মহিন খান -blog


...


 


মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করতে পারা একটি বিশেষ নিয়ামত


শুকরিয়া আদায় অনেক রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ফরয অর্থাৎ ফরয কাজগুলো সম্পাদন করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করা। এমনটি করা অত্যাবশ্যক এবং শুকরিয়া আদায়ের জন্য এমনটি করাই যথেষ্ট। আবার শুকরিয়া হলো পাপ কাজ পরিত্যাগ করা। শুকরিয়া হলো কোনো নিয়ামত ব্যবহার



একদিকে গ্যাস সঙ্কটের মিথ্যা অজুহাতে মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে দেশের গ্যাস ব্লকগুলো তুলে দেয়া হচ্ছে বিদেশীদের হাতে?


একদিকে দেশের গ্যাস-সঙ্কটের কথা বলা হচ্ছে; অন্যদিকে সেই সঙ্কট সমাধানের ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো রফতানীর সুযোগ রেখে বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। ব্লু ইকোনমির আড়ালে, সীমানা নিষ্পত্তির সুযোগে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র সম্পদে বিদেশীদের কর্তৃত্ব কায়েম করার পথে সরকার অগ্রসর হচ্ছে।



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাত মাঝে হাযির-নাযির; এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ উনার ৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- انا ارسلناك شاهدا অর্থ: ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ জানা আবশ্যক, যিনি সাক্ষ্য



পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শাহাদাত মুবারক উনার পরে দুনিয়ায় যে


হযরত উলামায়ে কিরামগণ লিখেছেন যে, “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার সময় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়েছিল, আসমান ঘোর অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, ফলে দিনের বেলা তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর আসমান কালো থেকে লাল



খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পর্দা ও সুন্নত পালনের দৃঢ়তা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু



পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করার ছহীহ তরীক্বা বা নিয়ম


পবিত্র কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর পবিত্র কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, গলাতে চারটি রগ রয়েছে, তন্মধ্যে গলার সম্মুখভাগে



নক্বশায়ে হায়দার, মিছদাক্বে বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন সম্মানিত ওহী মুবারক। আর হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ইলম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন ইলহাম-ইলক্বা বা ইলমে লাদুন্নী মুবারক। সম্মানিত ওহী বা ইলমে লাদুন্নী অর্জিত ইলম মুবারকের নাম নয়, বরং প্রদত্ত



ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে ব্যক্তি মুহব্বত করবে সে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম


সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদা সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায কবূল হয় না


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ مَسْعُوْدِ ۨ الْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلّٰى صَلٰوةً لَّـمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْـتِـىْ لَـمْ تُقْبَلْ مِنْهُ. অর্থ:



রহমত উনার মূল আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খায়রু বানাত আলাইহাস সালাম ও আন নূরুর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত খায়রু


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা হলেন হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিস্তির ন্যায়। যে এতে আরোহণ করবে সে নাজাত পাবে। যে তাতে আরোহণ করবে না সে ধ্বংস হবে।” পবিত্র হাদীছ



‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন’ সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস


সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছছালিছা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক যখন ছয় (৬) বছর, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সাথে নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন করেন। বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করার অর্থ