RAJARBAGER POTHE -blog


...


 


অমুসলিম পিতা-মাতার প্রতি সদ্বব্যবহার করার বিধান


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম স্কীর্ণতায় বিশ্বাসী নয়; বরং উদারতা তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাই তো পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পিতা-মাতা ইসলামবিদ্বেষী হওয়া সত্ত্বেও তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাই পিতা-মতা অমুসলিম হলেও তাদের সাথে পিতৃ-মাতৃ সম্পর্কিত আত্মীয়তার আচারণ করা



‘মৃত্যু’র কথা কি আপনার স্মরণে আছে…?


ব্যস্ততা, ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। পরিবার, সন্তানাদি, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েই কেটে যাচ্ছে প্রতিটি দিন। কখনো আনন্দ, কখনো দুঃখ নিয়ে আর চিন্তা-টেনশনতো আছেই। এসবের কারনে চলমান জীবনের এই চাকা যে কোনো একসময় বন্ধ হবে এবং বন্ধ হবার পর কি হবে -এই ভাবনা চিন্তা, ফিকিরটুকু



বিধর্মীরা মুসলমানগণের সূত্র চুরি করে নিজেদের জ্ঞানী ভাবছে


এই পৃথিবীতে জ্ঞান বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়েছেন মুসলমানগণ। দীর্ঘ দিন ইউরোপ শাসনকালে মূর্খ ইউরোপিয়ানরা মুসলমানগণের জ্ঞানভাণ্ডার সীমাহীন লুটপাট করেছে। সম্মানিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের জ্ঞান চুরি করে নিজেদের নামে এই সব সূত্র ও আবিষ্কার প্রচার করছে। আজ জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে পরা মুসলমানগণ উনাদের সে সম্পদ



প্রসঙ্গ : দেশব্যাপী গুগলের ছবি সংগ্রহ আধুনিকায়নের নামে আমরা গিনিপিক হতে চাই না


পারমাণবিক শক্তিধর একমাত্র মুসলিম দেশ পাকিস্তান। শান্তি-শৃংখলার সাথেই পাকিস্তানবাসী দিনাতিপাত করছিলো। কিন্তু তথাকথিত আধুনিকায়ন তাদের ইতমিনান কেড়ে নিলো। ডিজিটালাইজড করতে দেশব্যাপী ছবি সংগ্রহ করা হয়। এক্ষেত্রে সে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চল সব কিছুরই ভিডিও করা হয় এবং



ভেঙ্গে দিন মোর অলসতা


কাছে থেকেও আছি দূরে অলসতারই কারণে ভেঙ্গে দিন মোর অলসতা চাহি আপনায় প্রাণপণে। দায়েমী হোক কোশেশ আপনায় পাওয়ার সাধনে আপনায় পেলে সবই পাবো জীবন আর মরণে। প্রতিটি মুহূর্ত কাটে যেন আক্বা আপনারই স্মরণে শূন্য আমি শূন্যই রবো মামদূহ আপনি বিহনে। ভাবি



সমান অধিকারের জন্য আন্দোলনকারী নারীরা কি নির্বোধ?


’৭০-এর দিকে পাশ্চাত্যের বিধর্মী নারীরা পুরুষের সমান অধিকারের জন্য আন্দোলনে নামে। মুসলিম নারীর অধিকার সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। অসংখ্য পবিত্র আয়াতে কারিমা উনার মধ্যে মহিলাদের অধিকার বর্ণনা হয়েছে। তবে স্পষ্ট ভাষায়



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা থেকেই খ্রিস্টানরা তাদের কথিত যিশুর জন্মদিন পালন করার শিক্ষা পেয়েছে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সুমহান দিন পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে শুরু থেকেই অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদেরসহ পরবর্তী তাবিয়ীন উনাদের যুগে এবং তৎপরবর্তী প্রত্যেক



আরবী দ্বিতীয় মাস উনার নাম ‘ছফর’ রাখার কতিপয় কারণ


আরবী মাস উনার দ্বিতীয় মাস ‘পবিত্র ছফর শরীফ’। ‘ছফর’ শব্দটি একবচন। এর বহুবচন আছফার। ‘ছফর’ শব্দের অর্থ এবং এ নামে মাসটির নামকরণ সম্পর্কে কয়েকটি বর্ণনা পাওয়া যায়। (১) ‘ছফর’ অর্থ খালি হওয়া। পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার পূর্ববর্তী ‘পবিত্র মুহররমুল হারাম



পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ খাইরুল কুরুন বা শুরুতেই ছিলো


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা তিনি উনার বাড়িতে কিছু লোকজন একত্রিত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত



কারো প্রতি যুলুম করার অর্থ হলো তার হক্ব বা অধিকার নষ্ট করা; যা কঠিন কবীরাহ গুনাহ ও জাহান্নামী হওয়ার


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘তোমরা কি জানো, কোন্ ব্যক্তি গরিব?’ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা বললেন, ‘আমাদের মধ্যে গরিব হচ্ছে ঐ



তওবা’র মধ্যেই নতুন জীবন


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তওবা কর, খালিছ তওবা; অবশ্যই তোমাদের রব তোমাদের গুণাহসমূহ মুছে দিবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে



মুনাফিকী হতে খালিস তওবা ইস্তেগফার করে ঈমানদার মুসলমান হওয়া ছাড়া নাজাতের কোন উপায় নাই


  আজকাল প্রায় শুনা যায়, আসলে আমরা নামে মুসলমান, কাজে আমরা বিধর্মী বিজাতী। অর্থাৎ দাবী করা হয় মুসলমান আর ঈমানদারীর কিন্তু আমল আখলাকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ নিষেধ পালন করার কোন নজির নেই। উল্টো সম্মানিত ইসলামী