মহিন খান -blog


...


 


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উত্তম আমল হচ্ছেন পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت أبي هريرة رضى الله تعالى عنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه و سلم فقال أي الصيام أفضل بعد شهر رمضان ؟ قال شهر الله الذي تدعونه المحرم অর্থ: হযরত আবূ



বাংলাদেশের পাঠ্যবইগুলোতে ঈমান নষ্টের বীজ


দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা কঠিন এক অবস্থার সম্মুখীন। দেশের প্রধান জনগোষ্ঠি ৯৮ ভাগ মুসলমানদের চাওয়া পাওয়া অধিকারকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী একটি শিক্ষানীতিতে চলছে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা। শিশু শ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক সবকিছুতেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ



বিধর্মীদের প্রতি আমাদের কিরূপ মনোভাব পোষণ করতে হবে? আসুন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে শিক্ষা নেই


কাফির কিংবা অমুসলিমদের প্রসঙ্গ আসলে অনেকেই মনগড়া ভাবে কিংবা শোনা কথায় দীক্ষিত হয়ে এরূপ মন্তব্য করেন যে, ‘ইসলাম সব ধর্মের প্রতি সমান অধিকার দিয়েছেন।’ কেউ বলে, ‘ইসলাম সম্প্রীতি শিক্ষা দেয়।’ কিন্তু এরা জানেনা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক



নিদিষ্ট স্থানে কুরবানী করার কথা বলা হয়, কিন্তু যত্রতত্র পূজামণ্ডপ হয় কিভাবে?


এদেশের মূল জনগোষ্ঠী হলো মুসলমান। ১.৫ ভাগেরও কম হলো বিধর্মী। অথচ এই গুটিকতক পূজারীদের পূজার সময় দেশের কোটিকোটি মুসলমানগণ অত্যন্ত কষ্ট পেয়ে থাকেন। সারাদেশে যে হারে মুসলমান জনগণের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা না বাড়লেও তাদের পূজাম-পের সংখ্যা বেড়েই চলছে।



অবিলম্বে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস তো অবশ্যই বরং সর্বসময়ের জন্য ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে সব সময়ের জন্য হারাম খেলাধুলা


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হারাম।’ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই হারাম। কেননা বিশ্বকাপ ফুটবল ও ক্রিকেট এবং এ জাতীয় সমস্ত খেলাধুলার উদ্ভাবক হচ্ছে কাফির-মুশরিকরা। নাউযুবিল্লাহ! তাই মুসলমানদের



মহান আল্লাহ পাক উনার শুকরিয়া আদায় করতে পারা একটি বিশেষ নিয়ামত


শুকরিয়া আদায় অনেক রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ফরয অর্থাৎ ফরয কাজগুলো সম্পাদন করা এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করা। এমনটি করা অত্যাবশ্যক এবং শুকরিয়া আদায়ের জন্য এমনটি করাই যথেষ্ট। আবার শুকরিয়া হলো পাপ কাজ পরিত্যাগ করা। শুকরিয়া হলো কোনো নিয়ামত ব্যবহার



একদিকে গ্যাস সঙ্কটের মিথ্যা অজুহাতে মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে দেশের গ্যাস ব্লকগুলো তুলে দেয়া হচ্ছে বিদেশীদের হাতে?


একদিকে দেশের গ্যাস-সঙ্কটের কথা বলা হচ্ছে; অন্যদিকে সেই সঙ্কট সমাধানের ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো রফতানীর সুযোগ রেখে বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। ব্লু ইকোনমির আড়ালে, সীমানা নিষ্পত্তির সুযোগে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র সম্পদে বিদেশীদের কর্তৃত্ব কায়েম করার পথে সরকার অগ্রসর হচ্ছে।



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাত মাঝে হাযির-নাযির; এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ উনার ৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- انا ارسلناك شاهدا অর্থ: ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ জানা আবশ্যক, যিনি সাক্ষ্য



পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শাহাদাত মুবারক উনার পরে দুনিয়ায় যে


হযরত উলামায়ে কিরামগণ লিখেছেন যে, “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার সময় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়েছিল, আসমান ঘোর অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, ফলে দিনের বেলা তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর আসমান কালো থেকে লাল



খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পর্দা ও সুন্নত পালনের দৃঢ়তা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু



পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করার ছহীহ তরীক্বা বা নিয়ম


পবিত্র কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর পবিত্র কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, গলাতে চারটি রগ রয়েছে, তন্মধ্যে গলার সম্মুখভাগে