রাফিউল -blog


...


 


পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের প্রথম ১০ রাতে ইবাদত করলে ৮৩৩ বছর ৪ মাস ইবাদতের সমান ফযীলত লাভ হয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ اَيَّامٍ اَحَبُّ اِلٰى اللهِ اَنْ يَّتَعَبُّدَ لَهُ فِيْهَا مِنْ عَشْرِ ذِى الْـحِجَّةِ يَعْدِلُ صِيَامُ كُلّ يَوْمٍ مِنْهَا



মসজিদে জামায়াতে নামায পড়ার হুকুম মহিলাদের জন্য নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن ام الـمؤمنين حضرت عائشة الصديقة عليها السلام قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لان تصلى الـمراة فى بيتها خير من ان تصلى فى حجرتها خير من ان تصلى فى الدار،



সাইয়্যিদুল উমাম লক্বব মুবারক উনার শান বা মহিমা


سيد الامم“সাইয়্যিদুল উমাম” দু’খানি আরবী শব্দের সমন্বয়ে এই সম্মানিত লকব মুবারকখানি প্রদত্ত হয়েছে। পৃথকভাবে শব্দ মুবারক দু’খানি হচ্ছে سيد “সাইয়্যিদ” এবং الامم “আল উমাম”। سيد (সাইয়্যিদুন) শব্দ মুবারকখানি একবচন এবং পুরুষবাচক শব্দ। এর বহুবচন হচ্ছে سادة “সা-দাতুন” ও اسياد “আসইয়াদুন”। এর



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে ও হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন


মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি শুধু মুজাদ্দিদই নন; বরং তিনি হচ্ছেন পূর্বের এবং পরের সমস্ত মুজাদ্দিদগণ উনাদের সাইয়্যিদ। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন



৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানগণ উনাদের পবিত্র ঈমান হিফাযত, রহমত, নাজাত লাভ ও নৈতিক পবিত্রতা রক্ষার্থে প্রাণীর ছবিযুক্ত ও অশ্লীল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ঘরে বা স্থানে প্রকাশ্যে প্রাণীর ছবি, মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানিকিন থাকে; সেখানে রহমতের ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালামগণ উনারা থাকেন না।’ তাই ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের