পথের পথিক -blog


...


 


আল্লাহপাক উনাকে নূর বলে রেজভী-রেযা খাঁ গোষ্ঠী শিরক করেছে এবং মুশরিক হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে


নূর শব্দ মুবারক কোরআন শরীফ ও হাদীস শরীফের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আল্লাহপাক উনার মুবারক শানে— الله نورا لسماوت والارض مثل نوره كمشكوة فيها مصباح المصباح فى زجاجة الزجاجة كانها كوكب درى يوقد من شجرة مباركة زيتونة لا شرقية



“আস সাফফাহ” লক্বব বা উপাধী ব্যবহার করা প্রসঙ্গে মিথ্যাবাদীদের জবাব


“আস সাফফাহ” মুবারক লক্ববের প্রায় ৩০ প্রকার অর্থ বিভিন্ন অভিধানে উল্লেখ আছে। মিথ্যা প্রোপাগান্ডাকারীরা উক্ত ৩০ প্রকারের অন্য অর্থগুলো উদ্দেশ্যে প্রোনদিত ভাবে আড়াল করে গেছে। কিন্তু সে আড়াল করলে কি হবে তার মিথ্যার মুখোশ উম্মোচন করার লক্ষ্যে ইনশাআল্লাহ এই লক্বব মুবারকের



ধর্মব্যবসায়ীদের মিথ্যা তোহমত ও বিকৃত উদ্দেশ্য সাধনের কুট চক্রান্তের সমুচিত জবাব। (দ্বিতীয় পর্ব)


=>ইসলামে আলাইহিস সালাম শুধু নবী ও রাসূল দ. গণকে বলা হয়। কোন সাহাবা রা. কেও আলাইহিস সালাম বলা হয় না। শিয়া মতবাদে বারোজন ইমামকে আলাইহিস সালাম বলা হলেও তারা ইতোমধ্যে চলে গেছেন। অভিযোগকারীর এ অভিযোগের জবাবে ঠান্ডা মাথায় বলছি যে, আলাইহিস



ধর্মব্যবসায়ীদের মিথ্যা তোহমত ও বিকৃত উদ্দেশ্য সাধনের কুট চক্রান্তের সমুচিত জবাব। (প্রথম পর্ব)


বদ ও বাতিল আক্বীদাপন্থীদের এক ভাড়াটের বিকৃত বক্তব্যের জবাব। নামক এক রেজাখানী অভিযোগকারীর অভিযোগ হলো- রাজারবাগীদের মানসিক সমস্যা আছে। রাজারবাগীরা কুরআন শরীফ মুতাবিক ফরজ পর্দা করার জন্য আপ্রান চেষ্টা করে- এটা কি মানসিক সমস্যা? রাজারবাগীরা হারাম ছবি তোলার ব্যাপারে পবিত্র হাদীস



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে ঈদ পালন করা বা খুশি


” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত খুশি প্রকাশ করা (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭-৫৮) ” এখানে মহান আল্লাহ পাক আদেশ দান করেছেন। ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবে উল্লেখ আছে যে,



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা আলাইহাস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান ও পবিত্রতা মুবারক


স্বয়ং যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে কায়িনাতবাসীকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, উনার মহাসম্মানিত ওয়ালিদাইন শরীফাইন আলাইহিমাস সালাম তথা উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান, মালিকুল জান্নাহ, আবু রসূলিল্লাহ



সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস


কুল-মাখলুক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম, সম্মানিত, নূরানী আহাল-ইয়াল, পরিবার-পরিজন উনারাই হচ্ছেন ‘আহলু বাইত’ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রথম সারির অন্তর্ভুক্ত



পারিবারিক জীবনের একটি মারাত্মক ভুল, যার সংশোধন নেই


পুত্রবধূর জন্য শ্বশুরের দৈহিক কোনো খিদমত করা উচিত নয়। তবে কাপড় ধোয়া, খানা-পিনার ব্যবস্থা করে দেয়া ইত্যাদি ধরনের দূরত্বসম্পন্ন কাজ করা যেতে পারে। কিন্তু শারীরিক কোনো খিদমত করা বা নেয়া কিছুতেই শুদ্ধ নয়। অন্যথায় এ ফিতনা-ফাসাদের যামানায় এমনও ঘটনা ঘটে যেতে



যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রুপ বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হলেন গওসুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদে রসূল,



উড়োজাহাজের আবিস্কারক কে? হিন্দুদের কল্পিত চরিত্র রাম, নাকি খ্রিষ্টানদের প্রচারিত রাইট ব্রাদার্স; নাকি আব্বাস ইবনে ফিরনাস?


ভারতের গুজরাটের সিলেবাসে হিন্দুদের কল্পিত চরিত্র ‘রাম’কে উড়োজাহাজের আবিষ্কারক বলে পাঠ দান করা হচ্ছে। বিষয়টি হাস্যকর তবে এর স্বপক্ষে যে যুক্তিটি তারা জুড়ে দিচ্ছে সেটা হলো- হিন্দুদের পুরানে নাকি শূন্যের উপর রথের কথা এসেছে। আর সেখান থেকেই নাকি উড়োজাহাজের আবিস্কার। এটাও



গান-বাজনা করার চূড়ান্ত পরিণাম নিকৃষ্ট আবাসস্থল জাহান্নাম


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেনে তা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে



সামরিক নীতির প্রতিবাদে আগুনে আত্মহত্যা


জাপানের সামরিক নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছে দেশটির এক নাগরিক। গতরাতে রাজধানী টোকিও’র ইম্পেরিয়াল প্যালেস ও পার্লামেন্টের অদূরবর্তী হিবিয়া পার্ক থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সংবাদকর্মীরা জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে। গায়ে আগুন