি। সুবহানাল্লাহ!



মুসলমানদের অধিকার সংরক্ষণ করার ব্যাপারে সরকারকে অবশ্যই অত্যধিক তৎপর হতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ক্বছাছ শরীফ উনার ৭৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দুনিয়াতে তুমি তোমার অধিকারকে ভুলে যেও না।’ বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯৮ ভাগই মুসলমান আর রাষ্ট্রদ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। তাই সর্বক্ষেত্রেই পবিত্র



ঐতিহাসিক দিবস পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ: সম্মানিত ইয়ারমূকের জিহাদ


রোমান সৈন্যদের একদল কানাতীরের নেতৃত্বে লাজিকিয়ার পথ ধরে এগুতে আরম্ভ করলো। আরেকদল জার্জিরের নেতৃত্বে জাদাতুল উজমার ও সাওমীনের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল কাওরীনের নেতৃত্বে হালাব ও হামাতের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল দীরজানের নেতৃত্বে আওয়াসিমের পথ ধরে এগুতে থাকলো। মাহান



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার ফযীলত


হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯)