সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

রহমত -blog


...


রহমত
 


১৩ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পায়, কিন্তু ১৮ বছরের ছেলে- মেয়েরা কেন বাল্যবিবাহের স্বীকৃতি পায় না?


মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ করে গত ৮ নভেম্বর (২০১৬ঈসায়ী ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভূক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ২৬-০৩-১৯৭১ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। ১৯৭১ সালে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা যারা



এক নজরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা


সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



ছবি নিয়ে সরকারী আমলাদের বাড়াবাড়ি কেন?


সরকার কি জোরপূর্বক মুসলমানদেরকে কাফির বানাতে চায়? সরকার কি মুসলমান না??? সরকার কি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফ বিশ্বাস করে না? مَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ (৪৪) অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন,



হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি গন্দম খেয়ে ভুল ও গুনাহ করেছেন’ নাউযুবিল্লাহ- এ বক্তব্য ও আক্বীদা কুফরী


পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উপলক্ষে আলোচনা করতে গিয়ে যারা বলে যে, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি গন্দম খেয়ে ভুল ও গুনাহ করেছেন’ নাউযুবিল্লাহ- তাদের এ বক্তব্য ও আক্বীদা সম্মানিত



সুমহান ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ: হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, খিদমত মুবারক করা ফরয


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قل لا اسئلكم عليه اجرا الا الـمودة فى القربى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতদেরকে বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান বা



অনিরাপদ সড়ক বনাম অনিরাপদ সিলেবাস; কোনটা আগে?


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্য-পুস্তক সিলেবাসে আমাদেরকে পড়ানো হচ্ছে, শিখানো হচ্ছে- কুফরী শিরকী যুক্ত লেখা পড়া। পড়নো হচ্ছে, কাফির-মুশরিকদের কথিত ছানা-ছিফত প্রশংসা মূলক গদ্য-পদ্য। নাউযুবিল্লাহ! আর সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা সেই কুফরী-শিরকী পূর্ণ সিলেবাস চোখ বন্ধ করে পড়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ দেখা যাচ্ছে, দেশের সমস্ত



সমস্ত মুসলমানদের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে বেদ্বীন-বদদ্বীন, উলামায়ে সূ’, মুনাফিকদের অর্থাৎ সমস্ত কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করার জিহাদে শরীক


মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খ¦লীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছালাতু ওয়াস সালাম উনার সীমাহীন শান মুবারক উনাদের মধ্যে একখানা আখাচ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক হচ্ছেন, যে সমস্ত ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, উলামায়ে সূ’,



যুগে যুগে পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি মুসলমানদেরকেই রুখে দিতে হবে, প্রয়োজনে নিয়োজিত করতে হবে সর্বশক্তি


(১) কতগুলো মুনাফিক, নাস্তিক, কাফিরের গোষ্ঠী পবিত্র কুরবানী উনার সময় এলে পবিত্র কুরবানী বিরোধী প্রচারণায় মেতে উঠে এবং এর বিরুদ্ধে স্লো পয়জনসমৃদ্ধ নানা রঙের নানা ঢঙের বিবৃতি প্রদান করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন- (ক) পবিত্র কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা



অসাম্প্রদায়িকতা এবং কাফির-মুশরিক-মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি


অসম্প্রদায়িকতা শব্দের অর্থ হলো কারো কোনো নিজস্ব সম্প্রদায় বা দল নেই, সবাই একই দল বা সম্প্রদায় বা মতের অন্তর্ভুক্ত। আসলেই কি সবাই অসাম্প্রদায়িক অর্থাৎ কারো কোনো দল, মত বা সম্প্রদায় নেই-বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা যাক। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ



ছবি ও ছবি সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় হারাম


মানুষের ছবি, জীব বা প্রাণীর ছবি, প্রতিকৃতি, পুতুল আঁকা, ছাপা, তোলা সবই হারাম। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক



আল আমিন, কারিহুল কুফর, আস সাবিক, ছাহিবুত তাক্বওয়া, আল হাদি, খাইরু উম্মাতিন, আর রাশিদ, ছাহিবুল হুসনা, লিসানুল্লাহ, আছ ছাবির,


আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যে দ্বিতীয় খলীফা তা সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেই সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা রয়েছে। যেমন সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত


আফদ্বলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি