যুফার -blog


***********সত্য প্রকাশে আমরা জানবাজ তরুন*****************


যুফার
 


সুমহান পবিত্র ১৩ রজবুল হারাম শরীফ: আমীরুল মু’মিনীন, বাবুল ইলম, দামাদে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত আহলে বাইত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, احبوا اهل بيتى لحبى অর্থাৎ “তোমরা আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার মুহব্বত মুবারক উনার কারণে।” আমীরুল মু’মিনীন, বাবুল ইলম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল



ঈদে বিলাদতে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِـىْ فَقَدْ اَحَبَّـنِـىْ وَمَنْ اَحَبَّنِـىْ كَانَ مَعِـى فِـى الْـجَنَّةِ. অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার



আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُعْطِيْتُ جَوَامِعَ الْعِلْمِ . অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি



বাল্যবিবাহ বিরোধীরাই মূলত ব্যাকডেটেড


বাংলাদেশে এখন বাল্যবিবাহ বিরোধী যে আইন চলে তা মূলত, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন -১৯২৯ হতে আগত’। এ আইনটিকে তখন এ নামে ডাকা হতো না। ডাকা হতো- ‘সারদা আইন’ নামে। আইনটি তৈরী করেছিলো হরবিলাস সারদা নামক এক ব্যক্তি, যাকে ব্রিটিশরা আনুগত্যতার দরুণ ‘দেওয়ান



শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান



মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করা জায়েয হবে না


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ



ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قُلْ لَّا اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبـٰى وَمَنْ يَّقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِيْهَا حُسْنًا اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ. অর্থ: “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন,



চাঁদ দেখে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু করার ব্যাপারে সউদী ওহাবী সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে


সউদী ওহাবী সরকার প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ না দেখে শুরু করতে যাচ্ছে। যার ফলে যারা পবিত্র হজ্জ করতে যাবেন তাদের পবিত্র হজ্জ এবারও আদায় হবে না। সউদী আরবে গিয়ে যেহেতু পবিত্র হজ্জ পালন করতে হয়,



“যারা মসজিদ ভাঙবে, মসজিদ ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে এবং সমর্থন করবে, তারা সবচেয়ে বড় কাট্টা কাফির এবং চির জাহান্নামী।


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার সম্মানিত ফতওয়া মুবারক অনুযায়ী- “যারা মসজিদ ভাঙবে, মসজিদ ভাঙ্গার কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করবে এবং সমর্থন করবে, তারা সবচেয়ে বড় কাট্টা কাফির এবং চির জাহান্নামী। তাদের প্রত্যেককেই গ্রেফতার করে জেল-হাজতে প্রবেশ করাতে হবে। অতঃপর তওবা করার জন্য তিন দিন



দেশের চলমান ‘শিক্ষানীতি’ কিভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের হতে পারে?


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা, কবিতা



এমনিতেই জীবন দেয়া উচিত হবে না


ভারতসহ পৃথিবীর যেখানেই মুসলমানদের নির্বিচারে শহীদ করা হচ্ছে, ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করা হচ্ছে, ইজ্জত-সম্মান সম্ভ্রমহানী করা হচ্ছে সেখানকার মুসলমানদের উচিত কাপুরুষতা না করা, পালানোর চেষ্টা না করা, কাফিরদের সাথে কোনোরকম আঁতাত না করা, কাফিরদের কোনো আশারবাণী শ্রবণ না করা। কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের চরম



পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটনের সঠিক তারিখ কোনটি?


পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখ লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে