প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন আলাইহিস সালাম উনার রচিত সম্মানিত কবিতা বা ক্বাছীদা শরীফ


আবূ উছমান মাযানী নাহবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি- اللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ أَنْ يُكَلِّفَ الْعِبَادَ مَا لَا يُطِيقُونَ،ৃ وَهُمْ أَعْجَزُ مِنْ أَنْ يَفْعَلُوا مَا يُرِيدُونَ. অর্থ:



ভারতের দখল থেকে তালপট্টি দ্বীপ উদ্ধারের জন্য সরকার কি কোন উদ্যোগ নিবে?


১৯৭০ সালের বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের পর বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র সীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। ক্রমেই দ্বীপটির আয়তন বৃদ্ধিও পাচ্ছে। তখন অনেকে আশা করেছিলেন, দ্বীপটি একসময় বিশালাকার ধারণ করবে এবং বাংলাদেশের জন্য তা আশীর্বাদ হয়ে ওঠবে। বাস্তবে দেখাও গিয়েছিলো সেটা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত



মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন পবিত্র সুন্নত মুবারক জিন্দাকারী পাশাপাশি


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয়তম হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে আসমানী ওহী প্রেরণের অবসান ঘটিয়েছেন। এরপর মানুষকে প্রশিক্ষিত ও নিবিষ্ট করার দায়িত্বে যুগে যুগে নিয়োজিত থাকেন ওয়ারাছাতুল আম্বিয়াগণ তথা



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা: সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ


করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই নানা ধরণের তথ্য প্রচার করছে। যা নিয়ে অনেকেই অহেতুক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের কি করণীয়, সে সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা মুবারক দান করেছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা মুবারক সম্পর্কে স্পষ্ট থেকে স্পষ্ট, বিশুদ্ধ থেকে বিশুদ্ধতম আক্বায়িদ মুবারক শিক্ষা


ছাহিবু ইলমিল আউওয়ালি ওয়াল ইলমিল আখিরি, ক্বইয়ূমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম



পবিত্র শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধকারী বা নিরুৎসাহিতকারীরা সবচেয়ে বড় জালিম


সম্প্রতি করোনা ভাইরাস গযবের কারণে কাফির বিশ্ব একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে এবং জাহান্নামী হয়ে যাচ্ছে। কাফিরদের এহেন কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের এজেন্ট ও অনুসারী মুসলমান নামধারী কিছু দেশ ও গোষ্ঠী মসজিদে আযান পরিবর্তন সহ জামায়াত নিষিদ্ধ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমানদের



সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِشَاءَ فَإِذَا سَجَدَ وَثَبَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ عَلَى ظَهْرِهِ فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ أَخَذَهُمَا بِيَدِهِ مِنْ خَلْفِهِ أَخْذًا رَفِيقًا



সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে খেলাধুলা হারাম। একটি হারাম খেলা বহু হারামকে টেনে আনে


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হারাম থেকে হারামেরই সৃষ্টি হয়।” এ চিরন্তন সত্য কথার আলোকে হারাম খেলাধুলা থেকে আরও বহু হারাম পয়দা হয়। যেমন- ১. সময় নষ্ট হয়। ২. পয়সা নষ্ট হয়। ৩. কাজ নষ্ট হয়। ৪. নামায



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড-! আর বঙ্গবন্ধুর মানহানী করলে


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া সব। সুবহানাল্লাহ! উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা, কায়িনাতের সকলের জন্য ফরয। আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষন করা, উনার শান-মানের খেলাফ কথা



পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং



চারু ও কারু বলতেই কেন পাঠ্যপুস্তকে ছবি-ভাস্কর্য নিয়ে আসা হচ্ছে? বাংলার মুসলিম শাসনামলের ক্যালিগ্রাফি ও স্থাপত্যশিল্পগুলো কি কারো চোখে


পবিত্র মুসলিম শরীফ উনার একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, “হযরত সাঈদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট এসে বললো, আমি এমন এক ব্যক্তি যে প্রাণীর ছবি অংকন করি, সুতরাং



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ, যা পালন করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ