প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইলমে গইব উনার অধিকারী। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কেননা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বায়িদ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন আলিমুল গইব। আর মহান



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মান-মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝতে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু



মুসলমানদের ঈমান রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার মহান রব তায়ালা উনার নাম মুবারক স্মরণ করে পাঠ করুন যিনি সৃষ্টি করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সকলের জন্য ইলম



বাজেট ঘাটতি পূরণে পবিত্র আশূরা পালনে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরী


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম উপলক্ষে তার পরিবারকে ভালো খাদ্য খাওয়াবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে এক বছরের জন্য



সকল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মা’ছূম বা নিষ্পাপ।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি (হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম) উনাদের প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক পাঠাতাম।’ সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সকল হযরত নবী



মাহে মুহররমুল হারাম শরীফ উনার বিশেষ বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ


১ মুহররমুল হারাম: আমিরুল মুমিনীন, খলীফায়ে ছালিছ, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। ২ মুহররমুল হারাম: সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ যবিহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। ৫ মুহররমুল হারাম: ক) সাইয়্যিদাতুনা হযরত



কেউ যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রতি বিশ্বাসী হয়, তবে অবশ্যই তাকে কাফির-মুশরিকদের শত্রু


মুসলমান পুরুষ-মহিলা প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে, কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু হিসেবে জানা। কোনো মুসলমান যদি কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু মনে না করে, তাহলে সে মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কেননা, সে মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হুকুম বা আদেশ-মুবারক অস্বীকার বা



‘মুক্তমনা’ বিষয়টি মুসলমানদের জন্য নয়, এটি অমুসলিম-নাস্তিকদের জন্যই খাছ


মডারেট বা আধুনিকতার নামে এখন বিশেষ একটি শব্দের ব্যবহার খুব শুনা যাচ্ছে। সেটি হলো -‘মুক্তমনা’। শব্দটিকে একটু ব্যাখ্যা করলে মোটামুটি বুঝা যায় এরকম- মনের মাঝে যা আসে তাই করা বা বলা। অর্থাৎ মনের স্বাধীনতা। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই মনের স্বাধীনতা বা



ঈদে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড


প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড করল বাংলাদেশ। গত মাসে প্রবাসীরা যে পরিমাণ আয় পাঠিয়েছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে এত আয় আগে কখনো আসেনি। মে মাসে প্রবাসীদের পাঠানো ১৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৪ হাজার ৮৩৫



নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে


“নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে।” -ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি। বৈশাখী পূজা ও অ-মঙ্গল যাত্রার প্রতিটি অংশই বিধর্মী-বিজাতীয়দের অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন- নববর্ষতো বাঙালির উৎসব; এটা হিন্দুদের বা বৌদ্ধৈদের



সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন মুবারক


কুল মাখলূক্বাতের যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি উনার শিআর বা নিদর্শনসমূহকে তা’যীম-তাকরীম বা সম্মান করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। আর বলার অপেক্ষা রাখে না, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রজবুল হারাম মাস উনার নামকরণ:


পবিত্র রজব মাসের নাম রজব হওয়ার ব্যাপার নানারূপ মতো রয়েছে। মূলত, রজব শব্দটি ‘তারজীব’ শব্দ হতে নির্গত। তারজীব শব্দের অর্থ কোনো জিনিস তৈরি করা বা অগ্রসর হওয়া। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “মাহে রজবে