সেনাপতি -blog


...


 


পবিত্রতা ও শান্তি লাভ করতে হলে সঠিক জায়গায় যাকাত আদায় করতে হবে


সম্মানিত ইসলাম উনার পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় স্তম্ভ হচ্ছেন পবিত্র যাকাত। পবিত্র যাকাত আর্থিক ইবাদতসমূহের মধ্যে অন্যতম। প্রত্যেক ধনী মুসলমানদের উপর পবিত্র যাকাত আদায় করা ফরয। পবিত্র যাকাত শব্দটি আরবী। উনার অর্থ পবিত্রতা বা বৃদ্ধি। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় যাকাত হল



সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনে হীনম্মন্যতা- এটা মুসলমানের পরিচয় হতে পারে না


একজন মুসলমান মারা গেলে তাকে সুন্নতী তর্জ-তরীকা অনুযায়ী গোসল, কাফন, দাফন ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করা হয়। অর্থাৎ মারা গেলে প্রত্যেককে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় সম্মানিত সুন্নত পালন করতে হচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে অনেকেই সম্মানিত সুন্নত পালন করতে অনীহা প্রকাশ করে। এখন একজন ফাসিক মুসলমানকেও



অবশেষে গউছুল আ’যম উনার পিছনে নামায পড়ার সৌভাগ্য নছীব হলো। সুবহানাল্লাহ!


হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের লক্বব মুবারক সমূহের মধ্যে একটি বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছে গউছুল আ’যম। গউছুল আ’যম লক্বব মুবারক উনার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মহান আশ্রয়দাতা, মহান পরিত্রাণ দানকারী ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, যার উসীলায় বা যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার



আপন মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে অন্য দেশের সাথে এ কেমন বন্ধুত্ব?


আপন মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে অন্য দেশের সাথে এ কেমন বন্ধুত্ব? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বদেশের প্রতি মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান



বিধর্মীদের দোকানপাট থেকে কেনাকাটায় মুসলমানদের বিরত থাকার বিকল্প নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার (মহান আল্লাহ পাক উনার) শত্রু এবং তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রু (কাফির, মুশরিক, ইহুদী, নাসারা ইত্যাদি) তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) প্রসঙ্গত উল্লেখ্য



ভারতীয় মুসলমানরা এখন কি করবে ?


ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ছাত্র সমাজ এনআরসি ও নাগরিক সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন-বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভ বা আন্দোলনে জনসমাগমও কম ছিলো না। অনেক এলাকায় পুলিশ সে সব আন্দোলন দমানোর জন্য গুলি ছুড়েছে বা লাঠিচার্জ করেছে। তবে এই আন্দোলনে মোদি সরকার তার অবস্থান



বাল্যবিবাহ বিরোধীরা তিন শ্রেণীভুক্ত ১. কাফির ২. মুনাফিক ৩. উলামায়ে ‘সূ’


প্রথমতঃ সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যেই ইহুদী, নাছারারা তথা তাবৎ কাফির-মুশরিকরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে আসছে। যেমন- ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন



খেলাধুলা মানুষকে নির্বোধ ও অনুভূতিশূন্য করে দিচ্ছে 


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মুতাবিক ফুটবল, ক্রিকেটসহ সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম ও নাজায়িয। অথচ আফসুস, এসব খেলাধুলার জন্য খেলোয়াড়রাসহ দর্শকরাও হার-জিতে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করে। এই সকল লোকদের মাঝে অনেকেই আবার নিজেদেরকে ঈমানদার মুসলমান দাবি করে থাকে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ও



পর্দার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক


পর্দা করা ফরয। কিন্তু বর্তমানে তথাকথিত মুসলমানরা পর্দা করার ব্যপারে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। বিশেষ করে যারা পর্দা করতে মানুষকে উৎসাহ দিবে, যারা আলিম তারাই পর্দা করছে না। নাউযুবিল্লাহ! নিম্নে পর্দা সম্পর্কে একটি ওয়াকিয়া মুবারক উল্লেখ করা হলো। যার মধ্যে সবার



বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন কাট্টা কুফরী এবং কাফির ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ


কুল-কায়িনাতের যিনি নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যই কাট্টা কাফির, মুশরিক ব্রিটিশরা ১৯২৯ ঈসায়ী সনে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করেছিল। নাউযুবিল্লাহ!“ সেই আইন আজো



পবিত্র পর্দা পালন ও পবিত্র সুন্নত উনার অনুসরণে খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাফসা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু বিষয়



আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক পাঠ করার, আলোচনা করার এবং উনার সম্মানিত


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, اِنَّ ذِكْرَ الصَّالـحِيْنَ تَنْزِلُ الرَّحْمَةُ অর্থ: “নিশ্চয়ই ওলীআল্লাহগণ উনাদের আলোচনা মুবারক করলে সম্মানিত রহমত মুবারক নাযিল হয়।” সুবহানাল্লাহ্! (ইহইয়ায়ে ‘উলূমিদ্দীন, ফাদ্বাইলে আশারাহ লিযামাখশারী, কাশফুল খফা) এখন বলার বিষয় যে, যদি ওলীআল্লাহ