সিয়াম-সাজিদ -blog


...


 


মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে হাছিল করার একমাত্র উসীলা বা মাধ্যম, উনারা ব্যতীত



সিলেবাসে মুসলিম ব্যক্তিত্বগণের জীবন ও ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের শিক্ষানীতিতে বা সিলেবাসে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ ব্যক্তিত্বগণ উনাদের জীবনী মুবারক আলোচিত হবে, পঠিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। কোনো বিধর্মী বা অমুসলিমদের জীবন-ইতিহাস কোমলমতি মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে থাকতে পারে না। মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে



হুরমতে মুছাহিরাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি না করুন, যদি কোনো শ্বশুর তার ছেলের স্ত্রীর প্রতি খারাপ দৃষ্টি দেয়, সেটাকে হুরমতে মুছাহিরাহ বলা হয়। পিতার জন্য ছেলের স্ত্রী ও ছেলের জন্যও তার স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। হয়তো অনেকে জানবে না বুঝবে না কিন্তু অনেকেই



অস্ট্রেলিয়ায় মুসলিমরা বৈষম্যের শিকার


অস্ট্রেলিয়াতে মুসলমানরা অমুসলিমদের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে তারা মুখোমুখি হচ্ছেন নানা ধরনের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতারও। অস্ট্রেলিয়ায় মুসলিমদের উপর চালানো এক সমীক্ষায় একথা বলা হয়েছে। যেসব মুসলিমের উপর এই জরিপ চালানো হয়েছে তাদের ৬০ ভাগ উত্তরদাতা বলেছেন, কোনো



পহেলা বৈশাখ : মুসলমানদের জন্য শক্তভাবে বর্জনীয়


  মুসলমান এবং কাফির-মুশরিক সবদিক থেকে পরস্পর বিপরীতমুখী। মুসলমান উনাদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, শরীয়ত এবং সুন্নাহ শরীফ সমস্ত কিছুই যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের



আজ সুমহান বরকতময় ১৮ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ- খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল


খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১৮ তারিখ ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা জুমুয়াবার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। উনার মূল নাম মুবারক হচ্ছে হযরত উছমান আলাইহিস সালাম। উপনাম মুবারক আবূ আবদুল্লাহ, আবূ আমর,



‘সুমহান পবিত্র ১৪ই যিলক্বদ শরীফ’ যে কারণে বেমেছাল সম্মানিত


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মনোনীত ও মাহবুব বান্দা-বান্দী উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ ও পবিত্র বিছাল শরীফ উনাদের মাধ্যমে অনেক মাস, তারিখ ও বারকে মহাসম্মানিত করেন। যেমন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ ও



পবিত্র হজ্জ করা শর্ত সাপেক্ষে ফরয। আর ছবি তোলা এবং বেপর্দা হওয়া সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তির প্রতি পবিত্র হজ্জ ফরয; সে যেনো পবিত্র হজ্জ পালনের ক্ষেত্রে অশ্লীল ও অশালীন এবং তার সংশ্লিষ্ট বেপর্দা, বেহায়ামূলক কোনো কাজ না করে এবং কোনো প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানিমূলক কাজ না করে।’ পবিত্র



ভারতে শতকরা ৪০ ভাগ মুসলমান উনাদের কি অবস্থা! আর বাংলাদেশে শতকরা ২ ভাগ হিন্দুর কি স্পর্ধা!!!


ভারত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ দাবিদার একটি দেশ। ভারতীয় শাসকচক্রের দাবি অনুসারে ভারতে অসাম্প্রদায়িক ও সেক্যুলার সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত। অথচ বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা ভারতেই মুসলমানদের অবস্থা খুবই করুণ। যেমন, ভারতে প্রায় ৪৮ কোটি মুসলমানের বাস। ভারতীয় মোট জনসংখ্যার ১.৫ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও শিখেরা



বাবা-মায়ের খুনি ঐশীর মতো সবাইকে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে আসতে হবে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ


পুলিশ কর্মকর্তার আদুরে কন্যা ঐশী এখন কারাগারে অবস্থান করছে। তার মা ও বাবার খুনের ঘটনা সারাদেশে আলোড়ন তৈরি করেছে। সংবাদমাধ্যমগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল ঐশীর মা-বাবার মৃত্যু ও ঐশীর সংবাদ প্রচারে। কিন্তু কেউ কি একবারো চিন্তা-ফিকির করেছে যে, সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম



প্রসঙ্গ : বাল্যবিবাহ- অপরের জন্য গর্ত খুড়লে সে গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়


(১) মনগড়াভাবে প্রচলিত বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের সাথে ২১ বছরের কম বয়সী ছেলের বিয়েকেই বাল্যবিবাহ বলা হয়। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে বাল্যবিবাহ বলতে বোঝায়, বাল্যকাল বা নাবালক বয়সে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বিয়ে। এছাড়া বর-কনে দু’জনেরই বা একজনের



সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ২২শে শাওওয়াল শরীফ- আওলাদে রসূল হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও আওলাদে রসূল হযরত নিবরাসাতুল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা,