মুহম্মদ রায়হান উদ্দীন -blog


...


 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননাকারীদের প্রতি বিখ্যাত কয়েকজন খলীফা


আমীরে শো’বাহ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জানতে পারলেন যে, বনু হানিফার এক মসজিদে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রিসালাত মুবারক অস্বীকারকারী ও



স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশের


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْـنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَفَّظُ مِنْ هِلَالِ شَعْبَانَ مَا لَا يَتَحَفَّظُ مِنْ غَيْرِهِ.



যে সমস্ত মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করবে তারা কুফরী করবে। তাই পহেলা বৈশাখ পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের মহান রব তায়ালা উনার সম্মানিত হুকুম মুবারক উনার উপর অবিচল বা দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফির তথা মজুসী, মুশরিক, হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, নাছারা এবং মুনাফিকদেরকে অনুসরণ করো না।’ কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে



পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ রোযা রাখা নিয়ে দেওবন্দী-খারিজী মৌলুভীদের এতো গাত্রদাহ কেন?


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস আসলেই কতিপয় চিহ্নিত খারিজী দেওবন্দী মৌলুভী লিখে থাকে- পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ উনার রোযাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাথে মূল্যায়ন করা যাবে না। কারণস্বরূপ তারা বলে এই দিনে নাকি মহান আল্লাহ পাক তিনি বা মহান আল্লাহ পাক



কোনো মুসলমান কখনোই তেরেসার মতো মহিলাদের ‘মাদার’ বা ‘মা’ বলতে পারে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে স্পষ্টভাবেই বলে দিয়েছেন কারা মুসলিম উম্মাহ তথা সকল মুসলমানদের মাতা অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জাওযা উনারাই হলেন উম্মুল মু’মিনীন। উনাদের মুবারক ফযীলত



কৃত ওলীআল্লাহ উনাদেরকে অনুসরণ করা উম্মতের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অনুসরণ করো, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর উনাদেরকে অনুসরণ করো।’ সুবহানাল্লাহ!



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা, পিতা-মাতা, উস্তাদ অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীনদার পরহেযগার ব্যক্তি উনাদের ক্বদমবুছী বা


বাতিল ফিরক্বা ওহাবী খারিজী লা-মাযহাবী জামাতী দেওবন্দী তাবলীগী- এরা সকলেই পবিত্র সুন্নত আমল ক্বদমবুছী উনাকে নাজায়িয, বিদয়াত ও শিরক বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! যদিও তারা তাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো দলীল পেশ করতে পারেনি এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত পারবেও না ইনশাআল্লাহ! কেননা ক্বদমবুছী



ইমামতির জন্য বা ইমাম হওয়ার জন্য শর্ত 


ইমাম হওয়ার জন্য অনেক শর্ত-শারায়িত উল্লেখ রয়েছে। তবে যেসব শর্ত না হলে কারো জন্য মসজিদের ইমাম হওয়া কিংবা ইমাম নিয়োগ দেয়া উচিত নয় তা হচ্ছে- (১) ক্বিরায়াত বিশুদ্ধ হওয়া, (২) ইমাম হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়িল জানা এবং ক্বলবী ইলম তথা ইলমে



মু’মিন-মুত্তাক্বীগণ উনারাই লাভ করেন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার নিয়ামত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য মু’মিন-মুত্তাক্বীগণ উনারা সর্বদা উদগ্রীব থাকেন। সবসময় তালাশ করেন কিভাবে সেই শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত মুবারক লাভ করা যায়, কোথায় পাওয়া যায়, কখন পাওয়া



হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফযীলত ও মর্যাদা


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী। কারণ উনাদের মর্যাদার উৎসই হচ্ছেন আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারক। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উনাদের সততা, বিশ্বস্ততা, শরাফত, আত্মত্যাগ, সদাচার, আল্লাহভীতি, তাক্বওয়া, ইহসান, সহানুভূতি,



সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনাকে মুহব্বত করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক


সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। তাই উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত মুবারক বেমেছাল। উনার মুহব্বত হচ্ছে



ছি! অমুসলিম-বিধর্মীরা কতবেশি দুর্গন্ধময়!!


ইউরোপিয়ান খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নাকে শাস্তি স্বরূপ অনেকেই গোলাপফুল শুঁকাতো। কারণ খ্রিস্টানগুলো গোলাপের সুগন্ধি সহ্য করতে পারতো না। কথায় আছে- শুকর শুঁকতে পারে না- আতরের ঘ্রাণ। ইউরোপিয়দের এই দুর্গন্ধময় ইতিহাস নিয়ে তাদের নিজস্ব ঘরানার ঐতিহাসিক সেন্ডর মারাই লিখেছে, ইউরোপিয়ান বারজিউসরা উনবিংশ শতাব্দীর