মহিন খান -blog


...


 


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শাহাদাত মুবারক উনার পরে দুনিয়ায় যে


হযরত উলামায়ে কিরামগণ লিখেছেন যে, “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার সময় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়েছিল, আসমান ঘোর অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, ফলে দিনের বেলা তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর আসমান কালো থেকে লাল



খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পর্দা ও সুন্নত পালনের দৃঢ়তা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু



পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করার ছহীহ তরীক্বা বা নিয়ম


পবিত্র কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর পবিত্র কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, গলাতে চারটি রগ রয়েছে, তন্মধ্যে গলার সম্মুখভাগে



নক্বশায়ে হায়দার, মিছদাক্বে বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন সম্মানিত ওহী মুবারক। আর হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ইলম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন ইলহাম-ইলক্বা বা ইলমে লাদুন্নী মুবারক। সম্মানিত ওহী বা ইলমে লাদুন্নী অর্জিত ইলম মুবারকের নাম নয়, বরং প্রদত্ত



ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে ব্যক্তি মুহব্বত করবে সে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম


সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদা সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায কবূল হয় না


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ مَسْعُوْدِ ۨ الْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلّٰى صَلٰوةً لَّـمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْـتِـىْ لَـمْ تُقْبَلْ مِنْهُ. অর্থ:



রহমত উনার মূল আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খায়রু বানাত আলাইহাস সালাম ও আন নূরুর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত খায়রু


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা হলেন হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিস্তির ন্যায়। যে এতে আরোহণ করবে সে নাজাত পাবে। যে তাতে আরোহণ করবে না সে ধ্বংস হবে।” পবিত্র হাদীছ



‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন’ সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস


সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছছালিছা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক যখন ছয় (৬) বছর, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সাথে নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন করেন। বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করার অর্থ



যে দেশের সরকার ও যে দেশের মানুষ- শাহরুল আ’যম সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ


আলোচনার শুরু হোক পবিত্রতম একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে নিয়ে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের মুসলমানদের উপর এমন একটি সময় আসবে, তোমাদের উপর যুলুম-নির্যাতন



বড় জানতে ইচ্ছা করে,আমাদের দেশের লোকদের কাছে-


নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব বেশি ? নাকি ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মতুর্জার গুরুত্ব বেশি? গত তিন দিন আগে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট টীমের অধিনাক মাশরাফি বিন মর্তুজার সাথে মারমুখি আচরন করায় অনলাইন অফলাইন ছিলো রণক্ষেত্র। জনগন দাবি করলো – মাশরাফি



হানাফী মাযহাব মতে যার উপর কুরবানী ওয়াজিব তার পক্ষ থেকেই কুরবানী করতে হবে; তার নামে কুরবানী না করে মৃত


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও কুরবানী করবে না সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে|’ যার উপর কুরবানী ওয়াজিব সে তার নামে কুরবানী



সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত ওলীআল্লাহ


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহে উমরী মুবারকে একটি বিশেষ ঘটনা বর্ণিত রয়েছে। একবার এক ব্যক্তি একটা আমল করার নিয়ত করেছে এভাবে যে, তার সাথে ওই সময় পৃথিবীতে আর কেউই শরীফ থাকতে পারবে না। যদি