সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

রহমত -blog


...


রহমত
 


এরাতো মানুষ নয় কুকুর…. ব্রিটেনে প্রতি বছর ৭২ হাজার পুরুষ ধর্ষিত হয়!


যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর ৭২ হাজার পুরুষ ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে। যার অর্থ হল,  দেশটিতে শতকরা ১২ ভাগ বা প্রতি দশজনের মধ্যে একজন বা তারও বেশি পুরুষ নিপীড়নের হচ্ছে। এবার পুরুষ নির্যাতন ঠেকাতে বিভিন্ন কর্মসূচি নিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। গত ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)



এটা হিন্দুস্তান নয়, বাংলাদেশ! এখানে যত্রতত্র পূজা চলতে পারে না


এটা হিন্দুস্তান নয়, বাংলাদেশ। এখানে জনসংখ্যার শতকরা ৯৭ ভাগ হচ্ছেন মুসলমান। এ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হিন্দুরা কেন সরস্বতী পূজা করবে? তাদের যদি পূজা করতে ইচ্ছা হয় তবে তারা মন্দিরগুলোতে করুক। যত্রতত্র পূজা করার অধিকার তাদের কে দিলো? তারা কি বাংলাদেশকে হিন্দুর দেশ,



বিবস্ত্র করে নির্যাতন: বাংলাদেশীকে বিএসএফের ক্ষতিপূরণ


তিন বছর আগে রাজশাহীর খানপুর সীমান্তে অমানবিক নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশী হাবিবুর রহমানকে ‘ক্ষতিপূরণ’ দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী-বিএসএফ। বিজিবি ৩৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম খান জানান, গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সকালে রাজশাহীর চরমাঝারদিয়ার সীমান্তে কমান্ডিং অফিসার পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে ৫০ হাজার



মুসলমানদের প্রতি সাবধান!! বাংলাদেশী ডিজিটাল পাসপোর্টে হিন্দুদের কাল্পনিক দেবতা দুর্গার মূর্তি ও মন্দিরের ছবি!!! সরকারকে অবিলম্বে এসব হারাম


বাংলাদেশ সরকারের নবায়নকৃত ডিজিটাল পাসপোর্টের ভিসা পাতায় সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের কাল্পনিক দেবতা মূর্তি দুর্গা ও কান্তজির মন্দিরের ছবি পানিছাপ দিয়ে ছাপানো হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! দেশে এতকিছু থাকতে পাসপোর্টে হিন্দু যবন মেøচ্ছ অস্পৃশ্য মালুদের দেব-দেবী ও মন্দিরের ছবি দেয়া হবে কেন? পৃথিবীর দ্বিতীয়



থেমে নেই বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের যুলুম-নির্যাতন: মিয়ানমারে ২ দিনে ২ শতাধিক মুসলমান শহীদ, আরো শতাধিক নিখোঁজ নাফ নদীতে জেলেদের জালে


মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা মঙডুতে মুসলিম নিধনের ভয়াবহ ঘটনার খবর প্রকাশ হয়েছে। গত দু’দিনে মঙডু জেলা শহর থেকে আট মাইল দক্ষিণে অবস্থিত মুসলিম অধ্যুষিত খিলাইডং গ্রামে দু’শতাধিক শিশু ও নারীকে শহীদ করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া আরো শতাধিক মুসলিম



আপনি মুহব্বত করেন কাকে? গাইরুল্লাহকে নাকি মহান আল্লাহ পাক উনাকে?


মুহব্বত হচ্ছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক দান অসংখ্য নিয়ামত মুবারক উনাদের মধ্যে একটি নিয়ামত মুবারক। যা প্রত্যেক মানুষের অন্তরে তিনি প্রদান করেছেন। মূলত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহব্বতকে সৃষ্টি করেছেন যেন মানুষ সেই মুহব্বত দ্বারা মহান আল্লাহ



বন্ধু হিসেবে কাকে গ্রহণ করতে চান?


মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক মানুষের অন্তরে ভাতৃত্ব বোধ ও বন্ধুত্ববোধ সৃষ্টি করেছেন; যার দরুন মানুষ একে অপরের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। এখন দেখার বিষয়, কাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে হবে? বন্ধু হিসেবে কার সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে হবে? আমরা সকলেই একটি



বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কৃত্রিম ‘আভিজাত্য’


পৃথিবীতে যেসব বংশ অভিজাত বংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভ করেছে, তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে কোন না কোন বীরপুরুষ কিংবা স্বাধীনতাকামী রাজার সন্ধান মেলে। যে রাজা বা বীরপুরুষ কোন গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়েছে, কিংবা তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে। কিন্তু বাঙালি হিন্দুর ইতিহাসে কখনোই তাদের কোন



মুসলমানগণ! আপনাদের শত্রুদেরকে চিনে নিন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لتجدن اشد الناس عدواة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا অর্থ: (আয় আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) “আপনি মু’মিন উনাদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদীদেরকে। অতঃপর যারা মুশরিক তাদেরকে।” (পবিত্র



কৃপণের ধন কারো কোনো কাজে আসে না। মধ্য থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুতা অর্জন হয় মাত্র


Money is what money does. অর্থাৎ টাকা যা করে তাই টাকা। সাধারণের কাছে টাকা কতগুলো সনদ বা কাগজ। এই নোটগুলো কাজে লাগালেই এর ক্রয়ক্ষমতা বুঝা যাবে। কেউ যদি টাকার ক্রয়ক্ষমতা- ব্যবহার না করে শুধু টাকা জমায়, তবে এগুলো কাগুজের টুকরা মাত্র। বলতে



‘হিন্দুত্ব’ কোন ধর্মবিশ্বাস নয়, স্রেফ একটি মুসলিম জাতিবিদ্বেষী মতবাদ মাত্র


ভারতে হিন্দু সন্ত্রাসবাদের পিতৃপুরুষদের একজন হলো বিনায়ক দামোদর সাভারকার। সে ছিল অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার প্রধান। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই  সংগঠনটিকে বিজেপি আরএসএসের মতো বর্তমান যুগের উগ্র হিন্দু সংগঠনগুলোর আদি পিতা বলে ধরে নেয়া হয়। ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটি সাভারকারেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। সাভারকার তার



পিলখানা হত্যা মামলা রায়: ১৫২ জনের ফাঁসি, ৪২৩ জনের কারাদ-, ২৭১ খালাস


পিলখানায় বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) হত্যাকা- মামলায় ১৫২ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ-ের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৪২৩ জনকে দিয়েছেন বিভিন্ন মেয়াদের কারাদ-। তাদের মধ্যে ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ২৬২ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মোট ৮৫০ জন আসামির মধ্যে