পরশ -blog


...


 


হাজার কোটি টাকা দিয়ে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর বানিয়ে দেয়া হয় কিন্তু বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিম পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করা হয় না!


খেলাধূলার জন্য দেশের হাজার কোটি টাকা অপচয় করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। অথচ দেশের বিভিন্ন স্থানে বস্তিতে আগুনে নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারগুলোর সাহায্যার্থে দেখা যায় না এরকম টেকসই কোন উদ্যোগ, হয়না তাদের পুনর্বাসন। উল্লেখ্য, মাঝে মাঝে কিছু ছোটখাটো দুর্ঘটনায় সংখ্যালঘুদের কিছু



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ (যয়নাব বিনতে জাহাশ) আলাইহাস সালাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’ হাক্বীক্বতে পালন


ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন: ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত



পবিত্র ১২ই শরীফ উনার সম্মানার্থে রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার আয়োজনে- কোটি কোটি কণ্ঠে একযোগে বিশ্বজুড়ে মীলাদ শরীফ পাঠ সুসজ্জিত


আহলু বাইতে রসূল, মুজাদ্দিদে আযম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তত্ত্বাবধানে ও পৃষ্ঠপোষকতায় মহাসম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার আয়োজনে মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ ১২ই শরীফ উনার সম্মানার্থে আজ পবিত্র ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুস



বিধর্মীরা মুসলমানদের খাদিম…


বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেহেতু মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মী অমুসলিমদের সাথে কোনো প্রকার মিল-মুহব্বত



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক


সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইবনু খইরি বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত



মুসলিম বিশ্ব, মুসলিম শাসক আর জড় পদার্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি?


ফিলিস্তিনে বর্বর সন্ত্রাসী হানাদার ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে। কিন্তু কারো কোনো প্রতিবাদ আছে কি? ইহুদীসংঘ কিংবা মানবাধিকার সংস্থা কিছু বলবে না জানি কারণ এসব নিয়ন্ত্রণই করে ইহুদীরা। কিন্তু মুসলিম বিশ্ব কিংবা মুসলিম শাসক তারা কি করছে? মধ্যপ্রাচ্যে এত মুসলিম দেশ থাকতে ইসরাইল



তারাওতো রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী!! তাহলে উপজাতিরা কি করে ‘কোটা’ সুবিধা পাচ্ছে?


সরকারী আমলারা বারবার ঘোষণা দিয়ে বেড়াচ্ছে- ‘যারা যুদ্ধাপরাধী রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী তাদের সন্তান ও বংশধরদেরকে কোন সরকারী সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে না।’ এ সকল আমলাদের নিকট প্রশ্ন হলো- তাহলে ১৯৭১ সালে যে উপজাতিরা তাদের নেতা ত্রিদিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলো



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিদ‘আতুম মির রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রাবিয়া’হ


সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার বিষয়ে বিভিন্ন দিকে থেকে প্রস্তাব মুবারক এবং এই বিষয়ে খোদায়ী ফায়ছালা মুবারক: বিভিন্ন কিতাবের বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বিষয়টি স্পষ্ট যে, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিল করার লক্ষ্যে এবং



সবাই যদি টিভি দেখা বন্ধ করে দেয়, তাহলে কি চ্যানেলগুলো সব বন্ধ হয়ে যাবে না? অবশ্যই বন্ধ হয়ে যাবে


মুসলমানগণ আজ নিজেদের অনেক দুর্বল ও অসহায় মনে করে। হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিন্তু আসলে ব্যপারটি কখনোই এরকম হওয়ার কথা ছিলো না। মুসলমান আজ কোন অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলতে কার্পণ্য করে, হারাম-নাজায়িজ কাজের প্রতিবাদ করতে চায় না। কিন্তু মুসলমানরা যদি প্রতিবাদ স্বরূপ নিজেরাই



বেমেছাল বেনযীর অভূতপূর্ব তাজদীদ মুবারক


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দ মুবারক সম্পর্কে যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলতানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আহলে বাইতে রসূল,



প্রতিদিন বারবার পড়ার মধ্যে অবশ্যই লক্ষ-কোটি শিক্ষা রয়ে গেছে


একটি বিশেষ বাক্য বা কথা কমবেশি প্রায় আমরা সবাই জানি। ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো কাজই হিকমত থেকে খালি নয়’। এ বাক্যটি ঈমানদার-মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করেন। আমরা প্রতিদিন প্রতি রাকয়াতের শুরুতেই যে একটি বিশেষ সূরা শরীফ পাঠ করে থাকি উনার নাম



প্রখ্যাত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের ইতিহাস


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নাকি এই সেদিন থেকে প্রচলিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! হারামাইন শরীফে এ দিবস পালন হতো না! নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরু থেকেই হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো।