মিনার -blog


...


 


চাঁদ দেখার গুরুত্ব ও তাৎপর্য


يَسْئَلُوْنَكَ عَنِ الْاَهِلَّـةِ ۖ قُلْ هِـىَ مَوَاقِيْتُ لِلنَّاسِ وَالْـحَـجِ ۗ অর্থ : “ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার নিকট মানুষেরা চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে, আপনি জানিয়ে দিন, এটা হচ্ছে মানুষের জন্য ইবাদত উনার সময় নির্ধারক এবং সম্মানিত হজ্জ উনার সময়



সউদী ওহাবী ইহুদী মুনাফিক্ব সরকার এবং তার সাঙ্গপাঙ্গদের ধ্বংস অতি সন্নিকটে


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ﺃَلدُّعَاءُ سِلَاحُ الْمُؤْمِنِ. অর্থ: “হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাস্সাম,



‘নির্যাতিত’ সেজে অভিনয় করাটা সংখ্যালঘু বিধর্মীদের প্রধান অস্ত্র


এদেশের অধিকাংশ আইনজীবীদের মতে, ‘নারী নির্যাতন আইন’ নামে যে আইনটি রয়েছে এদেশে, তার ব্যবহারের চেয়ে অপব্যবহার বেশি। যেহেতু এই আইনটিতে সাক্ষী কিংবা প্রমাণের তোয়াক্কা না করেই কেবল কথিত ‘ভিকটিমে’র দাবির উপর ভিত্তি করে রায় দেয়া হয়, সেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিরুদ্ধপক্ষের



ইতিহাস পর্যালোচনা: আপনি কি কথিত ভদ্রলোক, না কি মুসলমান?


ভারতবর্ষে সিপাহী বিদ্রোহের পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানগণ, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানগণ উনাদের উপর দমননীতি গ্রহণ করে। তারা সম্ভ্রান্ত মুসলমানগণ উনাদেরকে সমস্ত সরকারি উচ্চপদ থেকে বরখাস্ত করে সেখানে হিন্দুদের নিয়োগ দেয়, কারণ সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে বাঙালি হিন্দুরা ছিল ব্রিটিশদের একনিষ্ঠ অনুগত



ইসলামের দৃষ্টিতে ক্রিকেটসহ যাবতীয় খেলাধুলা হারাম


আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্টভাষায় ইরশাদ করেছেন, “আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোনো কিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি, আমি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছি; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।” (সূরা দুখান : আয়াত শরীফ ৩৮, ৩৯) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ



সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করার প্রতিদানসমূহ


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম



ভারতবর্ষে বিধবাবিবাহের প্রচলন করেছেন মুসলমানগণ; ব্রিটিশ দালাল ঈশ্বরচন্দ্র নয়


আমরা জানি যে, হিন্দুদের মধ্যে বিধবাদের বিয়ে দেয়া নিষিদ্ধ। ব্রিটিশআমলের শুরুর দিকে এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিন্দু সমাজের অনুকরণে ভারতবর্ষের মুসলিম সমাজেও বিধবাদের বিয়ে না দেয়ার অপরীতি প্রচলিত হয়েছিল। তখন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজে বিধবাবিবাহ করে এই হিন্দুয়ানী



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরযে আইন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন



যারা স্বেচ্ছায় বেপর্দা হয়, তারা ইবলিসের ক্বায়িম-মাক্বাম বা উত্তরসূরি 


সর্বপ্রথম লা’নত বা অভিসম্পাত দেয়া হয়েছিল ইবলিসকে। সে সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা দেয়নি। সিজদা করার মুবারক নির্দেশ ছিল খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার। ইবলিস যখন সিজদা করার বিষয়টি অস্বীকার করলো, তখন মহান আল্লাহ পাক



ইতিহাস থেকে প্রমাণ- যে আমল মুবারক কখনো কোনভাবেই নষ্ট হয়নি এবং হয়না 


মুঘল শাসক আকবরের নাম শুনেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তার সময়কার এক ক্ষমতাধর দুনিয়াদার গুমরাহ বাদশাহ। মূলত, মুঘল বাদশাহদের দাপট তৎকালীন দুনিয়ায় এতই প্রবল ছিল যে অন্যান্য রাজা-বাদশাহরা সবসময় ভয়ে তটস্থ থাকতো- কখন না জানি মুঘলদের রোষানলে পড়ে ক্ষমতাহীন হতে



পার্বত্য চট্টগ্রামকে ছিনিয়ে নেয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর উপজাতিগোষ্ঠী


১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” নামীয় অশান্তির বীজ বপন করে। সরকারের পক্ষে তখন চীফ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির পক্ষে লারমা এই প্রহসনমূলক চুক্তিরতে স্বাক্ষর করে। তারই রেশ ধরে



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার মুবারক ছায়া ছিল না


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেমেছাল খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হাদিয়া করেছেন তন্মধ্যে একখানা বিশেষ খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হচ্ছে উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার