সন্ধাতারা -blog


...


 


আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও



পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ ও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ এ তিনটি মুবারক মাস হচ্ছেন পবিত্র হজ্জ উনার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যেই পবিত্র হজ্জ ও পবিত্র উমরাহ আদায় করো।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ ও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ এ তিনটি মুবারক মাস হচ্ছেন পবিত্র হজ্জ



মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত



মাহে শাওওয়াল শরীফ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ


১ শাওওয়াল শরীফ: ক) ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত নক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম। খ) পবিত্র ঈদুল ফিতর। ৪ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মুমিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। ১২ শাওওয়াল শরীফ: পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ ১২ই শরীফ। ১৪ শাওওয়াল



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে অন্য কারো তুলনা করা কুফরী


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ব্যতিত সকলেরই সম্মানিতা “মাতা”। সুবহানাল্লাহ! কাজেই অন্য কোন মহিলাদের অবস্থার সাথে উনাদের অবস্থার মেছাল বা উদাহরণ দেয়া



মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই


পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের নিরাপত্তার স্থান, রহমত-বরকত লাভের স্থান। রোগ-শোক, আযাব-গযব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া কামনার স্থান। পবিত্র ছলাত তথা নামায আদায় করার স্থান। একজন ঈমানদার, একজন মুসলমান মসজিদে যাবে, জামায়াতে নামায পড়বে, দোয়া-মুনাজাত করবে;



পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে তিনটি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক। যারা তিনটি রোযা রাখবে তাঁদের সমস্ত গুণাহখতা ক্ষমা করে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৫ তারিখ রাত্রি অর্থাৎ বরাত শরীফ উনার রাত্রি উপস্থিত হবে তখন তোমরা উক্ত রাত্রিতে (সজাগ থেকে) ইবাদত করো ও দিনে রোযা রাখো।



কোনো ব্যক্তি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান যদি পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়; তাহলে সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- সে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। পর্দা বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার; খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও



ফযীলতপূর্ণ রাতগুলো সৃষ্টি হয়েছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ উনার মুবারক উসীলায়


সম্মানিত হাম্বলী মাযহাব উনার ইমাম হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন, “পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’’ উনার ফযীলত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর, পবিত্র লাইলাতুল বরাত এবং অন্যান্য ফযীলতপূর্ণ রাত্রি অপেক্ষা অনেক বেশি।” সুবহানাল্লাহ! তখন সমসাময়িক হযরত ইমাম ও



প্রসঙ্গ: সুদভিত্তিক চলমান পুঁজিবাদী অর্থনীতির অসম চিত্র ও বৈষম্য এবং সুদবিহীন ব্যাংকিং পদ্ধতি


ঋণখেলাপীরা নামে-বেনামে কথিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে ঋণ নিয়ে তাদের ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন খাতে খরচ করে বা পাচার করে বলে যে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে গেছে, এখন আর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব না ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন ব্যাংকেরও কিছু করার থাকে



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সংস্কৃতি চর্চার’ নামে ‘হারাম কার্যক্রম’ হিতে বিপরীত হবে


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক



বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বলে যাদের মায়াকান্না, তাদের জন্য….


কিছু লোক প্রচার করে বেড়ায়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নাকি অনেক নির্যাতিত হয়ে থাকে, কিন্তু ভারতের মুসলমানরা অনেক সুখে-শান্তিতে বসবাস করে। যারা এ ধরনের ডাহা মিথ্যা প্রচারনা করে থাকে- তাদের উত্তরে বলতে হয়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ভারতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গার লিস্ট