মিনার -blog


...


 


ভারতবর্ষে বিধবাবিবাহের প্রচলন করেছেন মুসলমানগণ; ব্রিটিশ দালাল ঈশ্বরচন্দ্র নয়


আমরা জানি যে, হিন্দুদের মধ্যে বিধবাদের বিয়ে দেয়া নিষিদ্ধ। ব্রিটিশআমলের শুরুর দিকে এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিন্দু সমাজের অনুকরণে ভারতবর্ষের মুসলিম সমাজেও বিধবাদের বিয়ে না দেয়ার অপরীতি প্রচলিত হয়েছিল। তখন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজে বিধবাবিবাহ করে এই হিন্দুয়ানী



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরযে আইন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন



যারা স্বেচ্ছায় বেপর্দা হয়, তারা ইবলিসের ক্বায়িম-মাক্বাম বা উত্তরসূরি 


সর্বপ্রথম লা’নত বা অভিসম্পাত দেয়া হয়েছিল ইবলিসকে। সে সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা দেয়নি। সিজদা করার মুবারক নির্দেশ ছিল খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার। ইবলিস যখন সিজদা করার বিষয়টি অস্বীকার করলো, তখন মহান আল্লাহ পাক



ইতিহাস থেকে প্রমাণ- যে আমল মুবারক কখনো কোনভাবেই নষ্ট হয়নি এবং হয়না 


মুঘল শাসক আকবরের নাম শুনেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তার সময়কার এক ক্ষমতাধর দুনিয়াদার গুমরাহ বাদশাহ। মূলত, মুঘল বাদশাহদের দাপট তৎকালীন দুনিয়ায় এতই প্রবল ছিল যে অন্যান্য রাজা-বাদশাহরা সবসময় ভয়ে তটস্থ থাকতো- কখন না জানি মুঘলদের রোষানলে পড়ে ক্ষমতাহীন হতে



পার্বত্য চট্টগ্রামকে ছিনিয়ে নেয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর উপজাতিগোষ্ঠী


১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” নামীয় অশান্তির বীজ বপন করে। সরকারের পক্ষে তখন চীফ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির পক্ষে লারমা এই প্রহসনমূলক চুক্তিরতে স্বাক্ষর করে। তারই রেশ ধরে



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার মুবারক ছায়া ছিল না


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেমেছাল খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হাদিয়া করেছেন তন্মধ্যে একখানা বিশেষ খুছূছিয়াত ও ফযীলত মুবারক হচ্ছে উনার নূরানী জিসিম মুবারক উনার



সাকরাইন পূজা: হিন্দুয়ানী অপসংস্কৃতির স্লো পয়জনিং


সাকরাইন উৎসব, মূলত পৌষসংক্রান্তি, ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত, বাংলাদেশে শীত মৌসুমের বাৎসরিক উদযাপন, ঘুড়ি উড়িয়ে পালন করা হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ ও মাঘ মাসের সন্ধিক্ষণে, পৌষ মাসের শেষদিন সারা ভারতবর্ষে সংক্রান্তি হিসাবে উদযাপিত হয়। #মকর



আজ সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। সুবহানাল্লাহ! আর যে তা হতে



মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ উনাদেরকে মুহব্বত করার প্রতিদানসমূহ 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম



যাবতীয় বালা-মুছিবত থেকে উদ্ধার পেতে প্রতিটি ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অপরিহার্য 


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি দশম হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বাল্যবিবাহের স্পষ্ট দলীল


পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ অর্থ: “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের



মোছ রাখার ব্যাপারে শরয়ী বিধান 


মোছ বা গোফ ছোট ছোট করে ভ্রুর ন্যায় রাখতে হবে। মোছ অধিক লম্বা রাখা যেরূপ নাজায়িয তদ্রুপ সম্পূর্ণ চেছে ফেলাও নাজায়িয। গ্রহণযোগ্য মতে মোছ চেছে ফেলা বা মু-ন করা মাকরূহ তাহরীমী ও বিদয়াতে সাইয়্যিয়াহ, কারো কারো মতে হারাম। হযরত যায়িদ ইবনে