প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


পবিত্র শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধকারী বা নিরুৎসাহিতকারীরা সবচেয়ে বড় জালিম


সম্প্রতি করোনা ভাইরাস গযবের কারণে কাফির বিশ্ব একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে এবং জাহান্নামী হয়ে যাচ্ছে। কাফিরদের এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের এজেন্ট ও অনুসারী মুসলমান নামধারী কিছু দেশ ও গোষ্ঠী মসজিদে আযান পরিবর্তন সহ জামায়াত নিষিদ্ধ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানদের



সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِشَاءَ فَإِذَا سَجَدَ وَثَبَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ عَلَى ظَهْرِهِ فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ أَخَذَهُمَا بِيَدِهِ مِنْ خَلْفِهِ أَخْذًا رَفِيقًا



সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে খেলাধুলা হারাম। একটি হারাম খেলা বহু হারামকে টেনে আনে


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হারাম থেকে হারামেরই সৃষ্টি হয়।” এ চিরন্তন সত্য কথার আলোকে হারাম খেলাধুলা থেকে আরও বহু হারাম পয়দা হয়। যেমন- ১. সময় নষ্ট হয়। ২. পয়সা নষ্ট হয়। ৩. কাজ নষ্ট হয়। ৪. নামায



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড-! আর বঙ্গবন্ধুর মানহানী করলে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া সব। সুবহানাল্লাহ! উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা, কায়িনাতের সকলের জন্য ফরয। আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষন করা, উনার শান-মানের খেলাফ কথা



পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং



চারু ও কারু বলতেই কেন পাঠ্যপুস্তকে ছবি-ভাস্কর্য নিয়ে আসা হচ্ছে? বাংলার মুসলিম শাসনামলের ক্যালিগ্রাফি ও স্থাপত্যশিল্পগুলো কি কারো চোখে


পবিত্র মুসলিম শরীফ উনার একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, “হযরত সাঈদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট এসে বললো, আমি এমন এক ব্যক্তি যে প্রাণীর ছবি অংকন করি, সুতরাং



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ, যা পালন করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ



কতইনা বেমেছাল শান মান উনার অধিকারী সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি


আরবী পঞ্চম মাস উনার নাম পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ। পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলতের মধ্যে একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এ মাসে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৩য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন আলাইহিস



যে শব্দগুলো মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয়


শব্দ ব্যবহারের কুচিন্তায় যোগসাধনের ষড়যন্ত্র ইহুদী খৃস্টানদের ঐতিহ্যগত প্রবৃত্তি। স্বয়ং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়ও ইহুদী খৃস্টানদের এরূপ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার ছিল। কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা রঈনা বলো না উনজুরনা বলো এবং শ্রবণ কর (বা



পবিত্র কালিমা শরীফ নিয়ে সালাফী ওহাবীদের কুফরী আপত্তির জবাব


সালাফীরা গোমরাহীর এতটাই অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়েছে যে তারা পবিত্র কালিমা শরীফ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” অস্বীকার করে। তারা বলে এই কালিমা শরীফ শিরিক। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি এটাও বলে কালিমা শরীফ হাদীছ শরীফে নেই। এখানেই তারা থেমে



বিধর্মী বিজাতীরা তাদের কথিত ধর্ম সংস্কৃতি পালনে কোন কমতি করেনা


আসলে এটা শুধু একটি অমুসলিম জাতি নয়। সকল প্রকার বিধর্মী বিজাতী কাফির মুশরিক গং তাদের ধর্ম পালনে, তাদের কালচার পালনে, তাদের সংস্কৃতি লালনে কোনপ্রকার কমতি বা গাফলতি করেনা। অর্থাৎ তারা এতই গুমরাহ পথভ্রষ্ট যে, তারা কখনোই সোজা সরল পথ পেলেও তাদের



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইলমে গইব উনার অধিকারী। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কেননা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বায়িদ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন আলিমুল গইব। আর মহান