সীমান্ত ঈগল -blog


...


 


দ্বীন ইসলাম উনার চেয়ে বড় যখন দলের নেতা!


মওদুদীবাদী জামাতের যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললে জামাত-শিবির সেটার তীব্র প্রতিবাদ জানায়, হরতাল ডাকে, এমনকি রাগে ক্ষোভে মানুষ খুন করতেও ছাড়ে না। তাদের দলীয় নেতার মানহানীকর কোনো কথা প্রচার হলে সেটা তাদের অনুভূতিতে আঘাত হানে। ঠিক একই ভাবে কট্টর



মুসলমানদের ঈমানী পরিবেশ ও চেতনা রক্ষার্থে যত্রতত্র ও প্রকাশ্যে পূজা করা বন্ধ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র’। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এ দেশের রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম। এই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত



‘ইন্টারফেইথ ডায়লগ’ বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের বিরুদ্ধে এক সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অধিকাংশ আহলে কিতাব (ইহুদী-নাছারা) মুসলমানদের প্রতি হিংসাবশত চায়- ঈমান আনার পর পুনরায় কাফির বানিয়ে দিতে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ থেকে স্পষ্ট হয় যে, অধিকাংশ অমুসলিমরাই



বঙ্গবন্ধুর এই স্বপ্নটি পূরণ করার কি কেউ নেই..?


আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সবসময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের কথা বেশি বেশি বলে থাকে। তাদের দাবি, তাদের প্রতিটি কাজেরই উদ্দেশ্য হলো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করা। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর সেই নেতাকর্মীদের অনেকের মুখে রাষ্ট্রধর্ম থেকে ইসলাম বাদ দেয়ার কথা শুনা যায়। কিন্তু এটাও কি তাদের বঙ্গবন্ধুর



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম বুনিয়াদ হলেন পবিত্র যাকাত


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- وَاَقِيمُوا الصَّلوةَ وَاٰتُوا الزَّكَوةَ وَاَطِيعُوا الرَّ‌سُولَ. অর্থ : “আর তোমরা নামায কায়িম কর ও যাকাত প্রদান কর এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



মুসলমানরা ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং পরকালে



জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত মুবারকের আনঞ্জাম!


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে



সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র জীবন মুবারক থেকে নেয়া বাল্যবিবাহখানা


১। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্মানিত ছয় বছর বয়স মুবারকে উম্মুল মু’মিনীন আছছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিছবাতুল আযীমা মুবারক সংঘটিত হয়। আর নয় বছর বয়স মুবারকে উম্মুল মু’মিনীন আছছালিছাহ আলাইহাস সালাম



এক নজরে সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায,যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি


সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক



বাল্যবিবাহের বিরোধিতাকারীরা মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন বা তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পবিত্রতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّـمَا يُرِيْدُ الله لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا. অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে



বিশ্বের যে প্রান্তেই মুসলমানরা শহীদ ও নির্যাতনের শিকার হোক না কেন, তাতে কাফির দেশগুলো খুশি হয়


মুসলমান নিপীড়ন, নির্যাতন, শহীদ ও গণশহীদের মতো ঘটনায় মানবতা লঙ্ঘনের বিষয়টি অনুচ্চারিতই থেকে যায়। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র রাষ্ট্রগুলো কখনোই মানবতার বিষয়টি উত্থাপন করেনি। অথচ মুসলমান বাদে অন্য কোনো ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে পান থেকে চুন খসলেই তারা হায় হায় করে