সেনাপতি -blog


...


 


আপন মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে অন্য দেশের সাথে এ কেমন বন্ধুত্ব?


আপন মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে অন্য দেশের সাথে এ কেমন বন্ধুত্ব? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বদেশের প্রতি মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান



বিধর্মীদের দোকানপাট থেকে কেনাকাটায় মুসলমানদের বিরত থাকার বিকল্প নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার (মহান আল্লাহ পাক উনার) শত্রু এবং তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রু (কাফির, মুশরিক, ইহুদী, নাসারা ইত্যাদি) তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) প্রসঙ্গত উল্লেখ্য



ভারতীয় মুসলমানরা এখন কি করবে ?


ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ছাত্র সমাজ এনআরসি ও নাগরিক সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন-বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভ বা আন্দোলনে জনসমাগমও কম ছিলো না। অনেক এলাকায় পুলিশ সে সব আন্দোলন দমানোর জন্য গুলি ছুড়েছে বা লাঠিচার্জ করেছে। তবে এই আন্দোলনে মোদি সরকার তার অবস্থান



বাল্যবিবাহ বিরোধীরা তিন শ্রেণীভুক্ত ১. কাফির ২. মুনাফিক ৩. উলামায়ে ‘সূ’


প্রথমতঃ সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যেই ইহুদী, নাছারারা তথা তাবৎ কাফির-মুশরিকরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে আসছে। যেমন- ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন



খেলাধুলা মানুষকে নির্বোধ ও অনুভূতিশূন্য করে দিচ্ছে 


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মুতাবিক ফুটবল, ক্রিকেটসহ সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম ও নাজায়িয। অথচ আফসুস, এসব খেলাধুলার জন্য খেলোয়াড়রাসহ দর্শকরাও হার-জিতে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করে। এই সকল লোকদের মাঝে অনেকেই আবার নিজেদেরকে ঈমানদার মুসলমান দাবি করে থাকে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ও



পর্দার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক


পর্দা করা ফরয। কিন্তু বর্তমানে তথাকথিত মুসলমানরা পর্দা করার ব্যপারে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। বিশেষ করে যারা পর্দা করতে মানুষকে উৎসাহ দিবে, যারা আলিম তারাই পর্দা করছে না। নাউযুবিল্লাহ! নিম্নে পর্দা সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক উল্লেখ করা হলো। যার মধ্যে সবার



বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন কাট্টা কুফরী এবং কাফির ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ


কুল-কায়িনাতের যিনি নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যই কাট্টা কাফির, মুশরিক ব্রিটিশরা ১৯২৯ ঈসায়ী সনে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করেছিল। নাউযুবিল্লাহ!“ সেই আইন আজো



পবিত্র পর্দা পালন ও পবিত্র সুন্নত উনার অনুসরণে খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাফসা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু বিষয়



আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক পাঠ করার, আলোচনা করার এবং উনার সম্মানিত


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, اِنَّ ذِكْرَ الصَّالـحِيْنَ تَنْزِلُ الرَّحْمَةُ অর্থ: “নিশ্চয়ই ওলীআল্লাহগণ উনাদের আলোচনা মুবারক করলে সম্মানিত রহমত মুবারক নাযিল হয়।” সুবহানাল্লাহ্! (ইহইয়ায়ে ‘উলূমিদ্দীন, ফাদ্বাইলে আশারাহ লিযামাখশারী, কাশফুল খফা) এখন বলার বিষয় যে, যদি ওলীআল্লাহ



আজব ভাতীয় ঋণ এ এগিয়ে চলছে সুন্দরবন ধ্বংসের মহোৎসব


আজব ভাতীয় ঋণ এ এগিয়ে চলছে সর্বনাশা রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ঘেঁষে রামপালে ভারতের তাগিদে তাদের ঋণসহায়তায় যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের বহুমুখী সর্বনাশের পথ উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।



মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় নয় ,বিধর্মীপ্রীতিতে অসাম্প্রদায়িক’ সাজতে শাসকগোষ্ঠী মত্ত ।


মুসলমানদের স্বার্থরক্ষায় নয় ,বিধর্মীপ্রীতিতে অসাম্প্রদায়িক’ সাজতে শাসকগোষ্ঠী মত্ত । বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম



সিসিটিভি স্থাপনার কারণে মুসলমানদের মানবাধিকার, গোপনীয়তার মৌলিক অধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, æপ্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী।প্রত্যেক মুসলমানের দ্বীনী অধিকার হচ্ছে ছবি না তোলা। অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য ছবি তোলা হারাম, কবীরা গুনাহ এবং কুফরী। দ্বীনী অধিকার বিশেষ মৌলিক অধিকার,