পথের পথিক -blog


...


 


আবরাহার সমজাতীয়রাই মসজিদ ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র করে


কে না জানে, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ ভাঙ্গার জন্য এসেছিল আবরাহা নামের ব্যক্তিটি যে ছিল আবিসিনিয়ার শাসকের প্রতিনিধি। আবিসিনিয়ার শাসকের অনুমতিক্রমে সে ইয়েমেনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়। সে লক্ষ্য করলো, হজ্জের সময় লক্ষ লক্ষ লোক প্রচুর মাল-সম্পদ



খনিজ সম্পদের ইজারা বিদেশীদের নিকট দেয়ার প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অবারিত রহমতের ধনভাণ্ডার বিরাজ করছে আমাদের এই সোনার বাংলায়। বিশেষ করে খনিজ সম্পদের মজুদ এখানে ব্যাপক। এসব খনিজ সম্পদগুলো যথাযথ পদ্ধতিতে উত্তোলন করে দেশের জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানী করা যায়। সরকারি-বেসরকারি অনেক



হিন্দুদের পূর্বপুরুষরাও একসময় মুসলমান ছিলো


কিছু অজ্ঞ মূর্খ আছে যারা বলে মুসলমানরা আগে অন্য ধর্মের ছিলো। এসব যবন মূর্খের বক্তব্যের জবাবে বলতে হয়- মুসলমানগণ নয়, বরং হিন্দুরাই কোনো একসময় মুসলমান ছিলো। পরবর্তীতে তারা মুসলিম জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উপজাতিদের মতো পৃথক হয়ে মনগড়া ধর্ম পালন শুরু



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যারা মানহানী করবে, তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তারা নামধারী মুসলমান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক এক কথায় উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত



সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা



রাস্তা-ঘাট হতে অশ্লীল পোস্টার বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হোক


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধিবাসীর একটি দেশ। এদেশের রাজধানী ঢাকা সারা বিশ্বে মসজিদের শহর বলে পরিচিত। এদেশের রাষ্ট্রীয় দ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। অথচ এদেশেরই রাজধানী ঢাকা হতে শুরু করে প্রত্যেকটি শহর বন্দরের রাস্তা-ঘাট পথে প্রান্তরে, বাসা-বাড়ির ছাদে দেয়ালে এমনকি মসজিদ



‘অছাম্প্রদায়িক’ চেতনা ধারণের কারণেই একদা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ছা-ছমুছা-ছপের কারখানাতে পরিণত হয়েছে


“এক কাপ ছা, একটা ছমুছা, আর একটা ছপ, মাত্র দশ টাকায় এই তিনটা জিনিস পাওয়া যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে।” প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হওয়ার পর যখন তাতে ঢাবি, বুয়েট কিংবা বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটিকেই প্রথম ১০০০ এর তালিকায় খুঁজে



গান-বাজনা হারাম; যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে স্পষ্ট করেই বলে দেয়া হয়েছে


পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিধান মুবারক দ্বারা গান বাজনা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে لَـهْوَ الْـحَدِيْثِ “লাহওয়াল হাদীছ” উনার দ্বারা গান বাজনাকেই বুঝানো হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِىْ



২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ উদযাপন ব্যতিত ফাল্ইয়াফ্রাহূ তথা খুশি মুবারক প্রকাশ করা সম্ভব নয়


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন সমস্ত মাখলুকাতের জন্য, সমস্ত কায়িনাতের জন্য রহমত মুবারক। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً



শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু



মাহে রবীউছ ছানী শরীফ বিশেষ দিবসসমূহ


৩ রবীউছ ছানী: বিনতু রসূল হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ। ৫ রবীউছ ছানী: সাইয়্যিদুনা ইমাম ইবনে যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ। ১১ রবীউছ ছানী: পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ। ১২ রবীউছ ছানী:



কয়েকটি খাদ্য উপাদানের হালাল-হারাম পরিচিতি


কোনো মুসলিম দেশ থেকে কোনো খাবার ইম্পোর্ট হয়ে আসলেই তা হালাল নয়। কারণ বিভিন্ন কাফিরের দেশ থেকে বিভিন্ন মুসলিম দেশে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান যাচ্ছে, যেগুলো ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় না। ফলে খাবারের উপাদানগুলো সম্পর্কে কিছুটা হলেও তথ্য থাকা প্রয়োজন যদিও সকলের