সন্ধাতারা -blog


...


 


বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বলে যাদের মায়াকান্না, তাদের জন্য….


কিছু লোক প্রচার করে বেড়ায়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নাকি অনেক নির্যাতিত হয়ে থাকে, কিন্তু ভারতের মুসলমানরা অনেক সুখে-শান্তিতে বসবাস করে। যারা এ ধরনের ডাহা মিথ্যা প্রচারনা করে থাকে- তাদের উত্তরে বলতে হয়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ভারতে মুসলিম নিধনে দাঙ্গার লিস্ট



আমিরুল মু’মিনিন, আহলে বাইতে রসূল হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে ইবলিসের চ্যালা মিজানুর রহমান আযহারীর


অনলাইনে যখন মিজানের একটা বক্তব্য ভাইরাল হলো, সে বলেছে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম মদ পান করে সূরা কাফিরুন ভুল পাঠ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ। আম জনতা সেটার প্রতিবাদ করলো। সে মূহূর্তে কিছু মিজান ভক্ত মিজানের বক্তব্য সঠিক প্রমাণের জন্য সূরা নিছা



৭৮ হাজার কোটি টাকা সুদ দিয়ে এক লাখ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কেবলমাত্র রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রই নয়; এরপরে


সরকার ঘোষণা দিয়েছে, দেশের দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আমরা ২৪শ’ মেগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছি রূপপুরে। আমরা ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগের কয়েকটি দ্বীপ সার্ভে করেছি। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে বরিশালের এই দ্বীপগুলোর



পাছ-আনফাস একটি অসাধারণ যিকির পদ্ধতি


পাছ-আনফাস অর্থাৎ শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে খেয়ালে لا اله এবং الا الله অথবা الله এই যিকির করতে হয়। প্রত্যেক জিনিসের জাহির-বাতিন রয়েছে পাছ-আনফাস যিকিরেরও জাহির-বাতিন রয়েছে। শ্বাস ফেলার সময় لا اله এবং শ্বাস টানার সময় الا الله খেয়ালে থাকতে হয়। অথবা শ্বাস ফেলার



মুসলমানের সংজ্ঞা কতজন মুসলমান জানে? প্রকৃত মুসলমান না হয়ে শুধু বাহ্যিক মুসলমান দাবি কী অন্যায় নয়?


সরকারি হিসেবে দেশের মুসলমানের সংখ্যা নব্বইভাগ বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে মুসলমানের সংখ্যা ৯৮ ভাগ। অর্থাৎ ২৫ কোটি জনসংখ্যার দেশে সাড়ে ২৪ কোটির বেশি লোক মুসলমান। তারা পবিত্র ঈদ পালন করেন। মুসলমান নাম ধারণ করেন। মুসলমান হিসেবে বাঁচেন। কিন্তু মুসলমানের অনুভূতি তাদের মধ্যে



আন নূরুল মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মাটির বলা কুফরী


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘নূরের তৈরি’ হিসেবে অস্বীকার করা এবং তার বিপরীত উনাকে মাটির তৈরি বলা এবং নূর ও মাটি দ্বারা তৈরি বলা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আয়াত শরীফ



কলকাতার বুদ্ধিজীবীকলকাতার বুদ্ধিজীবী নামক শৃগালদের থেকে সাবধান! নামক শৃগালদের থেকে সাবধান! দাঙ্গা সৃষ্টিকারী কলকাতার বিধর্মী সম্প্রদায় আজ সুর পাল্টে


বর্তমান সরকারের আমলে এদেশে কলকাতার লেখক-সাহিত্যিক ও শিল্পীদের আনাগোনা চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পত্রিকার পাতা খুললে প্রতিনিয়তই দেখা যায়- কলকাতার অমুক গায়ক অথবা তমুক লেখক এদেশের কোনো না কোনো সেমিনারে বক্তৃতা করেছে। সবার মুখে একই গৎবাঁধা বুলি, ‘এই দেশ তো আমারই দেশ!’



সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সীমাহীন শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের একক মালিক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ اَوْحٰـى اِلَـىَّ اَنْ اُزَوِّجَ كَرِيـْمَتَـىَّ مِنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ حَضْرَتْ رُقَيَّةَ



জনগণসহ গোটা দেশই যখন জিম্মি


বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য শুধু তেল-গ্যাস নয়; বরং গণতান্ত্রিক সব সরকারকেই দেশের সমস্ত খনিজ সম্পদ, কৃষি খাত, তৈরী পোশাক শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প, মৎস্য শিল্প, কল-কারখানা, বিদ্যুৎ, ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি সমস্ত কিছুই বিদেশ নির্ভর হতে দেখা যায়। যদিও বিদেশীদের চেয়েও



হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতা: ‘কাশ্মীর যাও, সুন্দরীদের বিয়ে কর’


কাশ্মীরে গিয়ে সেখানকার সুন্দরী কাশ্মীরি মুসলিম তরুণীদের বিয়ের জন্য বিজেপির হিন্দু কর্মীদের পরামর্শ দিলো উত্তরপ্রদেশের বিজেপি দলীয় এক বিধায়ক। প্রদেশের মুজাফফরনগরে দলীয় সমাবেশে অংশ নিয়ে বিক্রম সাইনি বলেছে, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হওয়ায় এখন বিজেপির হিন্দু কর্মীরা কাশ্মীরি সুন্দরী তরুণীদের বিয়ে



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ. অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয়, উনাদের মহাসম্মানিত পিতা



ছাহিবে কা’বা কাওসাইনে আও আদনা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আযিমুশ শান মি’রাজ


বোরাক মুবারকে আরোহন ও পথিমধ্যে যা ঘটলো: খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন এবং ইরশাদ করলেন। (রজব মাসের ২৭ তারিখ) ইশার নামাযের পর আমার