পথের পথিক -blog


...


 


ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত পবিত্র


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আখাছছুল খাছ মনোনীত ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ



দেওবন্দীদের কুফরী আক্বীদা


(১) মহান আল্লাহ পাক তিনি মিথ্যা বলতে পারেন। নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক! (রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া ১ম খন্ড: পৃষ্ঠা-১৯, রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাত রশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাঈদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা-৯৮, খলীল আহমদ আম্বেঢী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫,



ছবি নয়; ফিঙ্গারপ্রিন্ট চালু করতে হবে


পবিত্র বুখারী শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন ওই ব্যক্তির সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে, যে ছবি তোলে।” নাঊযুবিল্লাহ! অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ



হালাল-হারাম নিয়ে নানা কথা 


অনলাইনে অনেক লেখা পাওয়া যায় কিন্তু সব লেখা সত্য নয়। আবার অনেক তথ্যের অনেক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তাই আমরা চেষ্টা করবো এমন একটি ধারণা দিতে, যাতে আপনি নিজেই হালাল হারামের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারেন। প্রথমেই মনে রাখতে হবে- যা শূকরের চর্বি



“ডিগ্রিধারী মালানা আর নাজায়িয কাজের কারখানা”


প্রবাদে আছে- “সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শিয়রে পৌঁছে জ্ঞানার্জন করা যথেষ্ট নয়। আর অতিরিক্ত জ্ঞান ব্যতিত কেউ সুশিক্ষিত হতে পারে না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “ইলম অনুযায়ী আমল করো”। বর্তমান দেশে যে, ডিক্রিধারী মালানাদের আবির্ভাব ঘটেছে,



শরীয়ত উনার বিরোধিতা করে আধুনিক সাজতে গিয়ে অবৈধ সন্তানের বাবা হতে হলো!!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি সবচাইতে বড়। কোনো সৃষ্টি জীবকে সন্তুষ্ট করার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারকের খিলাফ করা জায়িয নেই। বরং তা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িয। বেশ কিছুদিন আগে একটা ঘটনা ঘটলো, যা থেকে মুসলমানগণ



বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাস ও কূটনীতিকদের প্রসঙ্গে


সাম্প্রতিককালে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারাসহ একাধিক দেশের কূটনীতিকদের অপতৎপরতা তারা নানান ছুতানাতা দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে চু-চেরা এমনকি মুসলমানদের ধর্মীয় নানাবিধ বিষয় নিয়ে নানা প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন সেমিনার, বৈঠক করে



হিন্দু শব্দের মধ্যেই রয়ে গেছে হিন্দুদের নাপাকীর পরিচয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মুশরিক হিন্দুদের সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিক তথা হিন্দুরা নাপাক।” আর এই মুশরিক তথা হিন্দুদের অপবিত্রতা ও বদচরিত্রের কথা সবযুগেই সবসময়েই বিদ্যমান ছিলো। তাদের এই বদচরিত্রের কথা পূর্বের



ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিকদের শেকড় খোদ সরকার ও প্রশাসনের মধ্যেই; সরকারের জন্য ফরয এদেরকে চিহ্নিত করে শরঈ শাস্তি দেয়া। অন্যথায়


সম্প্রতি দেশে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বিদেশী এজেন্ট গণমাধ্যম আর কিছু গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থার উপর ভর করে এসব অবাঞ্চিত মহল ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে নাস্তিক্যবাদ, সমকামিতা, নারী স্বাধীনতা আর প্রগতিশীলতার নামে বেপরোয়াভাবে ইসলামবিদ্বেষমূলক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এরা



স্বনির্ভর বাংলাদেশের উপরই নির্ভর করে বেঁচে থাকে ফকির ভারত: আজ্ঞাবহ সরকারের কারণেই ভারত নিম্নমানের পণ্য রপ্তানি করে এদেশের মানসম্পন্ন


ভারত বাংলাদেশের উপর নির্ভরশীল বলেই জোর খাটিয়ে ও নানান কৌশলে আমাদের সাথে বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারতের অনুকূলে কাজ করে কিছু আজ্ঞাবহ এজেন্ট (দালাল), কিছু অতিলোভী প্রশাসনিক কর্মকর্তা কিংবা সরকারি কোনো আমলা। ফলস্বরূপ দেখা যায়, সরকারের তরফ থেকে বহুবার বাংলাদেশকে স্বনির্ভর



মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া মুতাবিক অবশ্যই উলামায়ে সূ’ অর্থাৎ দুনিয়াদার মালানারাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার


বর্তমানে উলামায়ে সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার কোশেশ করে থাকে এবং মুসলমানগণ উনাদেরকে বিভ্রান্ত করার কোশেশ করে থাকে। মুসলমানগণ উনাদের সমস্ত ইবাদত-বন্দেগীকে নষ্ট করতে চায়। এবং কামিলে-মুকাম্মিল ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকট বাইয়াত হতে বাধা দেয়। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক