নীলাভ -blog


...


 


মুসলমানরা কি তাদের ক্বিবলা পরিবর্তন করে ফেলেছে?


পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে,



বাবুল হাওয়ায়িজ, যাইনুল মুতাহাজ্জিদীন, আল ওয়াফী, আত ত্বইয়্যিব, আছ ছালিহ, আস সাইয়্যিদ, আত ত্বহির, মালিকুল জান্নাহ, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান মুবারক



পবিত্র ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদতী শান


ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক, ভন্ড- শ্রেণীর কিছু লোক মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য বলে থাকে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে। তাই মতভেদযুক্ত বিষয়ে আমল করা যাবে না। অর্থাৎ



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে কী ইসলামী লিবাস ও বোরকা পরিধানের কথা বলা হয়নি? সংবিধান


আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত পালন করি; অর্থাৎ ইসলামী লিবাস ও বোরকা পরিধান করি তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন



পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার বরকতপূর্ণ আমল সম্পর্কে মুসলমানরা আজ পুরোই বেখবর


বর্তমানে আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশে বাঙালি সংস্কৃতির নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। যেমন: পহেলা বৈশাখ, বসন্ত উৎসব, নবান্ন উৎসবসহ আরো কতো উৎসব। যার কোনোটাই মুসলমানদের সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এসব অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ



কোন ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয় নি, যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে উত্তম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام لحضرت أَبِي بَكْرٍ عليه السلام يَا خَيْرَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ فَقَالَ حضرت أَبُو بَكْرٍ



“পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের হক্ব”


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- কোনো ব্যক্তি তার পিতা-মাতা দুইজন অথবা যেকোনো একজনকে পেল কিন্তু হক্ব আদায় করার মাধ্যমে তার গুনাহ-ক্ষমা করতে পারলো না তার জন্য হালাকী বা ধ্বংস। একজন বান্দার জন্য দুইটি হক্ব আদায় করা ফরয ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।



চেতনার অভাবে মুসলিম সমাজ


বর্তমানে মুসলিম সমাজ কঠিন সঙ্কটের পথে। মুসলিম সমাজ নিজেই জানে না, তাকে কোন পন্থায় এ সমস্যা উত্তরণ করতে হবে। এ সঙ্কট উত্তরণে মুসলিম বুদ্ধিজীবি মহলও যে খুব এগিয়ে এসেছেন তাও নয়, ফলে দ্রুত দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়ছে মুসলমানরা। আমি বিষয়টি



হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেভাবে মহাসম্মানিত ‘ফালইয়াফরহূ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন


عِيْدُ مِيْلَادِ النَّبِىّ ِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (ঈদু মীলাদিন নাবিইয়ি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার আভিধানিক অর্থ মুবারক হচ্ছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা। আর পারিভাষিক



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবশ্যই পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমাকে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব বিষয়ের সমস্ত পবিত্র ইলম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



আপনি কি জানেন কোন্ তিন ব্যক্তি যুগযুগ ধরে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে আসছে?


একদিন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ২য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, আপনি কি জানেন কোন্ ব্যক্তি বা কারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে থাকে। তখন তিনি বললেন, আমার সেটা



সর্বপ্রথম যাঁরা জান্নাতে প্রবেশ করবেন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন উনাদের মধ্যে অন্যতম


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ্রأَنَا وَحَضْرَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَحَضْرَتْ حَسَنٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَحَضْرَتْ حُسَيْنٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ مُجْتَمِعُونَ وَمَنْ أَحَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، نَأْكُلُ وَنَشْرَبُ حَتَّى يُفَرَّقَ بَيْنَ