সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

মুহম্মদ রফিক -blog


...


মুহম্মদ রফিক
 


এক লক্ষ চল্লিশ হাজার লোককে কাফফারা বাবদ নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে, ধ্বংস করে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!


একজন নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করলে, কাফফারা বাবদ সত্তর হাজার লোককে ধ্বংস করে দেয়া হয়। আর ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার সাথে যারা জড়িত, তাদের কমপক্ষে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার



‘দান করলে সম্পদ কমে না’ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক হলেন আমিরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস


একবার আখিরী রসূল, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে উনার সম্মানিত দামাদ আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি এসে আরজি করলেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; আমাকে আমার সম্পদ কমে



সংখ্যালঘুদের ছুটিতে সংখ্যাগুরুরা কেন?


অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ হতে হলে ছুটির বিষয়ে লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের ক্ষুদ্র কিছু লোকের ছুটির জন্য গোটা দেশের মানুষের ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ করে রাখা। হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করা। আমাদের দেশে ছুটি নিয়ে কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা



কারো ঘরে প্রবেশ করার নিয়ম


মুসলমানদের সদা-সর্বদা সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ ও সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সমস্ত আমল করতে হবে। কখনো কাফির-মুশরিক বেদ্বীন বদদ্বীনদের অনুসরণ করা যাবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির-মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।” সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন পরিপূর্ণ দ্বীন। সমস্ত



যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন, আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ



‘কুরবানীর হাট কমানো ও শহরের বাইরে নেয়া’ এটা মূলত কুরবানী বন্ধ করার ষড়যন্ত্র


এ দেশে হিন্দুয়ানী চেতনাকে প্রবেশ করানোর প্ল্যান নিয়ে মাঠে নেমেছে ভারতীয় মুশরিক গোষ্ঠি। এই মুশরিক গোষ্ঠির পক্ষ হয়ে এদেশে তাদের কিছু এজেন্ট কাজ করে যাচ্ছে। এ মুনাফিকদের প্রধান কাজ হলো- এ দেশের মুসলমানদের দ্বীনি তথা ইসলামী নিদর্শনগুলি সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে মুসলমানদের



পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ উনার ফযীলত


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার প্রথম জুমুয়াহ শরীফ রাতকে পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ বলা হয়। কেননা এই মুবারক রজনীতে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মুহতারামা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার খিদমত মুবারকে নূর হিসেবে



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বত ঈমান এবং উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী।” সঙ্গতকারণেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে অবগত হওয়া সকলের জন্য ফরয। নিম্নে উনার



আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু


কাফিল পাদ্রী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে তার উপর সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার গযব নাযিল হয়েছে। সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উসীলা



উম্মতের জন্য তাদের যিনি সম্মানিত নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমকক্ষতা


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পরই মর্যাদা-মর্তবা, ফযীলত-বুযুর্গী ও সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার মেছাল তিনি নিজেই। মাখলুকাতের মধ্যে তিনি একক, উনার সমকক্ষ কেউ নেই।



আপনার শিশুকে আজই চিনিয়ে দিন তার প্রধান শত্রু “কে”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইহুদী-নাছারারা হিংসাবশত মুসলমানদের ঈমান আনার পর কুফরী করাতে চায়। (পবিত্র সূরা বাক্বারা



‘নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে আনে। তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ব্যাপারে আক্বীদা