ইসলাম কিংডম -blog


egypt


 


মক্কার ইতিহাস


মক্কার ইতিহাস ও অবস্থান মক্কা সেমিটিক ভাষা বাক্কা থেকে উৎকলিত, যার অর্থ উপত্যকা। পবিত্র কুরআনের এক জায়গায় মক্কার নাম ‘বাক্কা’ বলে উল্লিখিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:  (নিশ্চয় প্রথম ঘর, যা মানুষের জন্য স্থাপন করা হয়েছে, তা বাক্কায় (মক্কায়)। যা বরকতময় ও



পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার


পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার এমন এক হক যা আল্লাহ তাআলা আল কুরআনের অনেক জায়গায় নিজের হকের সাথে সংযুক্ত করে উল্লেখ করেছেন। এমন হক, যা সবার জন্য অবশ্য পালনীয়, যা পালন না করলে সফলতা আসে না। আল্লাহ তা’আলা বলেন :‘তোমরা ইবাদত কর আল্লাহর,তাঁর



শাওয়াল মাসের ছয় রোজা


নফল ইবাদাতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য লাভ       : আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার কোনো বন্ধুর সাথে শত্রুতা করবে, তার বিরুদ্ধে আমার যুদ্ধের ঘোষণা রইল। আমার বান্দা যে সমস্ত জিনিস



ঈদের নামায ও ঈদের আমলসমূহ


ঈদ, ইবাদত ও খুশি-আনন্দ প্রকাশ এবং বৈধ খাদ্য গ্রহণের মাঝে সমন্বয় ঘটিয়েছে। এ কারণেই ঈদ খুশি-আনন্দ ও খাওয়া দাওয়ার পর্ব। তবে ঈদের দিন এমন কোনো গর্হিত কাজ করা যাবে না, যা ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের সাথে মিলে না। যেমন নারী-পুরুষের সংমিশ্রণ।



লায়লাতুল কদরের ফজিলত এবং এই রাত এর ইবাদত ও দোআ


লায়লাতুল কদরের ফজিলত ও মর্যাদা: ১- লায়লাতুল কদরেই পবিত্র কুরআন নাযিল করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন : (নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি ‘লাইলাতুল কদরে।) [ সূরা আল কাদ্র:১]। ২ – লায়লাতুল কদর হাজার মাস থেকেও উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন: (লায়লাতুল কদর



সদকায়ে ফিতর বা ফিতরা


সদকায়ে ফিতর হলো- রমজানান্তে রোজা ভঙ্গকেন্ত্রিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক আরোপিত সদকা। যেহেতু রমজনান্তে ফিতর তথা  রোজা ভঙ্গ করা হয়, তাই এ সদকাকে সদকায়ে ফিতর বলা হয়। সদকায়ে ফিতরকে ফিতরা, যাকাতুল ফিতর, সদকাতুল ফিতর ইত্যাদিও বলা হয়। সদকায়ে ফিতরের হুকুম:



যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তাবলী ও নিসাব


যাকাত ফরজ হওয়ার কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো পূর্ণ হলেই যাকাত ফরজ হবে, শর্তগুলো নিম্নরূপঃ ১ – ইসলাম, অতএব অমুসলিমের পক্ষ থেকে যাকাত প্রদান শুদ্ধ হবে না। ২ – স্বাধীনতা, অতএব দাসের ওপর যাকাত ফরজ হবে না। ৩ – নিসাব পরিমাণ সম্পদের



যাকাতের অন্যতম কিছু উপকারিতা


যাকাত হলো আত্মা, সম্পদ ও সমাজকে বিশুদ্ধকারী ও সম্পদ বৃদ্ধিকারী। আর যাকাত হলো ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য ধার্যকৃত অধিকার বা পাওনা। যাকাতের গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। যাকাতকে ইসলামের পঞ্চমূলে অন্তর্ভুক্ত করা যাকাতের গুরুত্ব ও মর্যাদার সুস্পষ্ট প্রমান। যাকাতের অন্যতম কিছু উপকারিতা নিম্নে



ইসলামি শরীয়তে যাকাতের অবস্থান ও যাকাতের ফজিলত


আভিধানিক অর্থে যাকাত: বৃদ্ধি পাওয়া, বর্ধিত হওয়া। শরয়ী পরিভাষায় যাকাত: নির্দিষ্ট পরিমান সম্পদ যা সুনির্দিষ্ট সময় বিশেষ মানবগোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়। যাকাতের অবস্থান: যাকাত ইসলামের ফরজকর্মসমূহের একটি এবং ইসলামের তৃতীয় রুকন। আল্লাহ তাআলা বলেন: (তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত প্রদান



রোজার রুকন, রোজায় যা বৈধ, রোজার মুস্তাহাব ও রোজার মাকরুহসমূহ


অনেকেই কষ্ট করে রোজা রাখে, কিন্তু রোজা কি শুদ্ধ হচ্ছে? রোজার মাসায়েলগুলো জানা না থাকার কারনে হয়ত আপনার রোজা শুদ্ধ হচ্ছে না, তাই রোজার রুকন, রোজায় যা বৈধ, রোজার মুস্তাহাব, ও রোজার মাকরুহসমূহ জানা থাকা দরকার। রোজার রুকনসমূহ: প্রথম রুকন: সুবেহ



যেভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমজানকে


আল্লাহ থেকে দূরে, পাপে-অন্যায়ে কালের শূন্য গর্ভে লীন হয়ে হয়ে গোনাহের কালিমায় ডুবন্ত হৃদয়ে খসে গেছে যার জীবন থেকে অজস্র ক্ষণ রমজান তার দরজায়, নির্বাক দাঁড়িয়ে রহমত, মাগফিরাত, মুক্তির শত আহ্বান নিয়ে। আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য রেখেছেন বড়-বড় কিছু উপলক্ষ্য, মৌসুম,



বিভিন্ন বিষয়ে যা কিছু প্রথম


কিয়ামতের বড় আলামত গুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম আলামত: পশ্চিম দিক হইতে সূর্য উদিত হওয়া। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম সুপারিশকারী: মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। জান্নাতিরা জান্নাতে প্রবেশ করার পর তাঁদের সর্বপ্রথম খাবার হবে: মাছের কলিজা। কিয়ামতের দিন মানুষের যে অঙ্গ সর্বপ্রথম কথা বলবে এবং