উদীয়মান সূর্য -blog


...


 


ভেজাল ঔষধ ??? চাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ…হবে কি???……..(১)


বাংলাদেশ সরকার অবশেষে সারাদেশের ঔষুধ কারখানাগুলো পরিদর্শনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মহল। তারা বলছেন, আমাদের ঔষুধ শিল্প আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে গেছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনৈতিকভাবে নিম্নমানের ঔষুধ উৎপাদনের কারণে বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু হয়েছে ; যা আমাদের



হায়রে কথিত বুদ্ধিজীবী এবং সেলিব্রিটি!!!!!!!


এলএসডি, কোকেন, হেরোইন, গাঁজা, প্যাথিড্রিন ইত্যাদি নানা ধরনের মাদকদ্রব্য  কথিত বুদ্ধিজীবী এবং সেলিব্রিটি  জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে ।মার্কিন অভিনেত্রী তার নাম অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। এই মার্কিন অভিনেত্রীর জীবনে মাদক গ্রহণ শুরু হয় ১১ বছর বয়স থেকেই। আরেক বিখ্যাত অভিনেত্রী নরওয়ের জিয়ান



শ্রেষ্ঠত্বের মাক্বামে সমাসীন পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ


আসমান-যমীন সৃষ্টির দিন থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা বারটি। এ বারটি মাসের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ মাসটির নামই হচ্ছে রবীউল আউয়াল শরীফ। রবীউন শব্দের দ্বারাও বিষয়টি অনুধাবন করা যায়। কারণ রবীউন অর্থ হচ্ছে বসন্তকাল। ঋতুর মধ্যেও শ্রেষ্ঠত্বের উচ্চ শিখরে অবস্থান করছে



যেখানের উদাহরণ অহরহ দিতে এদেশের নারীবাদীরা খুব গর্ববোধ করে…সেখানে তিনজন মহিলা সেনার মধ্যে একজন যৌন হয়রানির শিকার!!!!!


সর্বাঙ্গে ব্যথা! ঔষধ দেবো কোথা? তথ্য! প্রমাণ! নজীর! উদাহরণ? ঘটনা একটি অথবা দুটি? এক হাজার? দু’হাজার? না! বরং লক্ষ-কোটি। তাও কী কথিত মুসলিম সমাজে? অথবা মুসলিম দেশে? না! খোদ তথাকথিত উন্নত রাষ্ট্রে। খোদ ইউরোপ-আমেরিকায়। যেখানে বৃষ্টি হলে আমাদের দেশের নারীবাদীরা এদেশে



নারী টিজিং এর একমাত্র প্রতিষেধক পর্দা


শুধু নীতি প্রণয়ন করে, শাস্তির ভয় দেখিয়ে কোনো অপরাধই নির্মূল করা যায়নি। এ ধরনের সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থতার চেহারা দেখবে। সমস্যাটা পুরোপুরি বুঝে সঠিক সমাধান করতে হবে। যুবতী নারী তার রূপ প্রদর্শন করে গৃহ বাইরে চলাফেরা করবে এবং নারী টিজারদের শাস্তির ভয়



পশুর চরিত্রে খ্রিস্টপাদ্রী


খ্রিস্টপাদ্রী খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীদের অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। এ ব্যক্তি যখন পশুর মতো বা পশুর চেয়ে অধম মনোবৃত্তির অপকর্ম করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার উপর আস্থা থাকে না।



প্রসঙ্গ :নারী নির্যাতন ও পৃথক পরিবহন ব্যবস্থা


আমরা সচরাচর দুটি শ্লোগান হরহামেশা শুনে থাকি। তাহলো: ‘নারী অধিকার চাই।’ ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করো।’ এর উপায় হিসেবে অসংখ্য মিটিং-মিছিল, সেমিনার করছে তথাকথিত নারীবাদী ও প্রগতিবাদীরা।



১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ তথা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন


হযরত মূসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম যখন লোহিত সাগর পার হচ্ছিলেন তখন ফিরআউন ও তার দলবল এসে থেমে গেলো। ফিরআউন বুঝতে পেরেছিলো, এটা হযরত মূসা আলাইহিস সালাম উনার মু’জিযা। সে যাওয়ার জন্য ইতস্তত বোধ করছিলো। আল্লাহ পাক তিনি তখন হযরত জিবরাইল আলাইহিস



সব পাঠ্যসূচিতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা সরকারের জন্য ফরয!


আমরা মুসলমান! আমাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এ দেশে শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান। অথচ আমাদের পাঠ্যসূচিতে আমাদের প্রিয় নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জীবনী মুবারক-এর আলোচনা অন্তর্ভুক্ত নেই।



ইফার ডিজিকে বরখাস্ত করা হোক


আমাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। আমাদের দেশে শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান। ইসলামী শরীয়তে গান-বাজনা হারাম। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “আমার আগমন মূর্তি ও বাজনা ধ্বংস করার জন্য।”



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম সৃষ্টি ও সকল সৃষ্টির মূল


মহান আল্লাহ পাক উনার সর্বপ্রথম সৃষ্টি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যেমন এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ এসেছে, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত।



পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনে আবু লাহাবদের উত্তরসূরিদের প্রতি একটি ইবরত


পবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ মাসে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করার প্রসঙ্গ আসলেই দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ছূ’র দল যারা ওহাবী সালাফীদের দীক্ষায় দীক্ষিত, তারা বলে থাকে এটা পালন করা বিদয়াত।