মিনার -blog


...


 


হাসপাতালে নারীর নিরাপত্তা এবং শরয়ী পর্দাভিত্তিক আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা


সম্প্রতি রাজধানীর একটি হাসপাতালে এক নারী রোগীর শ্লীলতাহানীর খবর ফাঁস হয়েছে। অপারেশনের পর রোগীকে অজ্ঞান অবস্থায় পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে হস্ত সঞ্চালন করে ওই হাসপাতালের এক স্টাফ নার্স। স্পর্শকাতর জায়গায় অনুভূতি পেয়ে জ্ঞান ফিরে আসার পর রোগী দেখতে পান তার দেহে এক



কথিত লকডাউন এবং এক বেকুব শাসকের সাদৃশ্যতা


আগেকার যুগে কোন কোন দেশের শহরগুলোর প্রবেশপথে গেট ও দরজা থাকতো। প্রয়োজনে তা বন্ধ করা হতো। এখনো হয়তো কোথাও সেটা থাকতে পারে। একবার এক বুযুর্গ ব্যক্তি তিনি উনার এলাকা থেকে অন্য দূরবর্তী কোন এক শহরে যাবেন। যথাসময়ে তিনি সেই শহরের উদ্দেশ্যে



নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়তসম্মত নয়


মাসয়ালাটি শুনে নতুন মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্য ও সঠিক মাসয়ালা যে, নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়। কেবল যাকাত-ফিতরার ক্ষেত্রেই নয় অনেক মাসয়ালাই মানুষ মনগড়াভাবে এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে থাকে। যেমন বাজার থেকে



‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনার রাত্রি মুবারকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বনী কাল্বের মেষের গায়ে যত পশম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عن حضرت ام المؤمين الثالثة الصديقة عليها السلام قالت فقدت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فاذا هو بالبقيع فقال اكنت تخافين ان يحيف الله عليك ورسوله قلت يا رسول الله صلى



কথিত ছোঁয়াচে রোগ ও ঈমানী পরীক্ষা


অসংখ্য বিশুদ্ধ ও মশহুর হাদীছ শরীফ উনার মাঝে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- لَا عَدْوٰى ‘ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই।’ কিন্তু এই আখেরী যামানায় এসে আজ দেখতে হচ্ছে- বিশ্বের কথিত ডাক্তার-বিজ্ঞানীরা আজ করোনা



সুমহান বরকতময় ৫ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় ৫ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ



সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস উনার বিভিন্ন নামকরণ এবং তাৎপর্য


সম্মানিত ও পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার আরেকটি নাম মুবারক হচ্ছেন ‘আছম’ তথা বধির: কিতাবে বর্ণিত আছে- وَاِسْمُه اَيْضًا اَلْاَصَمُّ لِاَنَّ الْحُرُوْبَ تُرْفَعُ فِيْهِ فَلَايَسْمَعُ فِيْهِ لِلسِّلَاحِ قَعْقَعَةٌ অর্থ: “ইহা তথা সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল হারাম’ শরীফ মাস উনার আরেক



সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম



দিল্লীতে মুসলিম নিধনের পর ফেসবুকে একটা লেখা দেখা যাচ্ছে,


যেখানে বলা হচ্ছে- বিদায় হজ্জের ভাষণে নাকি মহানবী বলছেন- হিন্দুদের মন্দির রক্ষা করতে। কিন্তু আমি বিদায় হজ্জের ভাষণের বিভিন্ন লিঙ্ক ঘেটে এমন কোন কথা পাইলাম না। তবে আরেকটু ঘেটে যেইটা পাইলাম, বিদায় হজ্জের দিন কোরআনের একটা আয়াত নাজিল হইছিলো, সেটা ছিলো



সরকারকে মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে মুনকার-নাকীরের সুওয়াল জাওয়াবেরও ব্যবস্থা করতে হবে


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। অথচ এখানে হারাম গান-বাজনা, ভারতীয় টিভি চ্যানেল, ছবি, খেলাধুলা, বেহায়া-বেপর্দায় সয়লাব। নাউযুবিল্লাহ! এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান দুনিয়াতে শুধু শান্তি চায় না। ইন্তেকালের পরও শান্তি চায়। কিন্তু ইন্তেকালের পরে কি করে শান্তি পাবে? উক্ত সব হারাম কাজ



পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নতুন কোনো বিষয় নয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে অনুসরণ করবে সে বিরাট সফলতা লাভ করবে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে



পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং পরকালে