রহমত -blog


...


 


মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী


মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে অসংখ্য অগণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মু’জিযা শরীফ প্রকাশিত হয়েছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা কস্মিনকালেও



প্রচলিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ পরিবর্তনের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে


সরকারি আমলা ও প্রশাসন বিজাতী-বিধর্মীদের মতাদর্শকে যেভাবে প্রচার-প্রসারে নেমেছে তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমানদের সংস্কৃতির সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটা ভেবে দেখা অত্যন্ত জরুরী। নচেৎ প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে কি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাহযীব-তামাদ্দুন অসম্পুর্ণ? নাউযুবিল্লাহ! কখনোই



নদী রক্ষার নামে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা স্থানান্তর করা চলবে না, কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা


রাস্তা-ঘাট, ফ্লাইওভার, মেট্ররেল, নদী সংরক্ষণ বা সরকারী-বেসরকারী যে কোন প্রয়োজনের নাম দিয়ে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা, স্থানান্তর করা অথবা মসজিদ উনার জমি বিক্রয় করা চলবে না। কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা কোন দেশের সরকার নয়। পবিত্র মসজিদ উনার একমাত্র



কথিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে যা বলা আছে…


মহান আল্লাহ পাক প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য ইলম অর্জন করা ফরয তথা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। আর সমস্ত ইলমের প্রধান উৎস হচ্ছেন পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ। যেখানে বিন্দু পরিমাণ কোনো ভুল নেই এবং অসত্য-অবাস্তব কিংবা অবান্তর কোনো কথা নেই।



“উম্মুল মু’মিনীন হযরত আস-সাবিয়া আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক।”


সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন, আফদ্বালুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মহামূল্যবান নছীহত মুবারক থেকে সংগৃহীত “উম্মুল মু’মিনীন হযরত আস-সাবিয়া আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক।” সাইয়্যিদাতুন নিসা মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্,



দেশে এখন ইসলামবিরোধিতা প্রকাশ্যেই হচ্ছে!! এর জন্য দায়ী কে?


দেশে এখন ইসলামবিরোধিতা প্রকাশ্যেই হচ্ছে!! এর জন্য দায়ী কে? আজ থেকে কয়েক বছর আগেও যেটা এদেশে কল্পনা করা হয়নি- আজ সেটাই হচ্ছে। কিছুুদিন আগে একটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশ্যে আযানের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেছে। এর আগেও একবার নাস্তিকদের কবি শামসুর সেও আযানকে



কারও ঘরে প্রবেশ করার সুন্নতী তারতীব বা নিয়ম


যারা মুসলমানদের জন্য সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ ও সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সমস্ত আমল করতে হবে। কখনো কাফির-মুশরিক বেদ্বীন বদদ্বীনদের অনুসরণ করা যাবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির-মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।” সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন পরিপূর্ণ দ্বীন।



সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মুহব্বতপূর্ণ সম্পর্ক মুবারক


বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাদের মাঝে বেমেছাল মিল-মুহব্বত মুবারক বিদ্যমান ছিলো। আরবের লোকজন বলাবলি করতো এবং এই কথাটি উপমায় পরিণত হয়েছিলো যে, اَحْسَنُ زَوْجَيْنِ



আমরা ছবিমুক্ত দেশ চাই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ এরপরও ৯৮ ভাগ মুসলমানদের জনবেষ্টিত। এই দেশের আনাচে-কানাচে কোথাও কোনো এতটুকু জায়গা নেই, এমন কোনো পণ্য-দ্রব্যাদি নেই যেখানে ছবি



ফালইয়াফরহূ বা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল, হযরত বদরী ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এ


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ كُلْثُومٍ عليها السلام بِنْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَوْجِي خَيْرٌ أَو زَوْجُ



ব্রিটিশ প্রবর্তিত SIR এবং MADAM বলা পরিহার করুন


SIR এবং MADAM শব্দ দুটো বেশ প্রচলিত। কথিত মুসলমানও বলে যাচ্ছে অবলীলায়। কিন্তু এই দুটি শব্দ কিভাবে এসেছে তা কি কখনো ভেবে দেখেছে? ১) SIR: কথিত ‘স্যার’ শব্দটি যতখানি কথিত সম্মানের, তার চেয়ে বেশি আত্মঘাতী। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসে যার বহুল



৬ হিন্দু পরিবারের দ্বীন ইসলাম গ্রহণ, প্রস্তুত আরও ৫০ পরিবার!


তামিলনাডু রাজ্যের ভেদারনইয়াম ও কারুর গ্রামের ৬ পরিবারের দ্বীন ইসলাম গহণ করার পরপরই আরও ৫০ পরিবার দ্বীন ইসলাম গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা যায়। জানা জানিয়েছেন, দ্বীন ইসলামে সবার সমান অধিকারের বিষয়টি তাদের দ্বীন ইসলাম গ্রহণে