রহমত -blog


...


 


সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মুহব্বতপূর্ণ সম্পর্ক মুবারক


বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাদের মাঝে বেমেছাল মিল-মুহব্বত মুবারক বিদ্যমান ছিলো। আরবের লোকজন বলাবলি করতো এবং এই কথাটি উপমায় পরিণত হয়েছিলো যে, اَحْسَنُ زَوْجَيْنِ



আমরা ছবিমুক্ত দেশ চাই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ এরপরও ৯৮ ভাগ মুসলমানদের জনবেষ্টিত। এই দেশের আনাচে-কানাচে কোথাও কোনো এতটুকু জায়গা নেই, এমন কোনো পণ্য-দ্রব্যাদি নেই যেখানে ছবি



ফালইয়াফরহূ বা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল, হযরত বদরী ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এ


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ كُلْثُومٍ عليها السلام بِنْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَوْجِي خَيْرٌ أَو زَوْجُ



ব্রিটিশ প্রবর্তিত SIR এবং MADAM বলা পরিহার করুন


SIR এবং MADAM শব্দ দুটো বেশ প্রচলিত। কথিত মুসলমানও বলে যাচ্ছে অবলীলায়। কিন্তু এই দুটি শব্দ কিভাবে এসেছে তা কি কখনো ভেবে দেখেছে? ১) SIR: কথিত ‘স্যার’ শব্দটি যতখানি কথিত সম্মানের, তার চেয়ে বেশি আত্মঘাতী। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসে যার বহুল



৬ হিন্দু পরিবারের দ্বীন ইসলাম গ্রহণ, প্রস্তুত আরও ৫০ পরিবার!


তামিলনাডু রাজ্যের ভেদারনইয়াম ও কারুর গ্রামের ৬ পরিবারের দ্বীন ইসলাম গহণ করার পরপরই আরও ৫০ পরিবার দ্বীন ইসলাম গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা যায়। জানা জানিয়েছেন, দ্বীন ইসলামে সবার সমান অধিকারের বিষয়টি তাদের দ্বীন ইসলাম গ্রহণে



সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত হুজরা শরীফ-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার সময় উম্মু আবীহা, আন নূরুর


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ সম্পন্ন হওয়ার পর সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত হুজরা শরীফ-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার সময় উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত,



উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময়


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মাতা হচ্ছেন



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিন নখ, চুল না কাটার ফযীলত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত উম্মে সালামা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার প্রথম ১০ দিন



বৈশাখী বোনাসের নামে বিজাতীয় পৃষ্ঠপোষকতা করে মুসলমানদের বৈষম্যের শিকার করা হচ্ছে


সংখ্যালঘু মূর্তিপূজারীদের পূজার সময় সরকার থেকে মুসলমানদের কষ্টার্জিত কোটি কোটি টাকার অবদান পেয়ে থাকে। এছাড়া একই পূজাম-প দেখিয়ে একাধিক বার অনুদান আদায় করছে। ইদানীং সরকার বিজাতীয় অপসংস্কৃতি বৈশাখী পূজার পৃষ্ঠপোষকতা করতে নববর্ষ উপলক্ষে ২০% বোনাস ঘোষণা দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নববর্ষের আগের দিন



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, عن ام المؤمنين حضرة عائشة الصديقة عليها السلام قالت قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم اريتك فى المنام ثلث ليال يجيى بك الملك فى سرقة من حرير فقال لى هذه امرأتك فكشفت



আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থ্যাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার মহাসম্মানিত মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার নিদর্শনসমূহ দেখানোর



পবিত্র ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শ প্রতিফলনে পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ হোক আমাদের চেতনা


পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনারই ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ রাতটি হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার মুবারক রাত। এ মুবারক রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বৎসরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান