রাতের তারা -blog


...


 


এসো হে বৈশাখ আহবান মূলত কাট্টা শিরকী আহবান


আসন্ন ফসলী সনকে কেন্দ্র করে কদিন পরেই কিছু লোক, কতিপয় দল গোষ্ঠি শুরু করে দিবে মাতামাতি। নববর্ষ বড় নিয়ামত, নাউজুবিল্লাহ এমন আজব কুফরী ফতোয়ার কারনে মুসলমান নামধারী অনেককেই দেখা যাবে এ উপলক্ষে কুফরী গান, কুফরী শ্লোগান- এসো হে বৈশাখ বন্দনা করতে।



‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’-এ মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


পবিত্র ইসলাম উনার সূচনাকাল থেকেই হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং পরবর্তীতে সকল আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতসমূহ জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু এই সুন্নতসমূহ



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে আহাল হিসেবে না পাওয়ার কারণে শোক প্রকাশ করে বিভিন্ন মহিলা উনাদের ক্বাছীদা শরীফ


পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবের ইলম রাখতো এরূপ অনেক মহিলা উনারা জানতেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত কপাল মুবারক-এ এখন ‘নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ অবস্থান মুবারক করছেন। তিনিই হবেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৯ জুমাদাল উখরা শরীফ সম্মানিত বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَذَكِّرْهُم بِأَيَّامِ اللَّهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতকে তথা কায়িনাতবাসীকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে



প্রত্যেক মুসলমান পুরুষের জন্য দাড়ি রাখা ফরয


প্রথমত মহিলা ও পুরুষের মাঝে পার্থক্য হলো, মহিলাদের মুখে দাড়ি নেই আর পুরুষের মুখে দাড়ি থাকবে। আর দ্বিতীয়ত মুসলমানদের ও কাফিরদের মাঝে প্রভেদ করার মানদ-ও হলো দাড়ি। মুসলমানের মুখম-লে দাড়ি, মাথায় টুপি-পাগড়ি রুমাল পরা, নামায পরা ইত্যাদির মাধ্যমে পরিচয় লাভ করা



‘মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ভুল ও গুনাহ করেছেন’ নাউযুবিল্লাহ-


সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা হলো- ‘কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা কখনো কোনো ভুল করেননি। ইচ্ছাকৃত তো নয়ই, অনিচ্ছাকৃতও নয়।’ অর্থাৎ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা কোনো ভুলই করেননি। আর হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা সকলেই হলেন মহান



হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন- নিয়ামতে উযমা মুবারক অর্থাৎ সবচেয়ে মহান বা বড় নিয়ামত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (মু’মিন বান্দা-বান্দী) উনারা খুশি প্রকাশ করেন মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক ও ফদ্বল বা অনুগ্রহ মুবারক লাভ করার কারণে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা সুন্নত; বিদয়াত বলা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, والذين اتبعوهم باحسان رضى الله عنهم ورضوا عنه অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতিও সন্তুষ্ট হবেন এবং তারাও মহান আল্লাহ পাক উনার



যদিও সে এমপি-মন্ত্রী বা সরকার প্রধান হোক না কেন- মূর্তিপূজায় সাহায্যকারী সকলেই মূর্তিপূজারি ও মুশরিকের অর্ন্তভুক্ত


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহানা আল্লাহ পাক উনার একমাত্র মনোনীত দ্বীন। মুসলমান মাত্রই পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কিছুই কল্পনা করতে পারে না। কোনো মুসলমান মূর্তিপূজায় বৌদ্ধ পুর্ণিমায় কিংবা ক্রিসমাসে অংশগ্রহণ করে আর্থিক সাহায্য করে, তাহলে সে পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে খারিজ



বেমেছাল আত্মত্যাগের এক বেদনাদায়ক ওয়াক্বিয়া


সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক পরিচালনাকালে তিনি হযরত যায়ীদ বিন আমের আল জুমাহী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হিমসের গভর্নর করে পাঠালেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কিছুদিন পর হিমসের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য হিমসে গেলেন।



প্রখ্যাত ইতিহাসবিদদের দৃষ্টিতে পবিত্র হারামাইন শরীফে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের ইতিহাস


বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে থাকে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ এই সেদিন থেকে প্রচলিত হয়েছে! নাউযুবিল্লাহ! হারামাইন শরীফে এ দিবস পালন হতনা! নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী সম্মানিত ইসলাম উনার শুরু থেকেই হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো। নিম্নে কয়েকজন প্রখ্যাত



খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার নৌবাহিনী গঠন এবং বিজিত এলাকার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা


সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কী কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমান উনাদের অতীত শৌর্য, কী ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে