রাতের তারা -blog


...


 


বাল্যবিবাহ পবিত্র খাছ সুন্নত; না জেনে বিরোধিতা করলেও ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে


শৈশবকালে বিয়ে করা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। আমাদের প্রাণের আক্বা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে শৈশবকালে অর্থাৎ উনার ছয় বছর বয়স মুবারকে পবিত্র নিকাহ মুবারক সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ!



মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস


বাংলায় মোগল শাসন কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো, তার প্রামাণ্য ইতিহাস পাওয়া যায় ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’ নামক কিতাবে। এই কিতাবটি হচ্ছে মোগল সেনাপতি মির্জা নাথানের দিনলিপি বা ডায়েরী। প্যারিসের মিউজিয়ামে যদুনাথ সরকার আকস্মিকভাবে এই কিতাবটি খুঁজে পায়, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসী বিভাগ থেকে ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’র ইংরেজি



মুসলমানদের নমনীয় মনোভাবই বিধর্মীদেরকে দানবে পরিণত করেছে!


মুসলমানদের নমনীয় মনোভাবই বিধর্মীদেরকে দানবে পরিণত করেছে! সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক ৫০ বছর বয়সী মুসলমানকে পাথর মেরে মেরে নির্মমভাবে শহীদ করেছে বিধর্মীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে তার ছেলে। মন্দির থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছিল, ঐ মুসলমান ব্যক্তির বাড়িতে গরুর গোশত রয়েছে।



শত্রুর প্রতি বিদ্বেষ-ই বাঁচিয়ে রাখে; এজন্য শত্রুরাই বন্ধুত্বের ফাঁদ পাতে!


শত্রুর প্রতি বিদ্বেষ-ই বাঁচিয়ে রাখে; এজন্য শত্রুরাই বন্ধুত্বের ফাঁদ পাতে! একাত্তরে বাঙালি মুসলমানরা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিল। এই বিজয় অর্জন সম্ভব হতো না, যদি না বাঙালি মুসলমানরা পশ্চিম পাকিস্তানী যালিম শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষণ করতো। এ প্রসঙ্গে একাত্তরে ‘চরমপত্র’



পবিত্র ২২ জুমাদাল ঊলা শরীফ উনার শাহী আয়োজনে শরীক থেকে বিবাহ দোহরায়ে শান্তিময় জীবন নিয়ে বসবাস করুন


২২শে জুমাদাল উলা শরীফ: বিবাহ দোহরানোর শাহী মজলিস। যে মজলিসে স্বয়ং আওলাদে রসূল যামানার লক্ষস্থ্যল আহলে বাইত ওলীআল্লাহ, খাযিনাতুস সুন্নাহ, হাদিয়াতুস সুন্নাহ, মুহইউস সুন্নাহ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, যামানার শ্রেষ্ঠতম ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম



আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী ব্রিটেন অর্থাৎ ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, ভারত, মায়ানমারসহ সমস্ত বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোই মূলত আসল এবং সবচেয়ে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রু কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী ব্রিটেন অর্থাৎ ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, ভারত, মায়ানমারসহ সমস্ত বিধর্মী রাষ্ট্রগুলোই মূলত আসল এবং সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী।



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার কয়েকটি খুছুছিয়ত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক


১) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ছোট-বড়, পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয। ২) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ এমন একটি আমল যা জিন ও মানুষ ছাড়া সমস্ত মাখলুকাতই দায়েমীভাবে পালন করে থাকে। ৩) পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই একমাত্র আমল যা দায়েমীভাবে সারা



মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত ‘যুন নূরাইন’ লক্বব মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ اَوْحٰـى اِلَـىَّ اَنْ اُزَوِّجَ كَرِيـْمَتَـىَّ مِنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ حَضْرَتْ رُقَيَّةَ



সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন কেবলি প্রহসন


আমাদের দেশে আজকাল কেউ ইন্তেকাল করলে তার স্মরণে সে মানুষটির কর্মস্থলে বা তার তৈরি কোনো প্রতিষ্ঠানে বা সংগঠনে এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন করা হয়। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে- আজকাল মুসলমানদের জন্যেও পালিত হচ্ছে এসব বিজাতীয় অদ্ভুত অনুষ্ঠান। যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে,



পবিত্র দরবারে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


‘দরবার’ শব্দটি ফার্সী ভাষার শব্দ। অর্থ- রাজসভা, সভাগৃহ, দরবার ইত্যাদি। রাজাধিরাজ খ¦ালিক্বে কায়িনাত মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার। “দরবারে নববী শরীফ” সরকারে কায়িনাত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফ উনাকে বলা হতো। অনুরূপ নূরে মুজাসসাম



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার গুরুত্ব বুঝতে হলে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু



হাফাদাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা মোট ৮ জন। উনাদের মধ্যে মহাসম্মানিত হযরত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিমুস সালাম উনারা ৪ জন এবং মহাসম্মানিতা হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ৪ জন। সুবহানাল্লাহ!