পরশ -blog


...


পরশ
 


ঐতিহাসিক সুমহান ১৭ রমাদ্বান শরীফ


সুমহান ঐতিহাসিক ১৭ রমাদ্বান শরীফ। যেই পবিত্র দিন বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন উম্মাহাতুল মু’মিনীন উনাদের মধ্যে সর্বপ্রথম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম। যিনি মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে গ্রহণকারীনি। উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম



নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম এবং উম্মুল মু’মীনিন হযরত মা আয়েশা সিদ্দীকা আলাইহিস সালাম উনাদরে শানে অবমাননাকারীর ফাঁসি চাই


সালাফীরা যে ইহুদীদের এজেন্ট এ কথা আর নতুন করে বলার অবকাশ নাই। সালাফী আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ যেকিনা শুদ্ধ করে কুরআন শরীফও তেলাওয়াত করতে পারে না, এই কাজ্জাবটা আমাদের প্রানের চাইতে প্রিয় নবী হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মীনিন



কেউ যদি কামিয়াবী হাছিল করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই…….


কেউ যদি কামিয়াবী হাছিল করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবসকে যথার্থ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে। মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার



আগামী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) ঐতিহাসিক সুমহান বরকতময় পবিত্র ১৫ শা’বান শরীফ-


মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ’ উনার ৫ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত



যাকাত নিয়ে ইহুদী-মুশরিকদের ষড়যন্ত্র


যাকাত ইসলামের মৌলিক স্তম্ভসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয়। দুনিয়াতে বান্দা যা কিছু উপার্জন করে, ভোগ করে তার সবই দিয়ে থাকেন মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং তা উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে সকলের মাঝে তা বণ্টন করে দেন।



পবিত্র যাকাত ও উশর দাতাকে বিশেষভাবে বুঝানো


১) যাকাত দেয়া ফরয, গ্রহণ করা ফরয না, তাযীমের সাথে সম্মানের সাথে দিতে হবে। মুসলমানমাত্রই যাকাত দিতে হবে। ২) ৪০ ভাগের ১ ভাগ : ৩৯ ভাগ দিয়ে মহান আল্লাহ পাক কি ৪০ ভাগের কাজ করে দিতে পারেন না- অবশ্যই পারেন বরং



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে পবিত্র লাইলাতুল বরাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে তথা লাইলাতুল বরাতে পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর আমিই ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।” (পবিত্র সূরা



পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ তথা পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো উলামায়ে ‘সূ’দের একটি বৈশিষ্ট্য


বরকতময় ভাগ্য রজনী বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত সমাগত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রস্তুতির মাস, লাইলাতুল বরাত উনার মাস। এ সুমহান মাসের ফযীলত অপরিসীম। দোয়া কবুলের ৫টি রাতের মধ্যে ১টি রাত এই মাসেই। মূর্খরা ভাগ্য রজনী বোঝে না। আসলে আত্মার খুলুছিয়াত না



শবে বরাত পালন করতে একটি হাদীস শরীফই যথেষ্ঠ।


শবে বরাত পালন করতে একটি হাদীস শরীফই যথেষ্ঠ। মুমিনের জন্য একটি দলিলই যথেষ্ঠ আর শয়তানের জন্য হাজার হাজার দলিল প্রয়োজন। তারপরেও শয়তানের দল মানবে কি না সন্দেহ আছে? পবিত্র পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মোবারক হয়েছে- عن حضرت على رضى الله تعالى عنه



কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা



দ্বীন ইসলাম উনার গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র অর্থনৈতিক স্তম্ভ পবিত্র যাকাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানির মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।’ সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে-পবিত্র যাকাত দেয়া যেরূপ ফরয; তদ্রুপ সঠিক স্থানে পবিত্র যাকাত দেয়াও ফরয এবং পবিত্র যাকাত কবুল



কাদেরকে যাকাত দেয়া যাবেনা


উলামায়ে ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানা দ্বারা পরিচালিত মাদরাসা অর্থাৎ যারা জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য কুফরী মতবাদের সাথে সম্পৃক্ত সেই সমস্ত মাদরাসাতে যাকাত প্রদান করলে যাকাত আদায় হবে না। নিসাব পরিমাণ মালের অধিকারী বা ধনী ব্যক্তিকে যাকাত দেয়া যাবে না। মুতাক্বাদ্দিমীন