পথের পথিক -blog


...


 


পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় শান নিয়ে লিখিত কয়েকটি বিখ্যাত কিতাবের নাম


ইদানীং সাইয়্যিদে ঈদে আকবর ওয়া ঈদে আ’যম পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার নাম শুনলে কিছু লোক বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার করে, কিতাবে নেই, পূর্বের কোনো আউলিয়াগণ করেননি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা মিথ্যা কথা



বাদশাহ আকবর কর্তৃক মুসলিম বালকদের খাতনা বন্ধ, মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরী এবং এগুলো প্রতিরোধে একাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত


আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. বুরহান আহমদ ফারুক্বীর রচিত `Mujaddid’s conception of Tawhid’ নামক ইংরেজি গ্রন্থের ১৯-২২ পৃষ্ঠায় যে বর্ণনা রয়েছে, তার বাংলা অনুবাদ নিম্নরূপ- “বাদশাহ আকবর আইন করে মদকে বৈধতা দান করলো এবং শূকরের গোশতকে মদের উপাদান হিসেবে গ্রহণ করলো। জিযিয়া



কাইয়্যুমে আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহে উমরী মুবারক


মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ করার কথা খোদ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে, উনার রসূল, নূরে



বাদশাহ আকবর কর্তৃক মুসলিম বালকদের খাতনা বন্ধ, মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরী এবং এগুলো প্রতিরোধে একাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত


একাদশ হিজরী শতাব্দীর সম্মানিত মুজাদ্দিদ হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ ফারুক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত বংশধর হওয়ার কারণে উনার নাম মুবারকে ‘ফারুক্বী’ লক্বব সংযুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তকে উনাকে



বে ক্বদর জিন্দেগী


বে ক্বদর জিন্দেগী কাটাই জাহানে ইয়া হাবীব করুন ইহসান অধমে দামানে আপনার আমায় ছুপান রাখুন আবাদুল আবাদ অনুপমে । ইজ্জত ও আবরু মুস্তফাহী মর্জি শান ও শওক্বত দস্তুরে আরজি ইয়া হাবীব ! আপনার দফতরে জানি এই আক্বীদাতেই জনম জনমে । রিযিক



জাকির নায়েক সহ সমজাতীয় গোষ্ঠীদের ইসলাম নিয়ে কথা বলার কোন অধিকার নেই


জাকির নায়েক ওরফে কাফির নায়েক হলো দাইয়্যুছ। দাইয়্যুছ কে? দাইয়্যুছের সংজ্ঞা কি? ”দাইয়্যুছ” হলো ওই ব্যক্তি যে নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থদেরকে পর্দা করায় না। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে , “ দাইয়্যূছ বেহেশতে প্রবেশ করবে না।” অর্থাৎ



এ পৃথিবী এমন সুনিপুনভাবে তৈরি এবং ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে, একটু ফিকির করলে দেখতে পাবেন


আপনার প্রিয় ফল কাঁঠাল কিন্তু বেশি খেতে পারেন না। বেশি খেলেই ঢেকুর, পেট খারাপ আরো যে কত কি। তরমুজেরও একই কাহিনী কি যে করি? ঘাবড়াবেন না। মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমান, রহীম। এ বিশ্বে সবকিছুই আপনার খিদমতের জন্য তৈরি করেছেন। প্রিয়



মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ২৬


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে



বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে লুটপাট করতেই যুক্তরাষ্ট্র ‘গণতন্ত্র শক্তিশালী’ করার নামে আন্দোলনের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে


গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ঈ. তারিখ সন্ত্রাসবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ পূর্ব-এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল বাংলাদেশ প্রধান দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে আলোচনার বিষয় প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, ‘গণতন্ত্র শক্তিশালী করার আহ্বান



“সহস্রাধিক কিতাব লিখলেই “মুজাদ্দিদ” হওয়া যায় না” আহমদ রেযা খানের “মুজাদ্দিদ” হওয়ার মিথ্যা দাবী খন্ডন —–> পর্ব-৩


উপমহাদেশের বাইরে যারা অধিক কিতাব লিখেননি তাদের মধ্যে প্রধানতঃ চার মাযহাবের চার ইমাম যেমন, ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর স্বহস্তে লিখিত কোন কিতাব নেই। অবশ্য কেউ কেউ বলেন, হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত “ফিক্বাহ্ আকবর ও মুসনাদে আবূ হানীফা” হাদীছ শরীফের কিতাবটি



সহস্রাধিক কিতাব লিখলেই “মুজাদ্দিদ” হওয়া যায় না” আহমদ রেযা খানের “মুজাদ্দিদ” হওয়ার মিথ্যা দাবী খন্ডন —–> পর্ব-২


মানুষের চেষ্টা বা কোশেশের একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে। ইচ্ছা করলে রিয়াজত-মুশাক্কত মুজাহিদা ও কঠোর পরিশ্রম করে মানুষ সে স্তরে পৌছতে পারে। কিন্তু এরপর শত ইচ্ছা থাকা সত্বেও একচুলও আর সামনে অগ্রসর হওয়ার যোগ্যতা তার মধ্যে থাকে না। এবং এখানেই ইনসানের কোশেশের



“সহস্রাধিক কিতাব লিখলেই “মুজাদ্দিদ” হওয়া যায় না” আহমদ রেযা খানের “মুজাদ্দিদ” হওয়ার মিথ্যা দাবী খন্ডন——-> পর্ব- ১


হাদীছ শরীফে উল্লেখ আছে যে, “আল্লাহ পাক প্রত্যেক হিজরী শতাব্দীর শুরুতে এই উম্মতের জন্য এরূপ লোক প্রেরণ করবেন, যিনি দ্বীনের সংস্কার করবেন।” এই হাদীছ শরীফের ব্যাখ্যায় নবম শতাব্দির মুজাদ্দিদ হযরত মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর “মিরকাত শরীফে” লিখেছেন, “মুজাদ্দিদ হওয়া