নীলাভ -blog


...


 


ভারতীয় গরু কেনা থেকে সাবধান! বাংলাদেশী মুসলমানদের ক্ষতি করতে ইনজেকশন দিয়ে গরুতে ক্রনিক রোগ ঢুকিয়ে দিচ্ছে ভারতীয়রা


দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটা গুমোট সত্য তথ্য তুলে ধরতে হচ্ছে। ভারত আমাদের গরু দিবে না বলে স্রেফ জানিয়ে দিয়েছিলো কিছু দিন আগে। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের ফলে নিজেদের ৬০ হাজার কোটি টাকা লাভ থেকে বঞ্চিত হতে হবে, তাই টাকার লোভে



মুসলমানদের দ্বীনি কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত সৃষ্টি করলে বিধর্মীরাই অচিরে বিতাড়িত হবে


এদেশের সংবিধান থেকে ইসলামবিদ্বেষীদের প্ররোচনায় ‘বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’ উঠিয়ে নেয়ার পর তাদের দুঃসাহস অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। অমুসলিমরা এখন চাইছে, যেভাবে দেশের সংবিধান থেকে তাদের মর্জিমাফিক পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিষয়াদি তুলে নেয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই



‘গোল্ডেন রাইস’ একটি বহুমুখী ষড়যন্ত্রের অংশ 


সম্প্রতি সরকারী কিছু আমলারা গোল্ডন রাইসের পক্ষে কথা বলছে। তারা না জেনে হোক অথবা লোভে পড়ে হোক যেভাবেই এটার পক্ষে কথা বলে না কেন, এটা মূলত একটি চক্রান্তের অংশ। গোল্ডেন রাইস উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বহুজাতিক কোম্পানির এগ্রিবিজনেসের নতুন হাতিয়ার হিসেবেই কাজ করবে।



মুসলমানদের অসুস্থ করানোর লক্ষ্যেই জিএমও ফসল 


আমরা বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান বাস করি। আমরা সুখে থাকি ও ভালো ভাবে জীবন যাপন করি এটা কাফির মুশরিকসহ কোন দেশই চায় না। এজন্য তারা বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আমাদের বংশ বৃদ্ধি, আমাদের সুস্থতা, আমাদের সচ্ছলতা কোনাটাই কিন্তু বহির্বিশ্বের বরদাস্ত



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইতিহাসের একটি কুফরী দিক এবং তার খণ্ডন মূলক


একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম



কুল-কায়িনাতের সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- প্রতিটি আরবী মাস উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্রতম সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ অর্থাৎ ইছনাইনিল আযীম শরীফ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন যা আ’দাদ শরীফ বা তারিখ হিসেবে হস্তিবর্ষের পবিত্র



নূরে মুজাসসাম, হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি প্রথম সৃষ্টি- এ বিষয়ে দলীল


ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শায়েখ হযরত ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত তবাকাতুল কুবরা” কিতাবের ১ খন্ড ১৪৯ পৃষ্ঠায় হাদীছ বর্ণনা করেছেন, عَنْ قَتَادَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : كُنْتُ أَوَّلَ النَّاسِ فِي الْخَلْقِ وَآخِرَهُمْ



মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাকওয়াধারী।’ যিনি যতবেশি মুত্তাক্বী হবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি মর্যাদা বা সম্মানের



সংক্ষেপে মো./সাঃ/দঃ/ ঝ.গ ইত্যাদি লেখার বিষয়ে শরীয়ত কি বলে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করা ওয়াজিব, আর প্রতিবারই দুরূদ



হাদীছে জাবির বা সর্বপ্রথম নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক হাদীছ শরীফ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন


খারিজি ফির্কার দাবি হচ্ছে   পূর্ববর্তী যে কিতাব সমূহে হাদীছে জাবির বা সর্বপ্রথম নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক রেওয়ায়েত ভুল করে       চলে এসেছে। আজকে আমি এটারই জবাব দিবো ভুল করে আসেনি বরং অত্যন্ত তাহকীক ও নির্ভরতার সাথে উনারা দলীল এনেছেন। বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, ফক্বীহ



মুসলমানরা কি তাদের ক্বিবলা পরিবর্তন করে ফেলেছে?


পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে,



বাবুল হাওয়ায়িজ, যাইনুল মুতাহাজ্জিদীন, আল ওয়াফী, আত ত্বইয়্যিব, আছ ছালিহ, আস সাইয়্যিদ, আত ত্বহির, মালিকুল জান্নাহ, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান মুবারক