আহমাদ সাক্বালাইন -blog


...


 


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব, সম্মান মর্যাদা-মর্তবা উনার বিষয়টি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম ও দয়াদান ইহছান হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য



সমস্ত নারী কুলের তরে এক মহান নিয়ামত, নিয়ামতে উজমা হলেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত “উম্মুল উমাম” আলাইহাস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর, তাহলে তোমাদের নিয়ামতকে আরো বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে। সুবহানাল্লাহ! মূলতঃ সমস্ত উম্মাহ কুলের তরে এমন এক নিয়ামত তথা নিয়ামতে উজমা উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনি হাদিয়া করেছেন যাঁর যথাযথ



হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বিলায়েত মুবারক হচ্ছে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার স্থলবর্তী সম্মানিত নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নিয়ামতপ্রাপ্ত সে বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি



ইতিহাসে আলোচিত কিছু মুসলিম ব্যক্তিত্ব, যারা বিধর্মীদেরকে ভালোবেসে তাদের দ্বারাই প্রতারিত-নিগৃহীত-অপমানিত হয়েছিল


‘অসাম্প্রদায়িকতা’ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ এসব চটকদার কথা আমাদের দেশের কথিত বুদ্ধিজীবীদের মুখে প্রতিনিয়তই শোনা যায়। টকশো-সর্বস্ব এসব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দালালদের বিপরীতে ইতিহাসে মশহুর এমনও কিছু প্রতিভাবান মুসলিম ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যারা প্রথমজীবনে বিধর্মীদের সমাদর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়েছিলেন। মুহম্মদ মনিরুজ্জামান রচিত,



দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ রাতসমূহের মধ্যে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ অন্যতম


মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ রাতসমূহের মধ্যে একটি রাত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার রাত। যেটা আমরা পবিত্র শাবান মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে পালন করে থাকি। আর শবে বরাত অর্থ: মুক্তি বা নাজাতের রাত অর্থাৎ ‘শব’ ফার্সী শব্দ



দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আদব


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ الْإِسْلَامُ অর্থ: ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছেন ইসলাম।’ (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৯) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক



সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং তারা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই দুটি



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তাঘাটে কেন পূজা করতে দেয়া হচ্ছে, পূজাতো মন্দিরের বিষয়


আমাদের দেশে বর্তমানে প্রকাশ্যে মাঠে-ঘাটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজা করাটা খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অধিকাংশ মুসলমানই এরূপ ধারণা করে থাকে যে, মূর্তিপূজারীরা তাদের ধর্ম পালন করছে, তারা তো কারো কোনো ক্ষতি করছে না। কিন্তু মুসলমানদের এই ধারণা সম্পূর্ণই ভুল। কারণ



সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সম্মানিত সুসংবাদ মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عن حَضْرَتْ على كرم الله وجهه عَلَيْهِ السَّلَامُ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أتانى حَضْرَتْ ملك عَلَيْهِ السَّلَامُ فقال يا سيدنا مولنا محمد صلى الله عليه وسلم إن



কুরবানী পশুর হাট বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান প্রকৃতপক্ষে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদেরই বিরোধীতা করা


বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারের ক্ষমতায় আসার অন্যতম প্রতিশ্রুতি হচ্ছে, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না। কিন্তু উক্ত সরকার স্বীয় প্রতিশ্রুতি আদৌ রক্ষা করতে পারেনি। নাউযুবিল্লাহ! আর উক্ত প্রতিশ্রুতি বা ওয়াদা তারা রক্ষা করতে



কেন দেশী গরু কিনা উচিত? এবং কেন ভারতীয় গরু কিনবেন না?


নিম্নমানের ভারতীয় গরু কিনবেন না। কারণ- ১। খাদ্যের অভাবে ভারতীয়রা যেমন কচুঘেচু খায়, তেমনি তাদের গরুগুলো কিছু খেতে না পেয়ে প্লাস্টিক খায়। ভারতের প্রতিটি মৃত গরুর পেটে ৩০ কেজি প্লাস্টিক পাওয়া যায়। ২। বিপরীতে আমাদের খামারীরা গরুকে খাওয়ায় উন্নত মানের খাবার।



জিকায় আক্রান্ত হতে পারে আমেরিকার ৩০-৪০ লাখ মানুষ


আগামী এক বছরে উত্তর এবং দক্ষিণ অ্যামেরিকার দেশগুলোতে জিকা ভাইরাসে ত্রিশ থেকে চল্লিশ লাখ পর্যন্ত মানুষ আক্রান্ত হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আগে বিস্ফোরকের মতো ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে সতর্কতা জারি করে সংস্থাটি। এদিকে,