যুফার -blog


***********সত্য প্রকাশে আমরা জানবাজ তরুন*****************


যুফার
 


শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান



মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করা জায়েয হবে না


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ



ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قُلْ لَّا اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبـٰى وَمَنْ يَّقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِيْهَا حُسْنًا اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ. অর্থ: “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন,



চাঁদ দেখে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু করার ব্যাপারে সউদী ওহাবী সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে


সউদী ওহাবী সরকার প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ না দেখে শুরু করতে যাচ্ছে। যার ফলে যারা পবিত্র হজ্জ করতে যাবেন তাদের পবিত্র হজ্জ এবারও আদায় হবে না। সউদী আরবে গিয়ে যেহেতু পবিত্র হজ্জ পালন করতে হয়,



“যারা মসজিদ ভাঙবে, মসজিদ ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে এবং সমর্থন করবে, তারা সবচেয়ে বড় কাট্টা কাফির এবং চির জাহান্নামী।


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার সম্মানিত ফতওয়া মুবারক অনুযায়ী- “যারা মসজিদ ভাঙবে, মসজিদ ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে এবং সমর্থন করবে, তারা সবচেয়ে বড় কাট্টা কাফির এবং চির জাহান্নামী। তাদের প্রত্যেককেই গ্রেফতার করে জেল-হাজতে প্রবেশ করাতে হবে। অতঃপর তওবা করার জন্য তিন দিন



দেশের চলমান ‘শিক্ষানীতি’ কিভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের হতে পারে?


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা, কবিতা



এমনিতেই জীবন দেয়া উচিত হবে না


ভারতসহ পৃথিবীর যেখানেই মুসলমানদের নির্বিচারে শহীদ করা হচ্ছে, ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করা হচ্ছে, ইজ্জত-সম্মান সম্ভ্রমহানী করা হচ্ছে সেখানকার মুসলমানদের উচিত কাপুরুষতা না করা, পালানোর চেষ্টা না করা, কাফিরদের সাথে কোনোরকম আঁতাত না করা, কাফিরদের কোনো আশারবাণী শ্রবণ না করা। কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের চরম



পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটনের সঠিক তারিখ কোনটি?


পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখ লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে



যাকাত আদায় করে মালের হক্ব আদায় করা অপরিহার্য ফরয


মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর অতিরিক্ত যদি কোন মাল বা অর্থ-সম্পদ নিছাব পরিমাণ তথা সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রৌপ্য অথবা এ সমপরিমাণ সম্পদ বা অর্থ কারো অধীনে পূর্ণ এক বছর থাকে তাহলে তা



হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ


পবিত্র আবু দাঊদ শরীফ ও মিশকাত শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি আমার উম্মতের জন্য প্রতি হিজরী শতকের



এবার দিল্লিতে গণসম্ভ্রমহরণের শিকার দুই শিশু


সম্ভ্রমহরণের অভিশাপ থেকে বেরিয়ে আসাটা যেন অবাস্তব কল্পনায় পরিণত হয়েছে ভারতে। ‘নির্ভয়া কা-’ বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় তুললেও কিছুদিন পরপর এখনও দেশটির বিভিন্ন স্থানে কঠিন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারীরা। বাদ পড়ছে না শিশুরাও। গত জুুমুয়াবার ভারতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে দুই শিশু। ঘটনাটি



সর্বপ্রথম রকেট বা মিসাইল প্রযুক্তি কে উদ্ভাবন করেছেন?


আধুনিক যে কোনো বিজ্ঞান-প্রযুক্তির হাতে খড়ি ঘটিয়েছেন মুসলমানরা। আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মৌলিক তত্ত্ব বা সূত্রগুলোরও প্রবক্তা মুসলমানরাই। এক কথায় বিজ্ঞান-প্রযুক্তির জনক মুসলমান বিজ্ঞানীরাই। কিন্তু কুচক্রী ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিয়ে আজকের মুসলমানরা দুনিয়ার মোহে ও লোভে আত্মভোলা হয়ে নিজের গৌরবময় ইতিহাস-ঐতিহ্য