রাতের তারা -blog


...


 


মুসলমানদের কামিয়াবি অর্জন ও খাছ রহমত লাভের সুমহান দিন পবিত্র ১৪ শাওয়াল শরীফ


পবিত্র ১৪ শাওয়াল শরীফ অত্যন্ত বরকতপূর্ণ এক সুমহান দিন। ৯৭১ হিজরীর (ঈসায়ী ১৫৬৩ সাল) এই মহানতম দিনেই পাঞ্জাব প্রদেশের পাতিয়ালার পবিত্র সিরহিন্দ শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী আফযালুল আউলিয়া কাইয়্যুমে আউওয়াল ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি পবিত্র



১লা রমাদ্বান শরীফ


১লা রমাদ্বান শরীফ হযরত গাউসুল আযম মুহিউদ্দিন বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সুমহান বিলাদতি শান মুবারক প্রকাশ অর্থাৎ পৃথিবীর জমিনে আগমনের সুমহান দিন। এ সুমহান দিনে সম্মানিত মুসলমান উনাদের করনীয় হচ্ছে- ১।সর্বত্র উনার বরকতময় জীবনী মুবারক আলোচনা করা। ২।



ভারতীয় পন্য ম্যাগি নুডুলসে সীসা।


ভারতীয় পন্য ম্যাগি নুডুলসে মাত্রাতিরিক্ত সীসা ধরা পড়ার অভিযোগে দেশটির কেন্দ্রীয় খাদ্যসুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এফএসএসএআই) পণ্যটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে । নির্দেশনায় সংস্থাটি বলে, ম্যাগির নয়টি অনুমোদিত ইনস্ট্যান্ট নুডলসের সবকয়টি পরীক্ষায় বিপজ্জনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাই এসব



হিসাব বিজ্ঞান বইয়ে এত হিন্দু নামের উদ্দেশ্য কি ?


ক্লাস ৯-১০ এর হিসাব বিজ্ঞান বইয়ে বিভিন্ন অংকে ব্যবহৃত নামে হিন্দু নামের ছড়াছড়ি। যেমন: (১) দিপক (অধ্যায়-২, পৃষ্ঠা: ১৪) (২) আশীষ কুমার চক্রবর্তী (অধ্যায়-২, পৃষ্ঠা: ২১) (৩) মি. শংকর চন্দ্র সাহা (অধ্যায়-২, পৃষ্ঠা: ২১) (৪) রতন (অধ্যায়-২, পৃষ্ঠা: ৯) (৫) পলাশ



১লা মে। কথিত মে দিবস। তথাকথিত শ্রমিক দিবস।


১৮৮৬ সালের ১লা মে আমেরিকার মেহনতি শ্রমিকশ্রেণী দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিসহ আরো কয়েকটি ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জীবন বিসর্জন দিয়ে অমুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে রুঢ় বাস্তবতা হিসেবে এক শ্রমিক আন্দোলনের সূচনা করেছিল। ১লা মে’র ওই ধর্মঘট দিবসের আগে যুক্তরাষ্ট্র



জুময়ার বয়ানে মসজিদের ইমামের ফতয়া আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে ?ব্লগার ভাইদের নিকট সঠিক ফায়সালা জানতে বাসনা রাখি?


১। অসুস্থ পশু সুস্থ হলে  কুরবানি দিবে নিয়ত করলে সে পশু কুরবানি করলে গোশত নিয়তকারীর পরিবার খেতে পারবে না এবং সব গোশত গরীব মিসকীনদের  বিলি করে দিতে হবে ? ২।যাদের উপর কুরবানি ওয়াজিব হয়নি তারা কুরবানি করতে পারবে না এত নাকি



পবিত্র ঈদুল আযহায় সরকারের পক্ষ থেকে কুরবানি করার জন্য অসচ্ছল মুসলমানদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।অন্যথায় দেশবাসী মনে করবে


বাংলার ৯৭% মুসলমান আজ নিগুহীত ,নিষ্পেষিত এবং অধিকার বঞ্চিত।দরিদ্রতার কারনে ঈদের আনন্দটুকু অনেকে পায়না।বিশেষ করে ঈদুল আযহায় অসচ্ছলতার কারনে অনেকে কুরবানি করতে পারে না।এক্ষেত্রে সরকারিভাবে কোন আর্থিক সহায়তাও দেয়া হয় না।অথচ ২% হিন্দুদের পূজা আসলেই সরকার তৎপর হয়ে ওঠে এবং মুসলমানের



রামুর ঘটনায় মিডিয়াসমূহের সংবাদ আর মহাজোট সরকারের বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ দেখে মনে হয় যেন দেশটার মালিক সংখ্যালঘুরা।


রামুর ঘটনায় আমরা বাংলার মুসলমানরা মহাজোট সরকার আর মিডিয়াগুলোর আচরনে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাচ্ছি।মনে হয় যেন আমরা আপন দেশে পরবাস। ধরে নিলাম রামুতে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা,মন্দিরে আগুন ধর্মপ্রান মুসলমানদের অন্যায় হয়েছে।কিন্তু মুসলমানরা কেন মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করল,হামলা করল এর কারনও আমরা জানি।আর



আজকে গিয়েছিলাম এক গ্রাম্য সালিশে মাতাব্বরসহ প্রায় সকলের অভিযোগ আধুনিক যুগের মেয়েরা স্বামীর কখা শুনে না । সালিশের বিষয়বস্তু


মাগরিবের নামাযের পর মাতাব্বরগনসহ প্রায় ১০০ লোক ছেলের বাড়িতে উপস্থিত। কিছুক্ষন পর নির্যাতিত বউকে ডাকা হল তার অভিযোগ শোনার জন্য এবং সত্য কখা বলার জন্য অনুরোধ করা হল। মেয়ের বক্তব্য বিয়ের সময় দুই ভরি স্বর্ন যৌতুক দেয়ার কথা ‍ছিল কিন্তু তার



সুখে নেই বাংলার ৯৭% মুসলমান কিভাবে তারা মহাসংকট থেকে রক্ষা পাবে ?


চলতে পথে বিভিন্ন মানুষের অভিব্যক্তি থেকে এবং বিভন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর হতে বুঝতে পারলাম বাংলার ৯৭% মুসলমান আজ সুখে নেই। বাড়িতে অবস্থানকালীণ সময় বিদ্যুৎ ,গ্যাস,পানি থাকে না। রাস্তাঘাটে চলতে গেলে অসহনীয় যানযট ,রাস্তাঘাট ভাঙ্গা, গাড়িভাড়ার পরিমান বেশি। আবার বাজারে গেলে



সৃষ্টির নিকৃষ্ট উলামায়ে ‘ছু’ রা এবার নিকৃষ্ট কাজ করে গেল সাভারে-


সম্প্রতি সাভারের বাহেরচর গ্রামের যুবসংগঠনের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে  ইসলামী কনসার্টের নাম দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রী দ্বারা তাদের কথিত সংগীত পরিবেশন করে এবং উক্ত অনুষ্ঠান সি .সি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত ওয়াজ



বিশ্ব ফকির ,ক্ষুদার্থ কুকুর আমেরিকা খাবারের সন্ধানে বিরাজ করছে বাংলাদেশে সাবধান বাংলার ধর্মপ্রান মুসলমান-


সম্প্রতি বিভিন্ন  সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পারলাম বিভিন্ন আযাব গযবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া আমেরিকা বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতার অজুহাতে সেদেশের কতিপয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে প্রেরন করেছে। মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রু আমেরিকার সৈন্যবাহিনী পাঠানোর পেছনে রয়েছে দূরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য। আমার মতে তাদের লোভের চোখ