প্রভাতের সূর্য -blog


...


প্রভাতের সূর্য
 


পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে



পহেলা বৈশাখ অমঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা কি করে মুসলমানদের জন্য জায়িয হতে পারে?


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের পর উনার প্রতি নাযিলকৃত পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার হুকুম তথা আদেশ-নিষেধ বাদ দিয়ে অন্য কোনো দ্বীন-ধর্ম ও মতবাদের অনুসরণ অনুকরণ জায়িয নেই। বরং অনুসরণ



পবিত্র সুন্নত তথা দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত হাদিয়া করবেন এবং সর্বোচ্চ সম্মানে অধিষ্ঠিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! তবে তাঁকে অবশ্যই হাক্বীকী ‘বান্দা’ ও ‘উম্মত’ হতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ



সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ-


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র আযীমুশ শান ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ- বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি



যাহরায়ী নকশার এক অনন্যা আলোকবর্তিকা


  লাইলাতু ইছনাইনিল আযীম। ছলাতুল মাগরিব কেবল সমাপ্ত হয়েছে। চাঁদনী কিরণে ভুবন মোহিত। তবে আজকের প্রকৃতি অন্য রকম। আজ সারা কায়িনাত স্বয়ং বারী তায়ালা কর্তৃক-সুসজ্জিত। মাখলুকাত মাঝে ঈদ আর ছলাতের বান। আর এত আয়োজনের প্রেক্ষাপটও একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব কেন্দ্রিক। উম্মুল উমামী



গিরিশচন্দ্র কর্তৃক পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুবাদের প্রকৃত ইতিহাস


গিরিশচন্দ্রের অনুবাদ দেখে যদি কেউ মনে করে, মৌলবাদী হিন্দুরা মহাজ্ঞানী (!) ছিলো, কিংবা গিরিশচন্দ্র আরবী ভাষায় পারদর্শী ছিলো, তাহলে সেটা হবে তার ইতিহাসজ্ঞানের অভাব। তৎকালীন সময়ে ফারসী ও উর্দুতে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার তরজমা প্রচলিত ছিলো। মুসলমানগণ ফারসী-উর্দু পড়তে পারতেন, বিপরীতে



মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর ৩২২ দিন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে



ইহকালে যা উপার্জন করা হয়েছে, পরকালে তাই খরচ করতে হবে। মুফতে কিছু মিলবে না


আমরা এক মাসে যা আয় করি পরবর্তী মাসে তা থেকে ব্যয় করি। কোনো মাসে আয় কম হলে পরবর্তী মাসে কষ্টে জীবন চলে। মানব জীবনের অন্য দিক ইহজীবন এবং পরজীবনে একই নিয়ম চালু আছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আছে- এই দুনিয়া



ব্রাজিলে খনির বর্জ্য ফেলার জায়গায় বিস্ফোরণ বাধ ভেঙ্গে পুরো গ্রাম কাদামাটির নিচের চাপা


  ব্রাজিলের একটি খনিতে ভূমিধসে অন্তত ১৭ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো অর্ধশতাধিক। এখনো নিখোঁজ রয়েছে অনেকে। দেশটির দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় মিনাস গেরাইস প্রদেশের একটি খনির বর্জ্য ফেলার জায়গায় বিস্ফোরণ হলে বাঁধ ভেঙে ঘন, পুরু, লাল রঙের বিষাক্ত কাদামাটির



পবিত্র কারবালা শরীফ উনার নির্জন প্রান্তরে সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


৬১ হিজরী সনের ১০ মুহররমুল হারাম শরীফ সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সপরিবারসহ কারবালার নির্জন প্রান্তরে সম্মানিত শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করেন। মূলত, উনাদের এই শাহাদাত মুবারক উনার পিছনে নিঃসন্দেহে কাফির



রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: ‘দেশকে বাঁচাতে হলে সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে’


‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সুন্দরবন বিধ্বংসী সব প্রকল্প বাতিল কর, দেশী-বিদেশী লুটেরাদের কবল থেকে সুন্দরবন রক্ষা কর, বাঁচাও সুন্দরবন’ সেøাগানে সুন্দরবন রক্ষা অভিযাত্রার পথসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ফরিদপুরের মধুখালীতে। ঢাকা থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত এ অভিযাত্রার আয়োজক সিপিবি-বাসদ। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা-খুলনা



মুসলমান দাবি করে যারা কাফির-মুশরিকদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা, বেশ-ভূষা গ্রহণ করে তাদের কাফিরই দাবি করা উচিত


মুসলমান দাবি করে, পরিচয় দিয়ে যদি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়ম-নীতি, হুকুম-আহকাম পালন করা না হয়, মুসলমানদের লেবাস বা পোশাক পরিধান করা না হয়, সুন্নত পালন করা না হয়, মোট কথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে