নীলাভ -blog


...


 


কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- প্রতিটি আরবী মাস উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্রতম সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ অর্থাৎ ইছনাইনিল আযীম শরীফ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন যা আ’দাদ শরীফ বা তারিখ হিসেবে হস্তিবর্ষের পবিত্র



নূরে মুজাসসাম, হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি প্রথম সৃষ্টি- এ বিষয়ে দলীল


ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শায়েখ হযরত ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত তবাকাতুল কুবরা” কিতাবের ১ খন্ড ১৪৯ পৃষ্ঠায় হাদীছ বর্ণনা করেছেন, عَنْ قَتَادَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : كُنْتُ أَوَّلَ النَّاسِ فِي الْخَلْقِ وَآخِرَهُمْ



মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী।’ যিনি যতবেশি মুত্তাক্বী হবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা বা সম্মানের



সংক্ষেপে মো./সাঃ/দঃ/ ঝ.গ ইত্যাদি লেখার বিষয়ে শরীয়ত কি বলে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দুরূদ



হাদীছে জাবির বা সর্বপ্রথম নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক হাদীছ শরীফ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন


খারিজি ফির্কার দাবি হচ্ছে   পূর্ববর্তী যে কিতাব সমূহে হাদীছে জাবির বা সর্বপ্রথম নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক রেওয়ায়েত ভুল করে       চলে এসেছে। আজকে আমি এটারই জবাব দিবো ভুল করে আসেনি বরং অত্যন্ত তাহকীক ও নির্ভরতার সাথে উনারা দলীল এনেছেন। বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, ফক্বীহ



মুসলমানরা কি তাদের ক্বিবলা পরিবর্তন করে ফেলেছে?


পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে,



বাবুল হাওয়ায়িজ, যাইনুল মুতাহাজ্জিদীন, আল ওয়াফী, আত ত্বইয়্যিব, আছ ছালিহ, আস সাইয়্যিদ, আত ত্বহির, মালিকুল জান্নাহ, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান মুবারক



পবিত্র ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদতী শান


ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক, ভন্ড- শ্রেণীর কিছু লোক মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য বলে থাকে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে। তাই মতভেদযুক্ত বিষয়ে আমল করা যাবে না। অর্থাৎ



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে কী ইসলামী লিবাস ও বোরকা পরিধানের কথা বলা হয়নি? সংবিধান


আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত পালন করি; অর্থাৎ ইসলামী লিবাস ও বোরকা পরিধান করি তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন



পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার বরকতপূর্ণ আমল সম্পর্কে মুসলমানরা আজ পুরোই বেখবর


বর্তমানে আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশে বাঙালি সংস্কৃতির নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। যেমন: পহেলা বৈশাখ, বসন্ত উৎসব, নবান্ন উৎসবসহ আরো কতো উৎসব। যার কোনোটাই মুসলমানদের সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এসব অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ



কোন ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয় নি, যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে উত্তম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام لحضرت أَبِي بَكْرٍ عليه السلام يَا خَيْرَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ فَقَالَ حضرت أَبُو بَكْرٍ



“পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের হক্ব”


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- কোনো ব্যক্তি তার পিতা-মাতা দুইজন অথবা যেকোনো একজনকে পেল কিন্তু হক্ব আদায় করার মাধ্যমে তার গুনাহ-ক্ষমা করতে পারলো না তার জন্য হালাকী বা ধ্বংস। একজন বান্দার জন্য দুইটি হক্ব আদায় করা ফরয ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।