RAJARBAGER POTHE -blog


...


 


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও সম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি, মুহব্বত, মা’রিফাত, নিসবত, তাওয়াল্লুক হাছিল করার প্রধান দুটি উসীলা। প্রথমতঃ উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উনার মহাসম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ প্রিয়তম হাবীব। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মুহব্বতেই তামাম কায়িনাত সৃষ্টি করেন। উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাদেরকে অনেক উঁচু করেছেন। অর্থাৎ এক কথায়



প্রখ্যাত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের ইতিহাস।


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নাকি এই সেদিন থেকে প্রচলিত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! হারামাইন শরীফে এ দিবস পালন হতো না! নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরু থেকেই হারামাইন শরীফে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো।



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত ঈমানের মূল। তাই উনাদের ছানা-ছিফত ও ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبٰـى ۗ وَمَن يَقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِيْهَا حُسْنًا ۚ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ. অর্থ: “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)



হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সকল সচ্ছলতার মালিক- একটি আকলী দলিল


একদিন হযরত রাবেয়া বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার কাছে দু’জন দরবেশ এলেন। মেহমানদারী করারও প্রয়োজন কিন্তু ঘরে ছিল মাত্র ২টা রুটি। তিনি দু’জন দরবেশকে তা পরিবেশনও করলেন। উনারা যখন খাদ্য গ্রহণ করতে যাবেন, তখন একজন সুওয়ালকারী বা ভিক্ষুক এলো। তিনি দরবেশ উনাদের



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত (কুরআন শরীফ ও পবিত্র


পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার লুগাতী বা আভিধানিক অর্থ বিলাদত (জন্ম) শরীফ উনার সময়। আর ইছতিলাহী বা ব্যবহারিক অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি



হীরক পাত্রে ময়লা থাকে না, আর ময়লা পাত্রে হীরক রাখে না


বাক্য দুটি বুঝতে কষ্ট হয়নি কারোই। অর্থাৎ ভালো থেকে ভালোই আসে আর খারাপ থেকে খারাবী। আতর থেকে সুঘ্রাণ আসে, ময়লায় আসে দুর্গন্ধ। বিশুদ্ধ ঈমান, আক্বীদা, আমল তথা হক্বকে সবাই গ্রহণ করতে পারে না, এর জন্য মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন এবং উনার



আপনি কি জানেন কোন্ তিন ব্যক্তি যুগযুগ ধরে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে আসছে?


একদিন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ২য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, আপনি কি জানেন কোন্ ব্যক্তি বা কারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে থাকে। তখন তিনি বললেন, আমার সেটা



মুসলমানরা যদি যাকাত ও উশর যথাযথ ও নিয়মিত দেয়, তাহলে আর বন্যা, তুফানে, খরায় ফসল নষ্ট হবে না


পত্রিকার পাতা খুললে সংবাদ দেখা যায়, “বন্যায় তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমি”। “খরায় ফসল নষ্ট।” “ভেসে গেছে মাছ”। ইত্যাদি ক্ষয় ক্ষতির বিবরণ। এর কারণ কি? পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যমীনে ও পানিতে যত মাল সম্পদ বিনষ্ট



মুসলমান-ঈমানদার হলে জেনে রাখা উচিত- পরকালের কত কঠিন শাস্তির স্থান জাহান্নাম


মুসলমান-ঈমানদার সকলেই মৃত্যু পরবর্তী জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। কিন্তু দুনিয়ার কর্মব্যস্ত জীবন, নিজের জীবন, নিজের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি নানা কারণগুলো অনন্তকালের জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালকে ভুলিয়ে রাখে। অথচ এই ভুলে যাওয়াই মানুষের জীবনের সবচাইতে বড় ভুল



পোষাক পরিচ্ছদ ব্যবহারেও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সুন্নাহসম্মত রীতিনীতিকে প্রাধান্য দিতে হবে


আজকাল মুসলমান নারী পুরুষ সকলের মধ্যেই পোষাক পরিচ্ছদ ব্যবহারে এত বেশী কাফির মুশরিক ইহুদী নাসারা তথা বিধর্মী বিজাতীদের অনুসরন অনুকরন করা হচ্ছে যার ফলে একজন মুসলমানকে দেখে বুঝাই সম্ভব নয় সে আদৌ মুসলমান কি-না। অথচ, মুসলিম উম্মাহ এমন এক জাতি উনাদেরকে



জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর