পরশ -blog


...


 


কতবড় দুঃসাহস…!! রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের দাবি!!!


এদেশের মুসলমানরা এখনো কি করে স্বাভাবিক আছে? কি করে এখনো তারা সুস্থ আছে? কি করে তারা পেট ভরে খাবার খেতে পারছে? বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমানদের জন্য এরচেয়ে বড় অপমান, বড় লজ্জা আর কি হতে পারে? কতবড় দুঃসাহস হলে এই বাংলার যমীনে



যারা লিখতে অভ্যস্ত না তারা এই ছবি গুলো শেয়ার করুন


ডাউনলোড



আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মাতৃভূমির মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।’আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যেসকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ



মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী নিজ নিজ আয়ের একটা অংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে ব্যয় করা


‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আনীত রিট মামলার বিরুদ্ধে আইনী লড়াইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের মুসলমাদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী মুক্ত হস্তে খরচ করা। কারণ বর্তমান সময়ে টাকা ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয়। অত্যন্ত সুখবর হচ্ছে,



সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখার দাবিতে “জাতীয় সুপ্রীম কোর্টে” বিশাল মাহফিল


গত ১০ মার্চ বাংলাদেশ আইনজীবী মুক্তিযুদ্ধা চেতনা পরিষদ নামক পরিষদ বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখার দাবিতে এক বিশাল মাহফিলের আয়োজন করে। উক্ত মাহফিলে প্রধান বক্তব্য রাখেন বিচারক আব্দুস সালাম (সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বার কাউন্সলের সভাপতিসহ সকল আইনজীবী।



মুসলমানরাই ভারতকে স্বাধীন করেছে। ভারতের জনসংখ্যার ৪০ ভাগ হয়েও মুসলমানরা চরম বৈষম্য এবং অবহেলার শিকার।


বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান। কিছুদিন পূর্বে বাংলাদেশ সরকারের প্রসাশনে গুরুত্বপূর্ণ সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। পদোন্নতি প্রাপ্ত ৬৭ জনের মধ্যে ৪৬ জনই হলো হিন্দু। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে রাস্তাঘাট বন্ধ করে পূঁজার ঢোল আর কাঁসা



আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অর্ধেক নয় পুরোটাই পূরণ করতে হবে। অন্যথায় সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতায় থাকতে পারবে না!


আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পূর্বে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল মূলত দুইটি এক. পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না। দুই. যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের বিচার করা হবে। এই দুইটি বিষয় ৯৮ ভাগ মুসলমানদের ঈমান ও



পবিত্র জুমাদাল উখরা শরীফ মাস হচ্ছেন- হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করার ও উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ বা আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ পবিত্র জুমাদাল উখরা শরীফ মাস হচ্ছেন- হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস



সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এখনো বাদ দেওয়া হয়নি,এরিই মধ্যে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলামের ফরজ বিধান হিজাব নিষিদ্ধ করা হলো।


সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এখনো বাদ দেওয়া হয়নি,এরিই মধ্যে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইসলামের ফরজ বিধান হিজাব নিষিদ্ধ করা হলো। ১। মতিঝিল মডেল (www.bd24live.com/bangla/mobile/article/84423/index.html) ২। সরকারি বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ (amarbangladesh-online.com/বদরুন্নেসা-মহিলা-কলেজে-ব/) হয়ত দেখা যাবে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার পর শিক্ষা প্রতিষ্টানে



প্রসঙ্গ রাষ্ট্রধর্ম ও ইসলাম: ::::::


১. উইকিপিডিয়াতে একমাত্র বাংলাদেশই একই সাথে ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ ও ‘সেকুলার দেশ’ -এর তালিকায় অবস্থান করছে। উইকি এডিটররা সংবিধান পড়ে এ ব্যাপারে কনফিউজড। : ২. মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। ফেডেরাল কন্সটিটিউশনের প্রথম ভাগের ৩ এর ১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: Islam is the religion



গণতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এবং অধিকাংশের মতামতই হবে গ্রহণীয় ।


গণতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এবং অধিকাংশের মতামতই হবে গ্রহণীয় । ১৫ টা রিটকারীর মধ্যে ১০ টাই দুনিয়ার বাইরে ,বাকি ৫ টা কি খেয়ে যে রিট করলো ঐ ৫ টাই জানে । এরা চিন্তাও করলো না রাষ্ট্রের মালিক কারা ? আর



বাংলাদেশে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম না থাকলে যে যে সমস্যা হবে তা নিম্ন রুপ:


১.ঈমান নষ্ট হবে। ২.মসজিদ বন্ধ হবে। ৩.মাদ্রাসা বন্ধ হবে। ৪.ইসলামিক সভা,মাহফিল বন্ধ হবে। ৫.মাইকে আযান বন্ধ হবে। ৬.যাকাত দেওয়া বাতিল হবে। ৭.প্রকাশ্যে নামাজ পড়া বন্ধ হবে। ৮.দাড়ি রাখা যাবে না। ৯.সুন্নতি পোশাক পড়া যাবে না। ১০.টুপি পড়া যাবে না। ১১.মুসলমানরা জমি