রহমত -blog


...


রহমত
 


আপনি মুহব্বত করেন কাকে? গাইরুল্লাহকে নাকি মহান আল্লাহ পাক উনাকে?


মুহব্বত হচ্ছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক দান অসংখ্য নিয়ামত মুবারক উনাদের মধ্যে একটি নিয়ামত মুবারক। যা প্রত্যেক মানুষের অন্তরে তিনি প্রদান করেছেন। মূলত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহব্বতকে সৃষ্টি করেছেন যেন মানুষ সেই মুহব্বত দ্বারা মহান আল্লাহ



বন্ধু হিসেবে কাকে গ্রহণ করতে চান?


মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক মানুষের অন্তরে ভাতৃত্ব বোধ ও বন্ধুত্ববোধ সৃষ্টি করেছেন; যার দরুন মানুষ একে অপরের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। এখন দেখার বিষয়, কাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে হবে? বন্ধু হিসেবে কার সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে হবে? আমরা সকলেই একটি



বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কৃত্রিম ‘আভিজাত্য’


পৃথিবীতে যেসব বংশ অভিজাত বংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভ করেছে, তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে কোন না কোন বীরপুরুষ কিংবা স্বাধীনতাকামী রাজার সন্ধান মেলে। যে রাজা বা বীরপুরুষ কোন গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়েছে, কিংবা তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে। কিন্তু বাঙালি হিন্দুর ইতিহাসে কখনোই তাদের কোন



মুসলমানগণ! আপনাদের শত্রুদেরকে চিনে নিন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لتجدن اشد الناس عدواة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا অর্থ: (আয় আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) “আপনি মু’মিন উনাদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।” (পবিত্র



কৃপণের ধন কারো কোনো কাজে আসে না। মধ্য থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুতা অর্জন হয় মাত্র


Money is what money does. অর্থাৎ টাকা যা করে তাই টাকা। সাধারণের কাছে টাকা কতগুলো সনদ বা কাগজ। এই নোটগুলো কাজে লাগালেই এর ক্রয়ক্ষমতা বুঝা যাবে। কেউ যদি টাকার ক্রয়ক্ষমতা- ব্যবহার না করে শুধু টাকা জমায়, তবে এগুলো কাগুজের টুকরা মাত্র। বলতে



‘হিন্দুত্ব’ কোন ধর্মবিশ্বাস নয়, স্রেফ একটি মুসলিম জাতিবিদ্বেষী মতবাদ মাত্র


ভারতে হিন্দু সন্ত্রাসবাদের পিতৃপুরুষদের একজন হলো বিনায়ক দামোদর সাভারকার। সে ছিল অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার প্রধান। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই  সংগঠনটিকে বিজেপি আরএসএসের মতো বর্তমান যুগের উগ্র হিন্দু সংগঠনগুলোর আদি পিতা বলে ধরে নেয়া হয়। ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটি সাভারকারেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। সাভারকার তার



পিলখানা হত্যা মামলা রায়: ১৫২ জনের ফাঁসি, ৪২৩ জনের কারাদ-, ২৭১ খালাস


পিলখানায় বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) হত্যাকা- মামলায় ১৫২ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৪২৩ জনকে দিয়েছেন বিভিন্ন মেয়াদের কারাদ-। তাদের মধ্যে ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ২৬২ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মোট ৮৫০ জন আসামির মধ্যে



মহামতি খিলাফত


পহেলা মুহররম, ওই খলীফা হলেন যুন নূরাইন মহতী মুকাররম। চব্বিশ হিজরীর প্রথম তারিখ স্মরণীয় ইতিহাস, বিশ্বজুড়েই খিলাফতী শান রহিয়াছে বিন্যাস। খলীফায়ে আছ ছালিছ, আলবৎ তিনি খিলাফত দিয়ে তাড়ালেন ইবলিস। সুন্নী সৌম উত্তমে তিনি প্রত্যেক লোকালয়ে, করলেন জারি তাগুতকে ছিঁড়ি নেহায়েত প্রত্যয়ে।



৯৭ ভাগ মুসলমানদের দেশ হওয়ার পরও পবিত্র কুরবানী নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয় আর যবনদের পূজা এলেই ‘সার্বজনীন’ ধ্বনি উঠে


মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান করবে, নিশ্চয়ই তা তাদের অন্তরের তাক্বওয়া বা পবিত্রতার কারণ।” (পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২) মহান আল্লাহ পাক



অবশেষে ইঁদুর মহাজোটের গর্তে পলায়ন


গত ৪ঠা অক্টোবরে (২০১৩ ঈসায়ী( অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল সাম্প্রদায়িক, উগ্রবাদী হিন্দু সম্প্রদায়ের ডাকা কথিত গণশ্রাদ্ধ’৭১। অনুষ্ঠানের ঠিক আগের দিন লেজ গুটিয়ে গর্তে ঢুকে ‘গণশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ বলে ঘোষণা দিলো ইঁদুর (হিন্দু) মহাজোট। এ অনুষ্ঠানে তারা দেশী ও ভারতের হিন্দু



উম্মাহর তরে শাফায়াতকারী মামদূহী দামাদ আউওয়াল শাফিউল উমামজী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরবী ১২টি মাস ঘোষণা করেছেন তার মধ্যে চারটি মাস হারাম বা সম্মানিত। সেগুলো হচ্ছে- পবিত্র যিলক্বদ শরীফ, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ, পবিত্র মুহররম শরীফ এবং পবিত্র রজব শরীফ মাস। এখন যে মাসটি চলছে সেটি হচ্ছে



উদিত ওই মহা রবি


শাফিউল উমাম আক্বা, ওয়ারাউল ওয়ারা আক্বা নকশায়ে হায়দার আক্বা, ইলাহী হাবীব আক্বা উদিত ওই মহা রবি, চিরন্তন চিরজীবী আলে রসূলী আক্বা, মামদূহজীর প্রতিচ্ছবি। মালিকায়ে উলাজীর আহাল সুরতে/ছিরতে কামালে কামাল মাদানী সাজে নববী আক্বা আহলু বাইতিন নাবী। জজবায়ে নাজ আসমানী আওয়াজ নূরী