পথের পথিক -blog


...


 


স্বনির্ভর বাংলাদেশের উপরই নির্ভর করে বেঁচে থাকে ফকির ভারত: আজ্ঞাবহ সরকারের কারণেই ভারত নিম্নমানের পণ্য রপ্তানি করে এদেশের মানসম্পন্ন


ভারত বাংলাদেশের উপর নির্ভরশীল বলেই জোর খাটিয়ে ও নানান কৌশলে আমাদের সাথে বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারতের অনুকূলে কাজ করে কিছু আজ্ঞাবহ এজেন্ট (দালাল), কিছু অতিলোভী প্রশাসনিক কর্মকর্তা কিংবা সরকারি কোনো আমলা। ফলস্বরূপ দেখা যায়, সরকারের তরফ থেকে বহুবার বাংলাদেশকে স্বনির্ভর



মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া মুতাবিক অবশ্যই উলামায়ে সূ’ অর্থাৎ দুনিয়াদার মালানারাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার


বর্তমানে উলামায়ে সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার কোশেশ করে থাকে এবং মুসলমানগণ উনাদেরকে বিভ্রান্ত করার কোশেশ করে থাকে। মুসলমানগণ উনাদের সমস্ত ইবাদত-বন্দেগীকে নষ্ট করতে চায়। এবং কামিলে-মুকাম্মিল ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকট বাইয়াত হতে বাধা দেয়। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



মাত্র ২শ’ টাকার জন্য বোমা মারা! দেশের লোক এরূপ নির্মম হয় কী করে? বিরেধীদলীয় নীতিভ্রষ্টতার জন্যও প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসন তথা


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “মানুষ পুড়িয়ে মারা কোনো আন্দোলন হতে পারে না।” পোড়ানোর বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা গত কয়েকদিনে ধারাবাহিকভাবে আরো বিশেষ বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “যারা পেট্রোলবোমা মেরে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার মতো অমানবিক কাজ করে তারা দেশ, মানবতা ও জনগণের শত্রু।



ফ্রান্সের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ বর্তমানে মুসলিম, যা দ্রুত বর্ধনশীল


২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ইসরাইল ন্যাশনাল নিউজে একটি নিবন্ধ ছাপা হয়। নিবন্ধটির শিরোনাম ছিলো: Catholic France, Adieu; Welcome, Islam| বঙ্গানুবাদ করলে এর অর্থ দাঁড়ায়: ‘ক্যাথলিক ফ্রান্স বিদায়, স্বাগতম ইসলাম’। প্রবন্ধটির সাবহেডিং ছিলো: Minarets instead of church towers, mueyyins instead of churchbells.



বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড মুসলমানগণ উনাদের অবদান; কোনো হিন্দুর নয়!


বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড মুসলমানগণ উনারাই আবাদ করেছেন। পৃথিবীর বুকে এক সমৃদ্ধ মানচিত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন; কিন্তু কোনো হিন্দু কখনই বাংলার ভালো চায়নি। হিন্দুরা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত দেশ হিসাবে গড়া তো দূরে থাক; কিভাবে এই দেশের স্বাধীন সত্ত্বাকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা



ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল, নিবরাসাতুল উমাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহযাদী ছানী ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম তিনি সমগ্র বিশ্বের নারী জাতির


কালের প্রবাহে আবার ফিরে এসেছে সম্মানিত ১৯ রবীউছ ছানী শরীফ। সম্মানিত এদিনেই ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুন্ নিসা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মু আবীহা, হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, লখতে জিগারে সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, লখতে জিগারে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম



সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই যবন, ম্লেচ্ছ, আশাদ্দুদ্ দরজার জাহিল, মালউনদের কথিত নেতারা এমন মহা মিথ্যাচার করতে পেরেছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সকলেই সাবধান হয়ে যাও! নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদীর উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।’ কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী, আশাদ্দুদ্ দরজার জাহিল, মালউনদের কথিত নেতাদের বক্তব্য ইতিহাসের সবচেয়ে চরম মিথ্যা। কারণ তারা বলছে, ‘বাংলাদেশীরা ভারতীয়দের জীবিকা দ্বারা জীবন-যাপন করে।’



সাইনআউটের পরও ডেটা নেবে ফেইসবুক


লগ আউট করার পরও ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীর সব কর্মকা- সম্পর্কে ডেটা সংগ্রহ করবে ফেইসবুক। শীর্ষ সোশাল মিডিয়াটির নতুন এই প্রাইভেসি পলিসিতে ব্যবহারকারীরা ‘সাইন আপ’ করছেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেট জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থেকে ডেটা সংগ্রহের পাশাপাশি এখন সাইট থেকে লগ-আউটের



কারণ, হরতাল-অবরোধের ফলে যমীনে ফিৎনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়;যার প্রত্যেকটাই কাট্টা হারাম ও কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করোনা।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়কে অনুসরণ করবে; সে তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার



যে জাতি যেমন আমল করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই জাতির উপর ওই রকম শাসক নির্ধারিত হয়


শুধু ক্ষমতাসীন দলই নয় গণতন্ত্র অনুযায়ী বিরোধী দলসহ সব প্রভাবশালী দলও কার্যত শাসন ক্ষমতারই অংশীদার। জনগণ তাদের নিজেদের আমলের কারণেই জনবান্ধবহীন ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধীদল পায়। সব ফেৎনা থেকে উত্তরণে তওবা করতে হবে সবাইকে।প্রচলিত গণতন্ত্রে বিরোধী দলও শাসন ক্ষমতারই অংশ। বিরোধীদলীয়



এদেশে মূর্তিপূজারী হিন্দু মুশরিকদের পূজায় অংশগ্রহণের জন্য মুসলমানদেরকেও শিরকের মতো জঘন্য পাপ কাজের সমর্থনকারী হিসেবে খোদায়ী গযবে পড়তে হবে;


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেক কাজ ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য করো, পাপ ও শত্রুতার মধ্যে সাহায্য করো না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠোর শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা