পরশ -blog


...


 


পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ তথা পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো উলামায়ে ‘সূ’দের একটি বৈশিষ্ট্য


বরকতময় ভাগ্য রজনী বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত সমাগত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রস্তুতির মাস, লাইলাতুল বরাত উনার মাস। এ সুমহান মাসের ফযীলত অপরিসীম। দোয়া কবুলের ৫টি রাতের মধ্যে ১টি রাত এই মাসেই। মূর্খরা ভাগ্য রজনী বোঝে না। আসলে আত্মার খুলুছিয়াত না



শবে বরাত পালন করতে একটি হাদীস শরীফই যথেষ্ঠ।


শবে বরাত পালন করতে একটি হাদীস শরীফই যথেষ্ঠ। মুমিনের জন্য একটি দলিলই যথেষ্ঠ আর শয়তানের জন্য হাজার হাজার দলিল প্রয়োজন। তারপরেও শয়তানের দল মানবে কি না সন্দেহ আছে? পবিত্র পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মোবারক হয়েছে- عن حضرت على رضى الله تعالى عنه



কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা



দ্বীন ইসলাম উনার গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র অর্থনৈতিক স্তম্ভ পবিত্র যাকাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানির মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।’ সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে-পবিত্র যাকাত দেয়া যেরূপ ফরয; তদ্রুপ সঠিক স্থানে পবিত্র যাকাত দেয়াও ফরয এবং পবিত্র যাকাত কবুল



কাদেরকে যাকাত দেয়া যাবেনা


উলামায়ে ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানা দ্বারা পরিচালিত মাদরাসা অর্থাৎ যারা জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য কুফরী মতবাদের সাথে সম্পৃক্ত সেই সমস্ত মাদরাসাতে যাকাত প্রদান করলে যাকাত আদায় হবে না। নিসাব পরিমাণ মালের অধিকারী বা ধনী ব্যক্তিকে যাকাত দেয়া যাবে না। মুতাক্বাদ্দিমীন



সুমহান ৫ই শাবান শরীফ


হযরত আহলে বাইত শরীফ উনাদের প্রতি মুহব্বত যুযে ঈমান, উনাদের শানে চুচেরা করা ঈমানহারা হওয়ার কারণ আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ বলেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলুন, আমি তোমাদের নিকট হিদায়েত দানের বিনিময়সরূপ কোন প্রতিদান চাই না।



ভারতে তীব্র খরা: মানুষের চেয়েও কি আইপিএল বড় !


দুই বছর ধরেই তীব্র খরা চলছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য মহারাষ্ট্রে। গত বছর খরার কারণে আত্মহত্যা করেছিলো তিন হাজারেরও বেশি কৃষক। এখনো পানির অভাবে হাহাকার চলছে মহারাষ্ট্রে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ, আইপিএল আয়োজনকে পানির অপচয় হিসেবে বর্ণনা করেছে মহারাষ্ট্রের বিচারকরা।



প্রশ্নপত্রে ইসলামবিদ্বেষ ও মুসলমান শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে প্রশ্ন তৈরিকারী, অনুমোদনকারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের গ্রেফতার ও শাস্তি


বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫ক এবং ২৯৮ অনুযায়ী অন্যের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানা একটি দ-নীয় অপরাধ। সে মোতাবেক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে যারা ইসলামবিদ্বেষী প্রশ্ন ঢুকালো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা করলো এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলো তাদের অপরাধের বিচার করতে হবে।



প্রসঙ্গ: সাম্প্রতিক সময়ের মুসলিমবিদ্বেষ॥ মুসলমানদের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুদের সম্পর্কে সচেতন হওয়া


বর্তমানে সারা বিশ্বে মুসলমানদের আতঙ্কবাদী তথা টেরটিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে যুলুম-নির্যাতন করা নিত্যান্ত স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাপন, সমাজ, পরিবেশ সবকিছুতেই মুসলমানদের আতঙ্কবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করে মুসলমানদেরকে বিশ্বের দরজায় একটি নব্য শঙ্কা হিসেবে তৈরি করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায়



“”বাংলার মুসলমান ভাইয়েরা তীব্র প্রতিবাদে জেগে উঠুন”””


সরকার তড়িঘড়ি করে ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি-২০১০কে শিক্ষাআইন রূপে জারি করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে শিক্ষামন্ত্রনালয়ের ওয়েসসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাত্র ৭ দিন (১০ এপ্রিল, ২০১৬ পর্যন্ত) সময় দেওয়া হয়েছে মতামত জানানোর জন্য। কিন্তু এত কম সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগণের পক্ষে জানা সম্ভব



ইদে বিলাদতে উম্মুল উমাম আম্মা হুযুর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম। সকলকে জানাই ঈদ মুবারক……….


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে



এস কে সিনহা সে যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে।


সে যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে। ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৪: বিচারপতি সিনহা তখন বলেঃ “এমন হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন একটা পরিস্থিতি ছিল যে একই বাড়িতে একজন আওয়ামীলীগ ও অন্য একজন পাকিস্তানের সমর্থক ছিল। আমি নিজেও শান্তি কমিটির সদস্য ছিলাম।” প্রধান