শাহজালাল -blog


...


 


পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র!


-কুরবানীর পশুর হাটকে শহরের বাইরে নেয়া হচ্ছে। -কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হচ্ছে। -সুবিধাজনক স্থানে পশু জবাই না করে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করার নির্দেশ। -১৮ বছরের নিচের কাউকে কুরবানীর পশু জবাই নিষিদ্ধ করার নির্দেশ। …এভাবেই একের পর এক কুরবানীর



মূর্তিপূজারীদের অভিশাপ থেকে মুক্ত না হলে বাংলাদেশে আজ নগরসভ্যতার কোনো চিহ্ন থাকতো না!


মূর্তিপূজারীদের অভিশাপ থেকে মুক্ত না হলে বাংলাদেশে আজ নগরসভ্যতার কোনো চিহ্ন থাকতো না! আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আজ আমরা ঢাকা, চট্টগ্রামের ন্যায় শহরগুলো দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু এই শহরগুলো একদিনে তৈরি হয়নি, ব্রিটিশ আমলে এগুলো আজকের দিনের



হারাম খেলার মাধ্যমে মানুষ যত গুনাহ করছে তার সবটাই উলামায়ে সূ’দের আমলনামায় যোগ হবে


খেলা নিয়ে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী কওমী-দেওবন্দী-জামাতীরা মাঝে মাঝে প্রচার করে বেড়াচ্ছে- ওমুক দল খেলার মাঠে নামায পড়েছে বলে তারা খেলায় জয়লাভ করেছে’ কিংবা অমুক দলকে আল্লাহ ফিরিশতা দিয়ে সাহায্য করে জিতিয়ে দিয়েছে’ (নাউযুবিল্লাহ)। উল্লেখ্য, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান



খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ নিয়ে চু-চেরা করা ইসামবিদ্বেষী মুনাফিকদের কাজ


বর্তমানে ইহুদীদের এজেন্ট হিসেবে মুসলমানদের ঈমান আমলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যারা, তারা হলো “উলামায়ে সূ”। ইহুদীদের এজেন্ট উলামায়ে ‘সূ’রা হারাম টিভি চ্যানেল, পত্র-পত্রিকা, কিতাবাদি ও বক্তব্য বা বিবৃতির মাধ্যমে খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলছে। অর্থাৎ তাদের বক্তব্য হচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত



দুনিয়ার বাড়ি-ঘরতো করা হলো, আখিরাতের বাড়ি-ঘর করা হয়েছে কি?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন সম্মানিত মিরাজ শরীফে তাশরীফ মুবারক নেন তখন দেখলেন একটি মনোরম বালাখানা তৈরি হচ্ছে; কিন্তু হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে গেল। তখন বিষয়টি উম্মতদেরকে অবহিত



বর্তমান যুগের মহাসম্মানিত আহলু বাইতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার একাধিক বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি তোমাদের (উম্মতদের) মাঝে দু’খানা মুল্যবান নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। উক্ত নিয়ামত মুবারক দু’খানা আঁকড়ে ধরে



পবিত্র ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ নিয়ামতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, সাকীনাপূর্ণ, মাগফিরাত ও নাজাতপূর্ণ দিন 


হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে



বাংলাদেশ কি মুসলিম প্রধান দেশ নয়?


বাংলাদেশের সরকার প্রধানসহ প্রায় সব এমপি-মন্ত্রী, আমলা-কামলা সকলেই নিজেদের মুসলমান দাবি করে। যদি তাই হয় তাহলে পত্র-পত্রিকায়, অনলাইনে, অফলাইনে যেভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান উনার খিলাফ চু-চেরাও কিলকাল করা হচ্ছে, নাউযুবিল্লাহ! তার বিরুদ্ধে



আল হাফিজ, নায়িবু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু ফাদ্বলি, খলীফায়ে ছালিছ, খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আখাচ্ছুল খাছ নৈকট্য-নিসবত প্রাপ্ত ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। নি¤েœ উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক সংক্ষিপ্তভাবে



হিদায়েত ও নছীহতের নিরূপমা দিশারী, নাজাতের কাণ্ডারী, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম তিনি


আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, ছাহিবু সুলত্বানিন্ নাছির, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুউল আউওয়াল, আওলাদে রসূল, আস্ সাফফা সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম এবং উনার ছাহিবাতুল মুকাররামা, ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত উম্মুল মু’মিনীন



শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান



আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী


আসমাউর রিজালসমূহের কিতাব থেকে নফসানিয়াত অনুযায়ী বক্তব্য উল্লেখ করে ওহাবী সালাফীরা যেভাবে মানুষকে ধোঁকা দেয়: برد بن سنان وثقه ابن معين ، والنساءي ، وضعفه ابن المديني قال ابو حاتم : ليس بالمتين. وقال مرة: كان صدوقا قدرياوقال ابو زرعة :