ইসলাম কিংডম -blog


egypt


 


ঈদের নামায ও ঈদের আমলসমূহ


ঈদ, ইবাদত ও খুশি-আনন্দ প্রকাশ এবং বৈধ খাদ্য গ্রহণের মাঝে সমন্বয় ঘটিয়েছে। এ কারণেই ঈদ খুশি-আনন্দ ও খাওয়া দাওয়ার পর্ব। তবে ঈদের দিন এমন কোনো গর্হিত কাজ করা যাবে না, যা ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের সাথে মিলে না। যেমন নারী-পুরুষের সংমিশ্রণ।



লায়লাতুল কদরের ফজিলত এবং এই রাত এর ইবাদত ও দোআ


লায়লাতুল কদরের ফজিলত ও মর্যাদা: ১- লায়লাতুল কদরেই পবিত্র কুরআন নাযিল করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন : (নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি ‘লাইলাতুল কদরে।) [ সূরা আল কাদ্র:১]। ২ – লায়লাতুল কদর হাজার মাস থেকেও উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন: (লায়লাতুল কদর



সদকায়ে ফিতর বা ফিতরা


সদকায়ে ফিতর হলো- রমজানান্তে রোজা ভঙ্গকেন্ত্রিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক আরোপিত সদকা। যেহেতু রমজনান্তে ফিতর তথা  রোজা ভঙ্গ করা হয়, তাই এ সদকাকে সদকায়ে ফিতর বলা হয়। সদকায়ে ফিতরকে ফিতরা, যাকাতুল ফিতর, সদকাতুল ফিতর ইত্যাদিও বলা হয়। সদকায়ে ফিতরের হুকুম:



যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তাবলী ও নিসাব


যাকাত ফরজ হওয়ার কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো পূর্ণ হলেই যাকাত ফরজ হবে, শর্তগুলো নিম্নরূপঃ ১ – ইসলাম, অতএব অমুসলিমের পক্ষ থেকে যাকাত প্রদান শুদ্ধ হবে না। ২ – স্বাধীনতা, অতএব দাসের ওপর যাকাত ফরজ হবে না। ৩ – নিসাব পরিমাণ সম্পদের



যাকাতের অন্যতম কিছু উপকারিতা


যাকাত হলো আত্মা, সম্পদ ও সমাজকে বিশুদ্ধকারী ও সম্পদ বৃদ্ধিকারী। আর যাকাত হলো ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য ধার্যকৃত অধিকার বা পাওনা। যাকাতের গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। যাকাতকে ইসলামের পঞ্চমূলে অন্তর্ভুক্ত করা যাকাতের গুরুত্ব ও মর্যাদার সুস্পষ্ট প্রমান। যাকাতের অন্যতম কিছু উপকারিতা নিম্নে



ইসলামি শরীয়তে যাকাতের অবস্থান ও যাকাতের ফজিলত


আভিধানিক অর্থে যাকাত: বৃদ্ধি পাওয়া, বর্ধিত হওয়া। শরয়ী পরিভাষায় যাকাত: নির্দিষ্ট পরিমান সম্পদ যা সুনির্দিষ্ট সময় বিশেষ মানবগোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়। যাকাতের অবস্থান: যাকাত ইসলামের ফরজকর্মসমূহের একটি এবং ইসলামের তৃতীয় রুকন। আল্লাহ তাআলা বলেন: (তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত প্রদান



রোজার রুকন, রোজায় যা বৈধ, রোজার মুস্তাহাব ও রোজার মাকরুহসমূহ


অনেকেই কষ্ট করে রোজা রাখে, কিন্তু রোজা কি শুদ্ধ হচ্ছে? রোজার মাসায়েলগুলো জানা না থাকার কারনে হয়ত আপনার রোজা শুদ্ধ হচ্ছে না, তাই রোজার রুকন, রোজায় যা বৈধ, রোজার মুস্তাহাব, ও রোজার মাকরুহসমূহ জানা থাকা দরকার। রোজার রুকনসমূহ: প্রথম রুকন: সুবেহ



যেভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমজানকে


আল্লাহ থেকে দূরে, পাপে-অন্যায়ে কালের শূন্য গর্ভে লীন হয়ে হয়ে গোনাহের কালিমায় ডুবন্ত হৃদয়ে খসে গেছে যার জীবন থেকে অজস্র ক্ষণ রমজান তার দরজায়, নির্বাক দাঁড়িয়ে রহমত, মাগফিরাত, মুক্তির শত আহ্বান নিয়ে। আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য রেখেছেন বড়-বড় কিছু উপলক্ষ্য, মৌসুম,



বিভিন্ন বিষয়ে যা কিছু প্রথম


কিয়ামতের বড় আলামত গুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম আলামত: পশ্চিম দিক হইতে সূর্য উদিত হওয়া। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম সুপারিশকারী: মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। জান্নাতিরা জান্নাতে প্রবেশ করার পর তাঁদের সর্বপ্রথম খাবার হবে: মাছের কলিজা। কিয়ামতের দিন মানুষের যে অঙ্গ সর্বপ্রথম কথা বলবে এবং



আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে কিছু জ্ঞাতব্য ও লক্ষণীয় বিষয়


আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে কিছু জ্ঞাতব্য ও লক্ষণীয় বিষয় ১- নিশ্চয় আল্লাহর সমস্ত নামই অতীব সুন্দর। আল্লাহ তা’আলা বলেন: {আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম।} [সূরা: আরাফ, আয়াত: ১৮০।] ২- আল্লাহর গুণাবলী ও নামসমূহের অনেক বাস্তবিক অর্থ রয়েছে,



নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্য সর্বোত্তম খাদ্য


রিযক অন্বেষণ করা, জীবনধারণের উপকরণ সন্ধান করা, ইসলামী শরীয়তের একটি স্পষ্ট নির্দেশ। মানবাত্মাও প্রকৃতিগতভাবে রিযক অন্বেষণের পেছনে ছুটে চলে। আর আল্লাহ তাআলা দিনকে করেছেন জীবিকা অর্জনের সময়কাল। তিনি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছেন ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করতে এবং তাঁর দেয়া রিযক ভোগ করতে। শুধু



মানুষের ভালোবাসা প্রাপ্তি ও অন্তর জয়ের মাধ্যম


আল্লাহর খাতিরে, পরকালীন কল্যাণের আশায় মানুষের হৃদয় আকৃষ্ট করার প্রতি ইসলাম খুবই গুরুত্ব দিয়েছে। প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন মানুষের কল্যাণ কামনায় ও তাদের হৃদয় আকৃষ্ট করায় সর্বশ্রেষ্ঠ। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা, অসহায় মানুষের বোঝা বহন, মেহমানদারি, বিপদে-আপদে