মিনার -blog


...


 


সাকরাইন পূজা: হিন্দুয়ানী অপসংস্কৃতির স্লো পয়জনিং


সাকরাইন উৎসব, মূলত পৌষসংক্রান্তি, ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত, বাংলাদেশে শীত মৌসুমের বাৎসরিক উদযাপন, ঘুড়ি উড়িয়ে পালন করা হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ ও মাঘ মাসের সন্ধিক্ষণে, পৌষ মাসের শেষদিন সারা ভারতবর্ষে সংক্রান্তি হিসাবে উদযাপিত হয়। #মকর



আজ সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। সুবহানাল্লাহ! আর যে তা হতে



মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ উনাদেরকে মুহব্বত করার প্রতিদানসমূহ 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম



যাবতীয় বালা-মুছিবত থেকে উদ্ধার পেতে প্রতিটি ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অপরিহার্য 


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি দশম হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বাল্যবিবাহের স্পষ্ট দলীল


পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ অর্থ: “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের



মোছ রাখার ব্যাপারে শরয়ী বিধান 


মোছ বা গোফ ছোট ছোট করে ভ্রুর ন্যায় রাখতে হবে। মোছ অধিক লম্বা রাখা যেরূপ নাজায়িয তদ্রুপ সম্পূর্ণ চেছে ফেলাও নাজায়িয। গ্রহণযোগ্য মতে মোছ চেছে ফেলা বা মু-ন করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ, কারো কারো মতে হারাম। হযরত যায়িদ ইবনে



বাংলার বুকে নতুন ইসরাইল সৃষ্টির পাঁয়তারা। আলাদা জুম্মল্যান্ড বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র। তৈরি করছে আলাদা মানচিত্র ও নিজস্ব মুদ্রা।


পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ব্রিটিশ হিল ম্যানুয়েল এ্যাক্ট-১৯০০ কিংবা উপজাতিদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের ধুয়া তুলে কতিপয় রামপন্থী ও বামপন্থী নেতা এবং তাদের বিদেশী ত্রাতারা আবারো পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে নতুনভাবে তাঁতিয়ে তুলছে। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তান-ভারত বিভক্তির পর পার্বত্য চট্টগ্রাম তৎকালীন



সম্মানিত সুন্নত পালনকারী উনাদেরকে ৪ টি বিশেষ গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয় 


যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বাবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ মুবারক করার আদেশ মুবারক করেছেন। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ মুবারক করার



১৫’শ ঈসায়ী সালেও এই উপমহাদেশে জাতীয়ভাবে জাঁকজমকভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হতো।


বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর সময় এই আমল এত ব্যাপকভাবে পালন হতো যে বাদশা মালেক মুজাফর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার চাইতেও বেশি রাজকীয়ভাবে সেটাই মনে হয়। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত “বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস” বইয়ের ২য় খন্ডে ১৯৭ পৃষ্ঠায় তাকালে আমরা



বিশ্বের সবচাইতে বড় মূর্তি বানিয়ে কুফরীতে রেকর্ড করলো ওহাবী সউদী সরকার


সত্যিই এমন কোনো সংবাদ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মিডিয়াতে আসা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও লজ্জাজনক। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এমনটি দাবি করে সউদী শিক্ষা বিভাগ হতে একটি আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছে- গিনেজ বুক কর্তৃপক্ষের নিকট। সেখানে তারা বলেছে, সউদী আরবের ৮৬তম



ইয়াযীদ সম্পর্কে শরয়ী ফায়সালা


কোনো কোনো উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মতে, ইয়াযীদ চরম ফাসিক। তবে খাছ ফতওয়া মতে, ইয়াযীদ কাট্টা কাফির। কারণ তার নির্দেশেই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফগণ উনাদেরকে শহীদ করা



‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটি নিজেই কোনো সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িকতায় দূষিত


কলকাতার সংসদ বাঙ্গালা অভিধানে ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটির অর্থ লিখেছে, “পরম্পরা প্রাপ্ত; সম্প্রদায় সম্বন্ধীয়, বিভিন্ন সম্প্রদায়গত বা দল গঠিত; সম্প্রদায়গত ভেদবুদ্ধিসম্পন্ন। বস্তুত, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব বিধি-বিধান আছে, নিজস্ব কিছু সংস্কৃতি-ঐতিহ্য আছে। প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্ম পালনে, নিজ নিজ ধর্মের প্রচার প্রসারে কাজ