পরশ -blog


...


 


বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি পালন করা হারাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তার থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত



কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা ফরয; তাই সরকারকে সংবিধানে বিষয়টি পুনঃস্থাপন করতে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এক মু’মিন আরেক মু’মিনের জন্য আয়নাস্বরূপ।”বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের নিকট ওয়াদা করেছিল- তারা ক্ষমতায় আসলে



সংবিধান থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম নয়; বরং হিন্দু, মালু নাস্তিকদের এই দেশ থেকে বহিস্কার করা হোক


আমরা মুসলমান আমাদের ধর্ম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। আমাদের দেশ ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশ। যার কারণে আমাদের দ্বীন আমাদের গর্ব, আমাদের অহঙ্কার। আর এই দেশের মুসলমানদের মন প্রাণ জুড়ে রয়েছে এই পবিত্র দ্বীন ইসলাম। যা আমাদের মুসলমানদের বড় পরিচয়। কিন্তু সম্প্রতি কিছু



নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো



রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ থাকবে কিনা তা নির্ভর করছে কেবল ৩ জন বিচারকের সিদ্ধান্তের উপর; তবে কি গণতন্ত্র জনগণকে ধোঁকা দেয়ার


আজ ২৮ মার্চ (২০১৬ ঈসায়ী) সুপ্রীম কোর্টের তিনজন বিচারক রায় দেবে ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কিনা। যদিও গণতন্ত্রের ওয়াদা মোতাবেক তা ৯৮ ভাগ মুসলমানের মতামতের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু দেশকে গণতন্ত্রের দেশ বলা হলেও রাষ্ট্রধর্মের মতো



পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى অর্থ: “তোমরা গৃহে অবস্থান করবে। আইয়ামে জাহিলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করতঃ বাইরে বের হবে না।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)



গোলাপগঞ্জ উপজেলার খর্দাপাড়া গ্রামে কে মসজিদে ঢুকে মুসল্লীদের উপর হামলা!


গোলাপগঞ্জ উপজেলার খর্দাপাড়া গ্রামে কে মসজিদে ঢুকে মুসল্লীদের উপর হামলা চালিয়েছে লিপন চন্দ্র দাশ নামে স্থানীয় এক হিন্দু যুবক এবং সেখানকার উগ্রবাদী হিন্দুরা। এতে দুইজন মুসল্লী আহত হয়েছেন এবং বাকী মুসল্লিরা এই ঘটনায় আতঙ্কিত। শনিবার মাগরীবের নামাজের পূর্বক্ষণে এ হামলার ঘটনা



৯৮% মুসলিম জনগনের বাংলাদেশে প্রধান বিচারপতি একজন খোদাভিরু স্চ্চররিত্রবান মুসলিম হওয়া জরুরী


অত্যন্ত জরুরী পোষ্ট …………………………. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে যখন হিন্দু ধর্মাবলম্বী এসকে সিনহা নিয়োগ পায়, তখন সাথে সাথে ভারতীয় মিডিয়ায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, আইএনবি খবর করে- এই প্রথম বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি পদে এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী



কতবড় দুঃসাহস…!! রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের দাবি!!!


এদেশের মুসলমানরা এখনো কি করে স্বাভাবিক আছে? কি করে এখনো তারা সুস্থ আছে? কি করে তারা পেট ভরে খাবার খেতে পারছে? বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমানদের জন্য এরচেয়ে বড় অপমান, বড় লজ্জা আর কি হতে পারে? কতবড় দুঃসাহস হলে এই বাংলার যমীনে



যারা লিখতে অভ্যস্ত না তারা এই ছবি গুলো শেয়ার করুন


ডাউনলোড



আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মাতৃভূমির মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।’আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যেসকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ



মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী নিজ নিজ আয়ের একটা অংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে ব্যয় করা


‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আনীত রিট মামলার বিরুদ্ধে আইনী লড়াইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের মুসলমাদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী মুক্ত হস্তে খরচ করা। কারণ বর্তমান সময়ে টাকা ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয়। অত্যন্ত সুখবর হচ্ছে,