পথের পথিক -blog


...


 


যারা ‘আন্তর্জাতিক মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ উনার আমিল হবেন, প্রচার-প্রসার ও তৎসংশ্লিষ্ট কাজে শরীক থাকবেন উনারাই খাছ ‘খলীফা’


বর্তমান সমাজ ক্রমশঃ এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অপসংস্কৃতি জেঁকে বসেছে। ন্যায়-নীতি এখানে বিলুপ্ত প্রায়। যুলুম-অত্যাচার, গুম, হত্যা, লুণ্ঠন প্রভৃতি পাপাচারের বিষবাষ্পে জাতি দিশেহারা। এক্ষুণে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কোপানল থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে পবিত্র সুন্নত মুবারক



জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি নিয়ে অপপ্রচার ও গুজবে সতর্ক হোন বরং ঈমানদার-মুসলমানদের জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি ও হাঁচি, কাশি


জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি, কাশি হলেই করোনা নয়। জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, হাঁচি ও কাশি হওয়া খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عن حضرت أَبِىْ عَسِيبٍ رضى الله تعالى عنه مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ



সম্মানিত জিহাদ উনার ফযীলত: কাফিররা যতই মাল-সম্পদ খরচ করুক না কেন, তারা মুসলমানদের নিকট পরাস্ত ও পরাজিত হবেই হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ. অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে



কথিত বাল্যবিবাহ মুক্ত এলাকা ঘোষণা করার অন্তরালের রহস্য!


ইদানীং পত্র-পত্রিকা-মিডিয়াতে একটি সংবাদ হাইলাইট করে প্রচার করা হয়। সেটা হলো- আজ অমুক জেলা, কাল অমুক উপজেলা কিংবা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম বিষয়ে জাহিল প্রশাসন এবং বিদেশী বিজাতি এনজিও গং খুব তৎপরতার সাথে জেলা, উপজেলা,



তায়াল্লুক-নিসবত, মুহব্বত-নৈকট্য পাওয়ার বিশেষ আমল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَاللَّهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَن يَّشَاءُ ۚ অর্থ:- “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনাকে খাছ রহমত দান করেন।” তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, ذٰلِكَ فَضْلُ اللهِ يُـؤْتِيْهِ مَنْ يَّشَاءُ ۚ ০ অর্থ:- “উহা মহান



আবরাহার সমজাতীয়রাই মসজিদ ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র করে


কে না জানে, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর পবিত্র কা’বা শরীফ ভাঙ্গার জন্য এসেছিল আবরাহা নামের ব্যক্তিটি যে ছিল আবিসিনিয়ার শাসকের প্রতিনিধি। আবিসিনিয়ার শাসকের অনুমতিক্রমে সে ইয়েমেনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হয়। সে লক্ষ্য করলো, হজ্জের সময় লক্ষ লক্ষ লোক প্রচুর মাল-সম্পদ



খনিজ সম্পদের ইজারা বিদেশীদের নিকট দেয়ার প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অবারিত রহমতের ধনভাণ্ডার বিরাজ করছে আমাদের এই সোনার বাংলায়। বিশেষ করে খনিজ সম্পদের মজুদ এখানে ব্যাপক। এসব খনিজ সম্পদগুলো যথাযথ পদ্ধতিতে উত্তোলন করে দেশের জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানী করা যায়। সরকারি-বেসরকারি অনেক



হিন্দুদের পূর্বপুরুষরাও একসময় মুসলমান ছিলো


কিছু অজ্ঞ মূর্খ আছে যারা বলে মুসলমানরা আগে অন্য ধর্মের ছিলো। এসব যবন মূর্খের বক্তব্যের জবাবে বলতে হয়- মুসলমানগণ নয়, বরং হিন্দুরাই কোনো একসময় মুসলমান ছিলো। পরবর্তীতে তারা মুসলিম জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উপজাতিদের মতো পৃথক হয়ে মনগড়া ধর্ম পালন শুরু



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যারা মানহানী করবে, তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তারা নামধারী মুসলমান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক এক কথায় উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত



সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা



রাস্তা-ঘাট হতে অশ্লীল পোস্টার বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হোক


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধিবাসীর একটি দেশ। এদেশের রাজধানী ঢাকা সারা বিশ্বে মসজিদের শহর বলে পরিচিত। এদেশের রাষ্ট্রীয় দ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। অথচ এদেশেরই রাজধানী ঢাকা হতে শুরু করে প্রত্যেকটি শহর বন্দরের রাস্তা-ঘাট পথে প্রান্তরে, বাসা-বাড়ির ছাদে দেয়ালে এমনকি মসজিদ



‘অছাম্প্রদায়িক’ চেতনা ধারণের কারণেই একদা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ছা-ছমুছা-ছপের কারখানাতে পরিণত হয়েছে


“এক কাপ ছা, একটা ছমুছা, আর একটা ছপ, মাত্র দশ টাকায় এই তিনটা জিনিস পাওয়া যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে।” প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হওয়ার পর যখন তাতে ঢাবি, বুয়েট কিংবা বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটিকেই প্রথম ১০০০ এর তালিকায় খুঁজে