বোস্তামী আলম -blog


...


 


বাঙালি মুসলমানরা কেন পাকিস্তানকে হারাতে পেরেছিল?


পাঞ্জাবী মুসলমানরা ছিল ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মূল স্তম্ভ ও সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যান্য যেসব জাতি, যেমন শিখ, রাজপুত, মারাঠা এরা ছিল পাঞ্জাবী ও পাঠানদের তুলনায় সামরিক বিচারে নিম্নশ্রেণীর। যে কারণে দেশবিভাগের সময়ে পাকিস্তানের ভাগে ভারতের তুলনায় কম



এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের চিহ্ন রয়ে গেছে আমাদের পাঠ্যবইগুলোতে!


এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের চিহ্ন রয়ে গেছে আমাদের পাঠ্যবইগুলোতে! ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু



কাফির মুশরিকদের পণ্য ব্যবহার করা থেকেও তাদের প্রতি ভালোবাসার সৃষ্টি হয়


কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার দই টক। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



মুসলমানদের মাঝে লজ্জাহীনতা ও বেহায়াপনা প্রবেশ করানোর জন্য কাফেরদের প্রচেষ্টা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘লজ্জা হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ’। মুসলমানদের যেহেতু ঈমান রয়েছে, সেহেতু উনাদের মধ্যে লজ্জা বিদ্যমান। কিন্তু কাফির-মুশরিকরা ঈমানহীন হওয়ার কারণে চরম লজ্জাহীন ও বেহায়া হয়ে থাকে। আর তাই তারা সবসময় চায় মুসলমানরাও যেন তাদের মতো



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অশেষ ফযীলত লাভের মহান উপলক্ষ্য


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য।



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিনের ফযীলত ও আমল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত উম্মে সালামা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার প্রথম ১০ দিন



সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক এবং আখিরী যামানায় মুর্দা দিলের পুনরুজ্জীবন।


সময়ের কছম করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। কেবল তারা ব্যতীত, যারা পবিত্র ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে।” সময়ের গতি ও প্রবাহ অধিকাংশ মানুষকে প্রভাবিত করে। কালের ধারাবাহিকতায় আজকে যে যুগে আমরা বাস করছি পবিত্র



টিভি চ্যানেলগুলোই পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গেচুরে দিচ্ছে


আজ টিভি চ্যানেলগুলো মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করতে, চরিত্র নষ্ট করতে সস্তায়, অনেকক্ষেত্রে বিনামূল্যে ৯০-১০০টি চ্যানেল দেখার সুযোগ দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! বর্তমানে এদেশের বহু মানুষ টিভি চ্যানেলগুলোর এই অশ্লীল-অশালীন, কুপ্রবৃত্তিক উস্কানো চ্যানেলে আক্রান্ত যা আমাদের প্রজন্মের জন্য, আমাদের সমাজের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর। এসব



সরকারকে অবশ্যই ১লা বৈশাখের সরকারি ছুটি বাতিল করতে হবে


বাংলাদেশ শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। তাই এই দেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রাধান্য পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত দেখা যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখ আসলেই সারাদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একাকার হয়ে উৎসব পালন করে বেড়ায়। তখন দেখে বুঝবার



এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের কু-প্রভাব এ দেশ থেকে যায় নি; আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাই তার প্রমাণ


ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে তাজদীদ মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَّا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করো না।” (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত



যেখানে মানুষের কিংবা কোনো প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতাগণ উনারা প্রবেশ করেন না


হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ঘরে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না, যে ঘরে প্রাণীর মূর্তি বা প্রাণীর ছবি থাকে। (ফিকহাস