মহিন খান -blog


...


 


যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, উনারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। সুবহানাল্লাহ! যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে



সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, হাদীয়ে যামান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক“মহিমান্বিত দশ


ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহা দুই ঈদের রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও দোয়া করতে হবে। কেননা সম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِىْ خَمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مِّنْ رَّجَبَ وَ



করোনায় চীনে এক কোটির বেশি মৃত্যু!


করোনা গজবে আক্রান্ত হয়ে চীনে এক কোটিরও বেশি মারা গেছে। দেশটির সরকার করোনাভাইরাসের প্রকৃত চিত্র আড়াল করেছে। ভারতীয় একটি সংবামাধ্যম এমন দাবি করেছে বলে খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকা। কিন্তু ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি অন্যান্য দেশের কাছে করোনাভাইরাসের প্রকৃত চিত্র আড়াল



ফালইয়াফরহূ বা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল, হযরত বদরী ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এ


পবিত্র মাক্কী সূরাসমূহ উনাদের অন্যতম একখানা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই সূরা সমূহ উনাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতিকে সম্বোধন করে (যেমন- يَا اَيُّهَا النَّاسُ উল্লেখ করে) পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন। পক্ষান্তরে পবিত্র মাদানী সূরাসমূহ উনাদের অন্যতম একখানা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই



পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির জবাব দেয়া ঈমানের দাবি


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ



হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে অপবাদের জওয়াব


অনলাইনে এক জামাতী বক্তার একটা বক্তব্য ভাইরাল হলো, সে বলেছে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম মদ পান করলেন। এরপর মাগরিবের নামাযে সূরা কাফিরুন ভুল পাঠ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক। আম জনতা সেটার প্রতিবাদ করলো। সে মূহূর্তে কিছু জামাতী মওদূদী আক্বীদার



পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উত্তম আমল হচ্ছেন পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت أبي هريرة رضى الله تعالى عنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه و سلم فقال أي الصيام أفضل بعد شهر رمضان ؟ قال شهر الله الذي تدعونه المحرم অর্থ: হযরত আবূ



বাংলাদেশের পাঠ্যবইগুলোতে ঈমান নষ্টের বীজ


দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা কঠিন এক অবস্থার সম্মুখীন। দেশের প্রধান জনগোষ্ঠি ৯৮ ভাগ মুসলমানদের চাওয়া পাওয়া অধিকারকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী একটি শিক্ষানীতিতে চলছে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা। শিশু শ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক সবকিছুতেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ



বিধর্মীদের প্রতি আমাদের কিরূপ মনোভাব পোষণ করতে হবে? আসুন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে শিক্ষা নেই


কাফির কিংবা অমুসলিমদের প্রসঙ্গ আসলে অনেকেই মনগড়া ভাবে কিংবা শোনা কথায় দীক্ষিত হয়ে এরূপ মন্তব্য করেন যে, ‘ইসলাম সব ধর্মের প্রতি সমান অধিকার দিয়েছেন।’ কেউ বলে, ‘ইসলাম সম্প্রীতি শিক্ষা দেয়।’ কিন্তু এরা জানেনা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক



নিদিষ্ট স্থানে কুরবানী করার কথা বলা হয়, কিন্তু যত্রতত্র পূজামণ্ডপ হয় কিভাবে?


এদেশের মূল জনগোষ্ঠী হলো মুসলমান। ১.৫ ভাগেরও কম হলো বিধর্মী। অথচ এই গুটিকতক পূজারীদের পূজার সময় দেশের কোটিকোটি মুসলমানগণ অত্যন্ত কষ্ট পেয়ে থাকেন। সারাদেশে যে হারে মুসলমান জনগণের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা না বাড়লেও তাদের পূজাম-পের সংখ্যা বেড়েই চলছে।



অবিলম্বে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস তো অবশ্যই বরং সর্বসময়ের জন্য ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে সব সময়ের জন্য হারাম খেলাধুলা


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হারাম।’ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই হারাম। কেননা বিশ্বকাপ ফুটবল ও ক্রিকেট এবং এ জাতীয় সমস্ত খেলাধুলার উদ্ভাবক হচ্ছে কাফির-মুশরিকরা। নাউযুবিল্লাহ! তাই মুসলমানদের



মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করতে পারা একটি বিশেষ নিয়ামত


শুকরিয়া আদায় অনেক রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ফরয অর্থাৎ ফরয কাজগুলো সম্পাদন করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করা। এমনটি করা অত্যাবশ্যক এবং শুকরিয়া আদায়ের জন্য এমনটি করাই যথেষ্ট। আবার শুকরিয়া হলো পাপ কাজ পরিত্যাগ করা। শুকরিয়া হলো কোনো নিয়ামত ব্যবহার