প্রভাতের সূর্য -blog


...


 


ঈদে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড


প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড করল বাংলাদেশ। গত মাসে প্রবাসীরা যে পরিমাণ আয় পাঠিয়েছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে এত আয় আগে কখনো আসেনি। মে মাসে প্রবাসীদের পাঠানো ১৭৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১৪ হাজার ৮৩৫



নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে


“নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে।” -ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি। বৈশাখী পূজা ও অ-মঙ্গল যাত্রার প্রতিটি অংশই বিধর্মী-বিজাতীয়দের অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন- নববর্ষতো বাঙালির উৎসব; এটা হিন্দুদের বা বৌদ্ধৈদের



সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন মুবারক


কুল মাখলূক্বাতের যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি উনার শিআর বা নিদর্শনসমূহকে তা’যীম-তাকরীম বা সম্মান করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। আর বলার অপেক্ষা রাখে না, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রজবুল হারাম মাস উনার নামকরণ:


পবিত্র রজব মাসের নাম রজব হওয়ার ব্যাপার নানারূপ মতো রয়েছে। মূলত, রজব শব্দটি ‘তারজীব’ শব্দ হতে নির্গত। তারজীব শব্দের অর্থ কোনো জিনিস তৈরি করা বা অগ্রসর হওয়া। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “মাহে রজবে



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র নাম মুবারক হযরত যয়নব আলাইহাস সালাম। কুরাইশ গোত্রের বনু আসাদ বংশে উনার বিলাদত শরীফ। উনার সম্মানিত পিতার নাম হযরত জাহাশ আলাইহিস সালাম,



দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ নেই, সে জন্যই- অপপ্রচারকারীরা বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে


বেড়েই চলছে কুলাঙ্গারদের অপপ্রচার। অনলাইনে-অফলাইনে কোথায় তারা নেই। সবখানেই প্রতিনিয়ত তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধারক-বাহক সুমহান ব্যক্তিত্বগণ উনাদের নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে, মিথ্যা ইতিহাস রচনা করে তারা



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বোনাস চালু করুন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “সমস্ত কাফির-মুশরিক মুসলমানদের শত্রু। তোমরা কখনই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না” এবং তাদেরকে অনুসরণ করিও না। কাজেই নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজ হোক, আরবী



অতিসত্বর সুন্নতী বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের



উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত উম্মে হাবীবা বিনতে আবি সুফিয়ান আলাইহাস সালাম। তিনি কুরাইশ গোত্রের উমাইয়া শাখার অন্তর্ভূক্ত। হযরত হাবীবাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মেয়ের নাম, সেজন্য



পূজায় বরাদ্দকৃত টাকাগুলো কি মুসলমানদের নয়?


প্রতি বছর সরকার অমুসলিম বিধর্মীদের পূজায় কোটি কোটি টাকা ও টনে টনে চাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। প্রশাসনকেও কড়াভাবে নির্দেশ দিয়ে দেয়- দেশের আনাচে কানাচের ছোট বড় কোনো একটি পূজা মন্ডপও যেন এই বরাদ্দকৃত অর্থ ও চাল থেকে বঞ্চিত না হয়। বাংলাদেশের



নারীদের জন্য ইলম অর্জন যেমনি ফরজ, পাশাপাশি পর্দা রক্ষা করাও ফরজ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আমাদেরকে দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন- رَبِّ زِدْنِـىْ عِلْمًا অর্থ: “আয় আমার রব আপনি আমার ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اُطْلُبُوا



মুসলিম জনঅধ্যুষিত দেশে নামকরণের ক্ষেত্রে ইসলামী ও মুসলমানী ইতিহাস ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলতে হবে


রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম ঘোষিত, ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থানা কিংবা জেলা এবং সেখানকার রাস্তাঘাট, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি হিন্দুয়ানী বা বিজাতি বিধর্মীদের নামে নামকরণ থাকার কারণে ইচ্ছা অনিচ্ছায় একজন মু’মিন মুসলমান উনাদেরকে কথাবার্তা, আলোচনা লেখনী ইত্যাদিতে সেগুলোর নাম স্মরণ করতে হয়।