প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ, যা পালন করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ



কতইনা বেমেছাল শান মান উনার অধিকারী সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি


আরবী পঞ্চম মাস উনার নাম পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ। পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলতের মধ্যে একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এ মাসে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৩য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন আলাইহিস



যে শব্দগুলো মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয়


শব্দ ব্যবহারের কুচিন্তায় যোগসাধনের ষড়যন্ত্র ইহুদী খৃস্টানদের ঐতিহ্যগত প্রবৃত্তি। স্বয়ং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়ও ইহুদী খৃস্টানদের এরূপ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার ছিল। কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা রঈনা বলো না উনজুরনা বলো এবং শ্রবণ কর (বা



পবিত্র কালিমা শরীফ নিয়ে সালাফী ওহাবীদের কুফরী আপত্তির জবাব


সালাফীরা গোমরাহীর এতটাই অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়েছে যে তারা পবিত্র কালিমা শরীফ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” অস্বীকার করে। তারা বলে এই কালিমা শরীফ শিরিক। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি এটাও বলে কালিমা শরীফ হাদীছ শরীফে নেই। এখানেই তারা থেমে



বিধর্মী বিজাতীরা তাদের কথিত ধর্ম সংস্কৃতি পালনে কোন কমতি করেনা


আসলে এটা শুধু একটি অমুসলিম জাতি নয়। সকল প্রকার বিধর্মী বিজাতী কাফির মুশরিক গং তাদের ধর্ম পালনে, তাদের কালচার পালনে, তাদের সংস্কৃতি লালনে কোনপ্রকার কমতি বা গাফলতি করেনা। অর্থাৎ তারা এতই গুমরাহ পথভ্রষ্ট যে, তারা কখনোই সোজা সরল পথ পেলেও তাদের



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইলমে গইব উনার অধিকারী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইলমে গইব উনার অধিকারী। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কেননা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বায়িদ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন আলিমুল গইব। আর মহান



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মান-মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝতে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু



মুসলমানদের ঈমান রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার মহান রব তায়ালা উনার নাম মুবারক স্মরণ করে পাঠ করুন যিনি সৃষ্টি করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা, জিন-ইনসান সকলের জন্য ইলম



বাজেট ঘাটতি পূরণে পবিত্র আশূরা পালনে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরী


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম উপলক্ষে তার পরিবারকে ভালো খাদ্য খাওয়াবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে এক বছরের জন্য



সকল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মা’ছূম বা নিষ্পাপ।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি (হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম) উনাদের প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক পাঠাতাম।’ সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সকল হযরত নবী



মাহে মুহররমুল হারাম শরীফ উনার বিশেষ বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ


১ মুহররমুল হারাম: আমিরুল মুমিনীন, খলীফায়ে ছালিছ, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। ২ মুহররমুল হারাম: সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ যবিহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। ৫ মুহররমুল হারাম: ক) সাইয়্যিদাতুনা হযরত



কেউ যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রতি বিশ্বাসী হয়, তবে অবশ্যই তাকে কাফির-মুশরিকদের শত্রু


মুসলমান পুরুষ-মহিলা প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে, কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু হিসেবে জানা। কোনো মুসলমান যদি কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু মনে না করে, তাহলে সে মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কেননা, সে মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হুকুম বা আদেশ-মুবারক অস্বীকার বা