বোস্তামী আলম -blog


...


 


সিলেবাসের পরিবর্তন ছাড়া মুসলমানদের অধিকার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসার করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنَ اَبِــىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَقُوْلُ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اللَّهُمَّ ارْحَمْ خُلَفَائِـىْ قَالَ



কাবিল যেভাবে সমস্ত হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী, ঠিক সেভাবে বিশ্বের মুসলিম হত্যার জন্য বিধর্মীরা দায়ী


ফিলিস্তিনের গাজায় বর্তমানে ইসরায়েলিদের যে হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, তাতে সকলেই দোষারোপ করছে ইহুদিদের বন্ধু পাশ্চাত্যের খ্রিস্টানদেরকে। কিন্তু মুসলিম নির্যাতনের জন্য দায়ী এই যে বর্তমান বিশ্বের খ্রিস্টীয় মেরুকরণ, তার পেছনে কে দায়ী তা নিয়ে কিন্তু কেউই কোনো ফিকির করে না। বর্তমান বিশ্বের



যে বা যারা কথিত ছোঁয়াচে রোগ নামক শিরকী বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয়ে মুসলমানদেরকে মসজিদে যেতে নিরুৎসাহিত করছে, কাতারে ফাঁক ফাঁক


পবিত্র মসজিদে আসার ব্যাপারে বাধা প্রদান করা, নিষেধ করার বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার অত্যন্ত কঠিন সতর্কবাণী: পবিত্র মসজিদে আসার ব্যাপারে যারা বাধা প্রদান করে, নিষেধকারীদের প্রসঙ্গে স্বয়ং মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-



পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যেই রয়ে গেছে আসল সমস্যার সমাধান


পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়, প্রত্যেক নামাযের প্রত্যেক রাকাতে এ পবিত্র সূরা শরীফ পাঠ করার বাধ্যবাধকতা দেখে। একজন মানুষ দৈনিক ৫ ওয়াক্ত ফরয নামাযের ১৭ রাকাতে ১৭ বার, ৩ রাকাত ওয়াজিব নামাযে ৩বার এবং ১২ রাকাত সুন্নতে



পবিত্র শবে বরাত অস্বীকারকারীরা চরম বিদয়াতী ও গুমরাহ


আরবী বছরের যে পাঁচটি খাছ রাতে দোয়া কবুলের কথা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে ‘বরাত’ উনার রাত। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষায় পবিত্র শবে বরাত উনাকে “লাইলাতুম মুবারকা বা বরকতময় রজনী” এবং পবিত্র



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাকে ‘শিয়াদের ইমাম’ বলে অপপ্রচারকারীরা চরমভাবে বিভ্রান্ত


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের এদেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসের ঐতিহাসিক দিন পবিত্র ১০ই মুর্হরম শরীফ অর্থাৎ পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলোর এলোমেলো ভাষ্য বিশেষ করে হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাকে ‘শিয়াদের ইমাম’ বলে আখ্যায়িত করা; যা সত্যিই



বাঙালি মুসলমানরা কেন পাকিস্তানকে হারাতে পেরেছিল?


পাঞ্জাবী মুসলমানরা ছিল ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মূল স্তম্ভ ও সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যান্য যেসব জাতি, যেমন শিখ, রাজপুত, মারাঠা এরা ছিল পাঞ্জাবী ও পাঠানদের তুলনায় সামরিক বিচারে নিম্নশ্রেণীর। যে কারণে দেশবিভাগের সময়ে পাকিস্তানের ভাগে ভারতের তুলনায় কম



এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের চিহ্ন রয়ে গেছে আমাদের পাঠ্যবইগুলোতে!


এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের চিহ্ন রয়ে গেছে আমাদের পাঠ্যবইগুলোতে! ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু



কাফির মুশরিকদের পণ্য ব্যবহার করা থেকেও তাদের প্রতি ভালোবাসার সৃষ্টি হয়


কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার দই টক। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



মুসলমানদের মাঝে লজ্জাহীনতা ও বেহায়াপনা প্রবেশ করানোর জন্য কাফেরদের প্রচেষ্টা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘লজ্জা হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ’। মুসলমানদের যেহেতু ঈমান রয়েছে, সেহেতু উনাদের মধ্যে লজ্জা বিদ্যমান। কিন্তু কাফির-মুশরিকরা ঈমানহীন হওয়ার কারণে চরম লজ্জাহীন ও বেহায়া হয়ে থাকে। আর তাই তারা সবসময় চায় মুসলমানরাও যেন তাদের মতো



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অশেষ ফযীলত লাভের মহান উপলক্ষ্য


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য।