মরু কাফেলা -blog


...


 


ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মুবারক


ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানের খিলাফের জবাব ১ম পর্ব – https://www.facebook.com/noore.julfikar.3/posts/2561047680780932 ২য় পর্ব- https://www.facebook.com/noore.julfikar.3/posts/2561824370703263 ৩য় পর্ব- https://www.facebook.com/noore.julfikar.3/posts/2562040140681686 ৪র্থ পর্ব – https://www.facebook.com/noore.julfikar.3/posts/2562807013938332 ৫ম পর্ব – https://www.facebook.com/noore.julfikar.3/posts/2563778303841203 ৬ষ্ঠ পর্ব



পবিত্র আশুরার শিক্ষা: কাফির-মুশরিকদের খিলাফ করতে হবে


সামনেই পবিত্র আশুরা (১০ মহররম শরীফ)। ঐ দিন পরিবারের লোকদের নিয়ে ভাল খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর রিযিকে বরকত হয়। সুবহানাল্লাহ! মানুষ মনে করে থাকে বছরের প্রথম দিন ভাল খাবারের ব্যবস্থা করলে সারা বছর ভাল খাওয়া যাবে। নাউজুবিল্লাহ! এটা একটা কুফরী



মুসলমানদের জন্য আত-তাক্বউইমুশ শামসী প্রণয়নের প্রেক্ষাপট: বিধর্মীদের প্রণীত যতগুলো ক্যালেন্ডার আছে প্রত্যেকটির সাথেই কুফরী-শিরকী জড়িত


গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির উদ্ভব: বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে প্রচলিত সৌরবর্ষপঞ্জিটি খ্রিস্টানদের তথাকথিত ধর্মযাজক পোপ গ্রেগরির নামানুসারে “গ্রেগরিয়ার বর্ষপঞ্জি” নামে পরিচিত। তবে আমাদের দেশে এই বর্ষপঞ্জিটি “ইংরেজি ক্যালেন্ডার” নামেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পোপ গ্রেগরির প্রকৃত নাম উগো বেনকোমপাগনাই; সে ছিল ১৩তম পোপ। ১৫৮২ সালের



আয় আল্লাহ পাক! আপনি তাদেরকে ধ্বংস করে দিন


আয় আল্লাহ পাক, যে সকল ইহুদী নাছারা, মজূসী মুশরিক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান, নাস্তিক, মুনাফিক বেদ্বীন বদদ্বীনগুলি নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে অবমাননাকর কথাবার্তা বলছে, লেখালেখি করছে, উনার সম্মানিত আহলুবাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিয়ে



সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে ইসলামী অনুশাসন মুতাবিক পরিবার সমাজ গড়ে তুলতে হবে


প্রতিদিন খবর আসে, রাজনীতি নিয়ে, আধিপাত্য নিয়ে, জমিজমা নিয়ে, হারাম প্রেম নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একে অপরকে কোপাকোপি করে আহত-নিহত করে যাচ্ছে। এছাড়া মৌলবাদী ওহাবী সন্ত্রাসবাদীরা তো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিকৃত ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কোপাকোপি করে। নাউযুবিল্লাহ! এরপর এসব



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কিত আর্টিকেল লেখার জন্য ইংরেজি ভাষার কিছু সংস্কার করা আবশ্যক


বর্তমানে সারাবিশ্বে সবার নিকট বোধগম্য ভাষা বলতে ইংরেজিকেই বোঝানো হয়। অন্যান্য ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন প্রবন্ধ ও আর্টিকেল লিখে ছড়ানো হয়, যেন তা অন্যান্য ভাষাভাষীর নিকট পৌঁছানো যায়। তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে, তা হচ্ছে প্রচলিত ইংরেজি ভাষায় আদব, শরাফত,



পবিত্র সুন্নত তথা দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত হাদিয়া করবেন এবং সর্বোচ্চ সম্মানে অধিষ্ঠিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! তবে তাঁকে অবশ্যই হাক্বীকী ‘বান্দা’ ও ‘উম্মত’ হতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ



ওহাবী সউদী সরকারের চাঁদের তারিখ হেরফের, ফের চুরিতে ধরা পড়লো সউদী ওহাবী সরকার


ইহুদী বংশদ্ভুদ সৌদি ওহাবীরা হজ্জ নষ্ট করার জন্য চাঁদের তারিখ নিয়ে যে ষড়যন্ত্র করেছে সেটা হাতে নাতে ধরা পরে গেলো। দেখুন তাদের ওয়েবসাইটে শুক্রবার প্রথমে তারিখ দিয়েছেলো ১ তারিখ (http://bit.ly/2bJJC0p) । কিন্তু ১ তারিখ দিলে ১১ সেম্টেম্বর ঈদ হয়, যেটা অসম্ভব।



চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে যিলক্বদ মাসে দুই দিন ১ তারিখ বানালো সাউদি সরকার


মুসলমানদের ইবাদত হজ্জ ও কুরবানী নষ্ট করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি ইহুদী সরকার। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় কাজ শুরু করে চাঁদ দেখে আর ইহুদীরা আমবস্যার দিনকে প্রথম দিন ঘোষনা করে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। অর্থাৎ ১ দিন আগে।



সৌদি রাজ পরিবার ইহুদীদের চাচাচো ভাই


হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফের দিকে কুনজরে তাকানো একমাত্র ইহুদীদের পক্ষেই সম্ভব। আর সৌদি রাজ পরিবার হচ্ছে সবাই ইহুদী বংশধর। তারা ইহুদী সেটা সৌদি বাদশাহ ফয়সালের নিজের মুখেই শুনুন- “সউদী বাদশাহ ফয়সাল (শাসনকাল ১৯৬৪-৭৫) ওয়াশিংটন পোস্টের



ওসীলা বিরোধী সালাফী ওহাবীদের মিথ্যাচারের জবাব


ওহাবী সালাফী বাতিল ফির্কারা বলে থাকে ওসীলা গ্রহণ করা হারাম। আল্লাহ পাক নাকি ওসীলা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ !! কত বড় মিথ্যাবাদী এই ওহাবী ফির্কা। আল্লাহ পাকের বিরুদ্ধেও অপবাদ দিতেও তাদের কলিজা কাঁপে না। আসুন আমরা কুরআন শরীফ থেকে কতিপয়



আপনি ‍কি জানেন লা’মাযহাবীরা কয় দলে বিভক্ত?


যারা মাযহাব অনুসরন করে তাদের লা’মাযহাবীরা বলে থাকে তোমরা নিজেদের চার ভাগে ভাগ করে নিয়েছো। কেউ হানাফী, কেই শাফেয়ী, কেউ মালেকী, কেউ হাম্বলী। কেন এই বিভক্তি… ইত্যাদি .. ইত্যাদি। আসলে যারা নিজেদের শরীরের দুর্গন্ধ সর্ম্পকে সচেতন না হয়ে অন্যকে নিয়ে ঘাঁটাঘাটি