যুফার -blog


***********সত্য প্রকাশে আমরা জানবাজ তরুন*****************


যুফার
 


সম্প্রীতির নামে মূর্তিপূজারীদের প্রশ্রয় দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানোর শামিল


স্বয়ং যিনি মানবজাতির সৃষ্টিকর্তা, মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক তিনি নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মানবজাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নাপাক শ্রেণীর পরিচয় প্রকাশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)



নারীদের জন্য হিদায়েতের দিশারী, মুক্তির উপলক্ষ্য সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম


যুগে যুগে অসংখ্য ওলীআল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা তাশরীফ আনলেও মহিলাদের মাঝে হক্কানী-রব্বানী আলিমা ও ওলীআল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহিমা উনাদের সংখ্যা একান্তই অপ্রতুল। যার কারণে মহিলাদের হিদায়েত ও দ্বীনি জযবা অর্জন অনেকাংশেই বাঞ্ছনীয় মাত্রায় হয়নি। পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানা ও মানার ক্ষেত্রে



বর্তমান সময়কার আহলু বাইতে রসূল হচ্ছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার সম্মানিত আহলু


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ও পূত-পবিত্র পরিবার-পরিজন আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বা আহলে বাইতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলা হয়। সম্মানিত আহলু বাইত



বর্তমান সময়ের ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নিতে ব্যর্থ


দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’দের অপতৎপরতায় মুসলিম মিল্লাতে কি ভয়ঙ্কর ফিতনা-ফাসাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে এর এক ঐতিহাসিক নমুনা যালিম শাসক আকবরের সময়। তার গুমরাহী অপতৎপরতাকে আরো বেগবান করেছিলো এক শ্রেণীর উলামায়ে ‘সূ’ চক্র। তারা ছলে-বলে-কৌশলে হারামকে হালাল, হালালকে হারাম, পবিত্র



সুমহান পবিত্র ১৩ রজবুল হারাম শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, বাবুল ইলম, দামাদে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত আহলে বাইত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, احبوا اهل بيتى لحبى অর্থাৎ “তোমরা আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার মুহব্বত মুবারক উনার কারণে।” আমীরুল মু’মিনীন, বাবুল ইলম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল



ঈদে বিলাদতে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِـىْ فَقَدْ اَحَبَّـنِـىْ وَمَنْ اَحَبَّنِـىْ كَانَ مَعِـى فِـى الْـجَنَّةِ. অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার



আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُعْطِيْتُ جَوَامِعَ الْعِلْمِ . অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি



বাল্যবিবাহ বিরোধীরাই মূলত ব্যাকডেটেড


বাংলাদেশে এখন বাল্যবিবাহ বিরোধী যে আইন চলে তা মূলত, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন -১৯২৯ হতে আগত’। এ আইনটিকে তখন এ নামে ডাকা হতো না। ডাকা হতো- ‘সারদা আইন’ নামে। আইনটি তৈরী করেছিলো হরবিলাস সারদা নামক এক ব্যক্তি, যাকে ব্রিটিশরা আনুগত্যতার দরুণ ‘দেওয়ান



শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান



মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করা জায়েয হবে না


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ



ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قُلْ لَّا اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبـٰى وَمَنْ يَّقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِيْهَا حُسْنًا اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ. অর্থ: “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন,



চাঁদ দেখে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু করার ব্যাপারে সউদী ওহাবী সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে


সউদী ওহাবী সরকার প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ না দেখে শুরু করতে যাচ্ছে। যার ফলে যারা পবিত্র হজ্জ করতে যাবেন তাদের পবিত্র হজ্জ এবারও আদায় হবে না। সউদী আরবে গিয়ে যেহেতু পবিত্র হজ্জ পালন করতে হয়,