সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

পরশ -blog


...


পরশ
 


সুমহান ৫ই শাবান শরীফ


হযরত আহলে বাইত শরীফ উনাদের প্রতি মুহব্বত যুযে ঈমান, উনাদের শানে চুচেরা করা ঈমানহারা হওয়ার কারণ আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ বলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলুন, আমি তোমাদের নিকট হিদায়েত দানের বিনিময়সরূপ কোন প্রতিদান চাই না।



ভারতে তীব্র খরা: মানুষের চেয়েও কি আইপিএল বড় !


দুই বছর ধরেই তীব্র খরা চলছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য মহারাষ্ট্রে। গত বছর খরার কারণে আত্মহত্যা করেছিলো তিন হাজারেরও বেশি কৃষক। এখনো পানির অভাবে হাহাকার চলছে মহারাষ্ট্রে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ, আইপিএল আয়োজনকে পানির অপচয় হিসেবে বর্ণনা করেছে মহারাষ্ট্রের বিচারকরা।



প্রশ্নপত্রে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে প্রশ্ন তৈরিকারী, অনুমোদনকারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের গ্রেফতার ও শাস্তি


বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫ক এবং ২৯৮ অনুযায়ী অন্যের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানা একটি দ-নীয় অপরাধ। সে মোতাবেক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে যারা ইসলামবিদ্বেষী প্রশ্ন ঢুকালো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা করলো এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলো তাদের অপরাধের বিচার করতে হবে।



প্রসঙ্গ: সাম্প্রতিক সময়ের মুসলিমবিদ্বেষ॥ মুসলমানদের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুদের সম্পর্কে সচেতন হওয়া


বর্তমানে সারা বিশ্বে মুসলমানদের আতঙ্কবাদী তথা টেরটিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে যুলুম-নির্যাতন করা নিত্যান্ত স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাপন, সমাজ, পরিবেশ সবকিছুতেই মুসলমানদের আতঙ্কবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করে মুসলমানদেরকে বিশ্বের দরজায় একটি নব্য শঙ্কা হিসেবে তৈরি করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায়



“”বাংলার মুসলমান ভাইয়েরা তীব্র প্রতিবাদে জেগে উঠুন”””


সরকার তড়িঘড়ি করে ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি-২০১০কে শিক্ষাআইন রূপে জারি করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে শিক্ষামন্ত্রনালয়ের ওয়েসসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাত্র ৭ দিন (১০ এপ্রিল, ২০১৬ পর্যন্ত) সময় দেওয়া হয়েছে মতামত জানানোর জন্য। কিন্তু এত কম সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগণের পক্ষে জানা সম্ভব



ইদে বিলাদতে উম্মুল উমাম আম্মা হুযুর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম। সকলকে জানাই ঈদ মুবারক……….


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে



এস কে সিনহা সে যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে।


সে যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে। ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৪: বিচারপতি সিনহা তখন বলেঃ “এমন হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন একটা পরিস্থিতি ছিল যে একই বাড়িতে একজন আওয়ামীলীগ ও অন্য একজন পাকিস্তানের সমর্থক ছিল। আমি নিজেও শান্তি কমিটির সদস্য ছিলাম।” প্রধান



বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি পালন করা হারাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তার থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত



কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা ফরয; তাই সরকারকে সংবিধানে বিষয়টি পুনঃস্থাপন করতে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এক মু’মিন আরেক মু’মিনের জন্য আয়নাস্বরূপ।”বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের নিকট ওয়াদা করেছিল- তারা ক্ষমতায় আসলে



সংবিধান থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম নয়; বরং হিন্দু, মালু নাস্তিকদের এই দেশ থেকে বহিস্কার করা হোক


আমরা মুসলমান আমাদের ধর্ম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। আমাদের দেশ ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশ। যার কারণে আমাদের দ্বীন আমাদের গর্ব, আমাদের অহঙ্কার। আর এই দেশের মুসলমানদের মন প্রাণ জুড়ে রয়েছে এই পবিত্র দ্বীন ইসলাম। যা আমাদের মুসলমানদের বড় পরিচয়। কিন্তু সম্প্রতি কিছু



নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো



রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ থাকবে কিনা তা নির্ভর করছে কেবল ৩ জন বিচারকের সিদ্ধান্তের উপর; তবে কি গণতন্ত্র জনগণকে ধোঁকা দেয়ার


আজ ২৮ মার্চ (২০১৬ ঈসায়ী) সুপ্রীম কোর্টের তিনজন বিচারক রায় দেবে ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কিনা। যদিও গণতন্ত্রের ওয়াদা মোতাবেক তা ৯৮ ভাগ মুসলমানের মতামতের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু দেশকে গণতন্ত্রের দেশ বলা হলেও রাষ্ট্রধর্মের মতো