মুহম্মদ রফিক -blog


...


মুহম্মদ রফিক
 


পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ উনার ফযীলত


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার প্রথম জুমুয়াহ শরীফ রাতকে পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ বলা হয়। কেননা এই মুবারক রজনীতে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মুহতারামা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার খিদমত মুবারকে নূর হিসেবে



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বত ঈমান এবং উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী।” সঙ্গতকারণেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে অবগত হওয়া সকলের জন্য ফরয। নিম্নে উনার



আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু


কাফিল পাদ্রী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে তার উপর সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার গযব নাযিল হয়েছে। সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উসীলা



উম্মতের জন্য তাদের যিনি সম্মানিত নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমকক্ষতা


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পরই মর্যাদা-মর্তবা, ফযীলত-বুযুর্গী ও সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার মেছাল তিনি নিজেই। মাখলুকাতের মধ্যে তিনি একক, উনার সমকক্ষ কেউ নেই।



আপনার শিশুকে আজই চিনিয়ে দিন তার প্রধান শত্রু “কে”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইহুদী-নাছারারা হিংসাবশত মুসলমানদের ঈমান আনার পর কুফরী করাতে চায়। (পবিত্র সূরা বাক্বারা



‘নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে আনে। তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ব্যাপারে আক্বীদা



পবিত্র কুরবানীতে সরকারি সাহায্য নেই, পূজাতে সরকারি সাহায্য! সরকার আসলে হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র কায়িম করতে চায় কিনা এবারের দুর্গাপূজায় তা


গতবারের পবিত্র কুরবানীতে সরকারের অসহোগিতা ও অবহেলা ছিলো বহুল সমালোচিত একটি বিষয়। কুরবানীদাতাদের মুখে মুখে শোনা গেছে সরকারের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও পশু সঙ্কট সৃষ্টির সমালোচনা। মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ সঞ্চার করেছে কুরবানীর হাটে এই কৃত্রিমভাবে পশু সঙ্কট ও আকাশচুম্বী দাম। অনেক



মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন


মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আল



অতীতের মুসলিম স্বর্ণযুগ ও মুসলিম বিজ্ঞানী-কবিদের ইতিহাস স্মরণ করে অনেকেই হায় আফসোস করে। কিন্তু মুসলিম মনীষীদের যাঁরা তৈরি করেছিলেন,


বর্তমানে গোটা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ এক চরম হতাশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। যারা ইতিহাস সচেতন, তারা অতীতের মুসলিম বিজ্ঞানী-কবি সাহিত্যিকদের ইতিহাস স্মরণ করে আফসোস করে। তারা আফসোস করে এই ভেবে যে, আগে আমাদের সবই ছিল, কিন্তু এখন আমাদের কিছুই নেই। কিন্তু কেন



পবিত্র ও সুমহান শবে মিরাজ শরীফ


আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মি’রাজ শরীফ-এর ঘটনাটি কালামুল্লাহ শরীফ-এর “সূরা বণী ইসরাইল”-এর ১ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



পর্দার সাথে মহিলাদের তালিমী মজলিস করা সম্পর্কে শরীয়তের সঠিক ও দলিল ভিত্তিক ফয়সালা চাই




পর্দার সাথে মহিলাদের তালিমী মজলিস করা সম্পর্কে শরীয়তের সঠিক ও দলিল ভিত্তিক ফয়সালা চাই


বিষয়টি খুবই জরুরী। প্রিয় এডমিন ভাইসহ যারাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানে উনাদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি বিস্তারিত দলিল ভিত্তিক পোষ্ট করবেন।