নূরুল হুদা (শান্ত) -blog


...


 


জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত মুবারকের আন্জাম!


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে



এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে



হে পিতা-মাতা! আপনার সন্তান পাঠ্যবই থেকে কি শিখছে?


আপনিতো খুব করে ভাবছেন আপনার সন্তান স্কুল-কলেজে গিয়ে খুব করে পড়াশুনা করে অনেক বড় কিছু হবে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার এ সন্তান আপনারই আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ছে। আপনি যে দ্বীন-ধর্ম শিক্ষা করে বড় হয়েছেন, যে ঈমান নিয়ে আপনি পিতা-মাতা



মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত



সম্মানিত চার মাযহাবের ইমামগণই বাইয়াত গ্রহণ করেছেন


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি থেকে ইরশাদ মুবারক করেন- ومن مات وليس في عنقه بيعة، مات ميتة جاهلية অর্থ: যে ব্যক্তি বাইয়াত ছাড়া মারা গেল সে



হারাম ও নাজায়িয কাজ থেকে বিরত থাকার একমাত্র উপায় ক্বলবে যিকির জারি করা


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা কাহাফ শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না যার ক্বলব আমার যিকির থেকে গাফিল, যিকির থেকে গাফিল হওয়ার কারণে সে নফসের পায়রবী করে এবং তার কাজগুলো সম্মানিত ইসলামী



পবিত্র কুরবানীর পশু এবং কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজকে সম্মান করতে হবে


পবিত্র কুরবানীর পশু হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম নিদর্শন। যেহেতু পশু কুরবানীর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল কারা যাবে। সেহেতু উক্ত পশু ও করবানী করার সংশ্লিষ্ট কাজগুলিও নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভূক্ত। এ প্রসঙ্গে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ



সুন্নতি খাবার তালবীনার উপকারিতা


উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি কোন মৃতব্যাক্তির শোকে দুর্বল হয়ে পড়াদের তালবীনা খাওয়ার জন্য নছিহত মুবারক করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি- তালবীনা রোগাক্রান্ত ব্যক্তির হৃদপিন্ডের জন্য



ছবি ও বেপর্দাই হচ্ছে বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবরক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা চেয়ে থাকে কিভাবে মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ) বর্তমানে যামানায় সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস হচ্ছে ছবি এবং বেপর্দা।



পবিত্র কুরবানীর পশুর খামার করুন; সাপ, কুমির, কচ্ছপের খামার নয়


আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ও সবচাইতে বেশি লাভবান হলো গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদির লালন-পালন। যুগযুগ ধরে আমাদের দেশের মানুষও এসব প্রাণী লালন-পালনে অভ্যস্ত ও অভিজ্ঞ। আমাদের দেশের অর্থনীতিতেও এসব প্রাণী থেকে প্রাপ্ত দুধ, গোশত, চামড়া, পশম ইত্যাদির অবদান অনেক



বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানগণের সাথে বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্বীনদার বাদশাহ পালনের ব্যবস্থা করেন উনাকে যারা মূর্খ ও যিন্দীক অভিহিত করে ফতওয়া


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্বীনদার বাদশাহ পালনের ব্যবস্থা করেন উনাকে যারা মূর্খ ও যিন্দীক অভিহিত করে ফতওয়া মুতাবিক তারাই উলামায়ে ছূ’ ================================================= পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্বীনদার, পরহেযগার ন্যায়পরায়ণ ও আশিকে রসূল বাদশাহ তরতীব মুতাবিক পালনের ব্যবস্থা