আহমেদ সাহারা হোসাইন -blog


...


 


যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তারা নিঃসন্দেহে উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী অর্থাৎ গুমরাহ বা বিভ্রান্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ফযল-করম মুবারক এবং মহাসম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



পবিত্র মি’রাজ শরীফ স্বশরীর মুবারক-এই হয়েছেন


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র “মি’রাজ শরীফ” হয়েছেন সশরীর মুবারকে। এটাই সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা। আক্বাঈদের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে- “পবিত্র মিরাজ শরীফ



আপনি কি বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করতে চান?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে, উনার যিনি প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বান্দা-বান্দী, উম্মত, জিন-ইনসানদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন, বুঝিয়ে দিয়েছেন



জান্নাত নসীব হয়


মৃদু মৃদু হাওয়া বয় সারা কায়িনাতময় পাখ-পাখালিরা খুশিতে মশগুল রয় ঈদী সাজে সজ্জিত হয়। আসমান হতে রহমত ঝরে ঈদে বিলাদতে নাওয়াসীদ্বয়ে খুশিতে তুলি মোরা তাকবীর ধ্বনি মীলাদ শরীফ পড়ি মোরা সকলে মিলি। মামদূহজী করিলেন ইরশাদ মুবারক সাইয়্যিদাতাল উমামী বিলাদত শরীফে যারা



প্রসঙ্গ : ছবি তোলা হারাম ……


ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা সবই হারাম। এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে:- كُلُّ مُصَوِّرٍ فِى النَّارِ. অর্থ: “প্রত্যেক ছবি তোলনেওয়ালা জাহান্নামী।” ছবি ঘরে রাখলে রহমত আসে না। ছবি যে ঘরে থাকবে সে ঘরে নামায পড়লে নামায



“৯৭ ভাগ মুসলমান উনাদের কি দুর্বল ঈমানটুকুও নেই?”


গত ১৮ মে ২০১৩ ঈসায়ী তারিখে প্রকাশিত একটি পত্রিকার একটি হেডিং ছিলো এরূপ- “শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের মাঠে অনুশীলন করে ইরানের নারী ফুটবল দল”। এই বিষয়টি দেখে খুবই হতবাক হলাম। কারণ প্রথমত তারা সবাই ছিলো একটি মুসলিম দেশের অধিবাসী। অর্থাৎ পবিত্র



প্রধানমন্ত্রীর নিকট খোলা চিঠি ,,,


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আসসালামু আলাইকুম। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান করো। তোমরা তোমাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করে ঘর থেকে বের হয়ো না।” এ দেশজুড়ে চলছে সম্ভ্রমহানি, নারী টিজিং, এসিড নিক্ষেপের বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও ফিতনা। এ ফিতনা



পবিত্র মি’রাজ শরীফ সত্য এবং চিরন্তন সত্য


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক দীদার দিয়েছেন। মূলত এটিই হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ



ইমাম আবু আবদিল্লাহ জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস্ সালাম উনার সীমাহীন পবিত্রতম কারামত মুবারক


মুসতাজাবুদ দাওয়াত ও ইমামুছ ছিদ্দীক্বীনঃ তিনি মুসতাজাবুদ দাওয়াত ও ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন হওয়ার কারণে, প্রতিটি কথা মুবারক, কাজ মুবারক বলা, করা বা ইরাদা মুবারক করার সাথে সাথেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তা বাস্তবায়ন করেন। এই দুই লক্বব মুবারক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি



পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ মুসলমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন


  অনেক মুসলমানগণ পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ কি, পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ কোন মাসের কোন দিন কোন তারিখে, এই রাত্রে কি করতে হবে তা কিন্তু জানে না। পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ হচ্ছে- পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছম্ম মাস উনার পহেলা জুমুয়া



শেষ রাতের এক রুদ্ধশ্বাস অপারেশন


শেষ রাতের এক রুদ্ধশ্বাস অপারেশন। যাকে মানুষ বলছে অপারেশন শাপলা চত্বর। প্রায় দশ হাজার র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবির যৌথ অ্যাকশন। টার্গেট শাপলা চত্তর থেকে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদেরকে হটানো। শেষ রাতে তাদের কেউ কেউ তখন রাস্তা  বা ফুটপাতে শুয়ে। কেউ আবার স্লোগান দিচ্ছেন।