পরশ -blog


...


 


সংখ্যালঘুদের জন্য নতুন নতুন ছাত্রাবাস, আশ্রম তৈরির উদ্দেশ্য কি?


ভারতের উদ্যোগে বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ১) ঢাকার রমনা কালি মন্দিরের ভেতরে ৫ তলা গেস্ট হাউস। ২) সাভারের ইস্কন মন্দিরের ভেতরে বহুতল আশ্রম ভবন নির্মাণ। ৩) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতরে হোস্টেল নির্মাণ। ৪)



যেসব মালানা, মুফতী, মুফাসসির, মুহাদ্দিছ ও পীর দাবিদাররা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তারা নিঃসন্দেহে উলামায়ে ‘সূ’


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ফযল-করম মুবারক এবং মহাসম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



সন্তানকে কু-পথ থেকে বাঁচানোর জন্য ইসলামী শিক্ষার বিকল্প কিছুই হতে পারে না


সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান হলো মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার শিক্ষা। এই শিক্ষা নৈতিক চরিত্র ও মানুষ তৈরির শিক্ষা। ব্রিটিশ আমল হতেই সম্মানিত ইসলামী শিক্ষাকে পাঠ্যসূচি থেকে দূরে রাখা হয়। অতীতে বিভিন্নভাবে মুসলমানরা শিশুদের ইসলামী শিক্ষা দিতো। সন্তান সঠিক



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র কুরবানী উনার বিদ্বেষী মহলের এ ধরনের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত হয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক উনার উপর দৃঢ় থাকো আর গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না। ” ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারি ও বেসরকারি



প্রতি আরবী মাসের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ । আজ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



এক নজরে সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আহলু বাইতি রসূল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত


সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক



সংখ্যালঘুদের চেয়ে সংখ্যাগুরু মুসলিমরাই বেশি বঞ্চনার শিকার


স্বাভাবিক নিয়মেতো বটেই কথিত গণতান্ত্রিক নিয়মেও সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রাধান্য দেয়াই নিয়ম। সে হিসেবে বাংলাদেশের মুসলমানরাই দেশের সমস্ত ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে এটাই ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা কি সেটা প্রকাশ করে? না, বাস্তবতা কিন্তু তার বিপরীত। কারণ এখনো এদেশের কোটি কোটি মুসলমান



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা মহান আল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরন করেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া ১০৭) সমগ্র জগতে রহমত হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন,ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।



সারা বৎসরই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও আনহুন্না উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ও ছানা-ছিফত মুবারক বেশি বেশি বর্ণনা করা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত মুবারক সম্পর্কে তোমরা অবগত হও।’ সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও আনহুন্না উনারা পুরুষ হোন



যারা ‘প্রতিমা, ভাস্কর্য ও মূর্তি এক বিষয় নয়’ -বলে থাকে, তাদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে বিভ্রান্তিকর, গোমরাহী ও কুফরী


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আয়াত শরীফ এবং অনেক নির্ভরযোগ্য লুগাত বা অভিধান গ্রন্থের দ্বারা প্রমাণিত যে, প্রতিমা, ভাস্কর্য, মূর্তি, ম্যানিকিন, ছবি, প্রতিকৃতি, প্রতিচ্ছবি, প্রতিমূর্তি, পুতুল কারো দেহের ছবি, ইত্যাদি শব্দগুলো সমার্থবোধক বা একই অর্থপ্রকাশক অর্থাৎ একই জিনিসের ভিন্ন ভিন্ন নাম। যেমন,



হাজার কোটি টাকা দিয়ে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর বানিয়ে দেয়া হয় কিন্তু বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিম পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করা হয় না!


খেলাধূলার জন্য দেশের হাজার কোটি টাকা অপচয় করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। অথচ দেশের বিভিন্ন স্থানে বস্তিতে আগুনে নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারগুলোর সাহায্যার্থে দেখা যায় না এরকম টেকসই কোন উদ্যোগ, হয়না তাদের পুনর্বাসন। উল্লেখ্য, মাঝে মাঝে কিছু ছোটখাটো দুর্ঘটনায় সংখ্যালঘুদের কিছু



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ (যয়নাব বিনতে জাহাশ) আলাইহাস সালাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’ হাক্বীক্বতে পালন


ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন: ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত