প্রভাতের সূর্য -blog


...


প্রভাতের সূর্য
 


সৃজনশীল-এর দোহাই দিয়ে জাতিকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র: ৫২ শতাংশের বেশি শিক্ষক এখনো সৃজনশীল বোঝে না


দেশে অর্ধেকের বেশি (৫২.০৫%) মাধ্যমিক শিক্ষক কথিত সৃজনশীল পদ্ধতি বোঝেই না। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের একাডেমিক পরিদর্শন প্রতিবেদন তা-ই বলছে। চলতি ২০১৭ সালের গত মে মাসে ১৮ হাজার ৫৯৮টি মাধ্যমিক স্কুলে পরিদর্শন করে মাউশি তা জানতে পেরেছে। তা



গণতন্ত্র হলো সকল হারাম কাজের মূল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হালাল স্পষ্ট, হারাম স্পষ্ট। আর উছূলের কিতাব উনার মধ্যে রয়েছে, হালাল থেকে হালালই বের হয় আর হারাম থেকে হারামই বের হয়। এখন এই গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে হারাম। যেটা আমরা দেখতে পাই, এ গণতন্ত্রের



চতুর্থ খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ খুছুছিয়াত তথা বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলী মুবারক


শেরে খোদা, ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খুছুছিয়াত ও গুণাবলী মুবারক বহুবিধ। প্রথমত তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



শহরের বাইরে কুরবানী উনার হাট হলে গরু আনতে অনেক কষ্ট হবে


ঢাকা উত্তরের প্রায় প্রতিটি কুরবানী উনার হাট-ই মেট্রোপলিটনের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত, যাদের অবস্থান অনেকটা দুর্গম এলাকায় এবং সেখান থেকে গরু কিনে বাসায় নিয়ে আসা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ও খরচের ব্যাপারও বটে। ঢাকা শহরে মতো একটি মেগাসিটিতে হাটসমূহের এত দূরবর্তী অবস্থান সত্যিই কষ্টদায়ক



আশ্চর্য হলেও সত্য এ কেমন ’’ মা ”


১. গরু হচ্ছে পুংলিঙ্গ। অর্থাৎ মেল। এখন এই গরুকে মা ডাকা হয় কোন যুক্তিতে? ২.গাভী দুধ দেয়। সেই দুধ বিক্রি করে পয়সা কামায়। এ কেমন সন্তান যে তার মায়ের দুধ বিক্রি টাকা কামায়? ৩.একটা নির্দিষ্ট সময় পরে গাভী দুধ দেয়ার ক্ষমতা



পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি দিন ছুটি প্রদান অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল।



পবিত্র কুরবানী নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী মহলের চক্রান্ত অব্যাহত


পবিত্র কুরবানী নিয়ে এদেশে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল প্রতি বছরই নানা ধরনের চক্রান্ত করে যাচ্ছে। যেমন বিগত বছরগুলোতে যেসব ষড়যন্ত্র করেছিলো তার কিছু নমুনা এখানে তুলে ধরা হলো- ২০০৭ সালে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়- ‘কুরবানী না করে



পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে



পহেলা বৈশাখ অমঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা কি করে মুসলমানদের জন্য জায়িয হতে পারে?


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের পর উনার প্রতি নাযিলকৃত পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার হুকুম তথা আদেশ-নিষেধ বাদ দিয়ে অন্য কোনো দ্বীন-ধর্ম ও মতবাদের অনুসরণ অনুকরণ জায়িয নেই। বরং অনুসরণ



পবিত্র সুন্নত তথা দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত হাদিয়া করবেন এবং সর্বোচ্চ সম্মানে অধিষ্ঠিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! তবে তাঁকে অবশ্যই হাক্বীকী ‘বান্দা’ ও ‘উম্মত’ হতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ



সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ-


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ- বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি



যাহরায়ী নকশার এক অনন্যা আলোকবর্তিকা


  লাইলাতু ইছনাইনিল আযীম। ছলাতুল মাগরিব কেবল সমাপ্ত হয়েছে। চাঁদনী কিরণে ভুবন মোহিত। তবে আজকের প্রকৃতি অন্য রকম। আজ সারা কায়িনাত স্বয়ং বারী তায়ালা কর্তৃক-সুসজ্জিত। মাখলুকাত মাঝে ঈদ আর ছলাতের বান। আর এত আয়োজনের প্রেক্ষাপটও একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব কেন্দ্রিক। উম্মুল উমামী