রিয়াদুজ্জামান -blog


...


রিয়াদুজ্জামান
 


ক্বওমীদের ‘শুকরিয়া মাহফিল’: আ. শফীগংদের কুফরী প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা মাত্র


যে খবরটা নিয়ে এ লেখার অবতারনা; খবরটি হলো- ‘ক্বওমী মাদরাসাকে সরকারী সনদ দেয়ার আইন পাস হওয়ায় খুশি হয়ে শুকরিয়া স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্বওমীদের গুরু আ. শফীগং রাজধানীতে একটি শুকরিয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানটি হবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী জনসভার মাঠে। সেখানে প্রধান



সুমহান ২৮ ছফর শরীফ: পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দেদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী


মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী দ্বিতীয় সহস্রাব্দের (একাদশ হিজরী শতকের) মহান মুজাদ্দিদ, আফদ্বালুল আউলিয়া, কাইয়্যুমে আউওয়াল শাহ ছূফী শায়েখ আহমদ ফারূক্বী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী সিরহিন্দী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি ১০৩৪ হিজরী সনের ২৮ পবিত্র ছফর শরীফ মাসে প্রায়



আপনি কি সম্মানিত রহমত উনার সমস্ত দরজা সমূহ খোলাতে চান? মাগফিরাত এবং নাজাত লাভ করতে চান? তাহলে পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী


“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ক্বদমবুছী বা পদচুম্বন করা খাছ সুন্নত। বিদয়াত-শিরক বলা কাট্টা কুফরী


‘ক্বদম’ শব্দের অর্থ হলো ‘পা’। আর ‘বুছী’ শব্দটি ফার্সী যার অর্থ হলো চুম্বন করা। সুতরাং ক্বদমবুছীর অর্থ দাঁড়ায় পা চুম্বন বা পদ চুম্বন করা। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণ উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে পূজামন্ডপ হলে প্রতিবাদ করুন ও প্রশাসনকে জানান


আগামী কিছু দিনের মধ্যেই বাংলাদেশের সংখ্যলুঘু অচ্ছুৎ জনগোষ্টী হিন্দুদের পূজা অনুষ্ঠান দূর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্নস্থানে তারা এ উপলক্ষে মন্ডপ বানানোর আয়োজনও শুরু করেছে। প্রতিবছরই দেখা যায়, দেশের অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, অলিগলি ও স্কুল মাঠ দখল করে এসব পূজামন্ডপ তৈরি



আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক


সাইয়্যিদাতুন নিসা ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا. অর্থ:



সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার তাক্বওয়াপূর্ণ ন্যায়বিচার সকলের জন্যই অনুসরণীয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে তাক্বওয়া সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ. অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত যিনি



মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?


কিছুদিন আগে ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও



যে ক্বওমীদের সাথে সরকারের আজ এত দহরম তাদের অতীত কি ক্ষমতাসীনরা ভুলে গেছে?


আজকে কওমী মাদরাসার সংশ্লিষ্টরা যদিও সন্ত্রাসবাদের কথা অস্বীকার ও সন্ত্রাসীপনার নামে বিড়াল তওবা করছে; সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্র বলায় সরকারকে খুব বড় বড় হুমকি-ধামকি দিচ্ছে, তারপরও কিন্তু তারা সে সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত নয় বা সন্ত্রাসবাদের দায় এড়াতে পারে না। কারণ এইতো সেদিন, খুব



সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত কারামত মুবারক


লক্ষ-কোটি দূরূদ ও সালাম যিনি যামানার মূল, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ আমাদের প্রাণপ্রিয় শায়েখ, আমাদের আক্বা ক্বিবলা কা’বা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং নূরে জাহান, গুলে মদীনা, নূরে মুবীনা, কায়িম-মাক্বামে ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম, আমাদের প্রাণপ্রিয় হযরত



খবরে এসেছে-“মাদ্রাসা পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে জিহাদ অধ্যায়”


খবরের ভেতরে বলা হচ্ছে- “বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের নতুন পাঠ্যবইয়ে জিহাদ শিক্ষা বিষয়ক কোনও অধ্যায় থাকছে না। গত চার দশকে এ বিষয়ে এটাই প্রথম উদ্যোগ। আলিয়া বোর্ডের পাঠ্যবই থেকে জিহাদ সম্পর্কিত সব অধ্যায় বাদ দেওয়া হচ্ছে। ২০১৮ সালে এসব বই বিতরণ করা



পবিত্র লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল বরাতসহ ইসলামের খাছ রাত্রিগুলোতে কতিপয় মসজিদে তালা ঝুলানো থাকে কেন?


সাম্প্রতিককালে দেখা যায়, ইসলামের বিশেষ বিশেষ রাত্রিতে বিভিন্ন মসজিদের দরজায় তালা ঝুলানো থাকে! বিশেষ করে দেখা যায়, পবিত্র লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত উনার রাতে মসজিদের দরজায় তালা ঝুলিয়ে রাখে! অথচ মসজিদের হক্ব হলো- মসজিদে গিয়ে ইবাদত-বন্দেগী করা।