মুহম্মদ শিশির আহমেদ -blog


...


 


বাংলাদেশে কোরবানীর হাট ও পশুর জবাইয়ের স্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র কবে থেকে ?


বাংলাদেশে কোরবানীর হাট ও পশু জবাইয়ের স্থান নিয়ে প্রথম প্রকাশ্য ষড়যন্ত্র হয় ২০০৫ সালে। বাংলাদেশে মার্কিনপন্থী উকিল মনজিল মোর্শেদ প্রথম হাইকোর্টে একটি রিট করে, হাটের সংখ্যা হ্রাস ও কোরবানীর স্থান নির্দ্দিষ্ট করতে। (https://bit.ly/2zLndkQ) ২০০৫ সালে করা রিটে কোর্ট থেকে রুল পায়



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার ফযীলত


হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯)



কায়িনাতের বুকে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِىْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ. অর্থ: “আর (আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম



মুবারক হো পবিত্র ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ! ঈদে বিলাদতে আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম


মুবারক হো ৯ জুমাদাল ঊলা! মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং প্রাণের আক্বা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনারা দয়া করে আমাদেরকে হাদিয়া করেছেন ঈদে বিলাদতে আওলাদে রসূল



‘হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম’ এই সম্মানিত লক্বব মুবারক উনার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ


حَضْرَتْ نِبْرَاسَةُ الْاُمَمِ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَضْرَتْ (হাদ্বরত): অর্থ: সম্মানিত সম্বোধন, সম্মানিত বা সম্মানিতা, মাননীয় বা মাননীয়া, মহামন্য, হযরত। نِبْرَاسَةُ الْاُمَمِ (নিবরাসাতুল উমাম): نِبْرَاسٌ (নিবরাসুন) বা نِبْرَاسَةٌ (নিবরাসাতুন) শব্দটি একবচন। অর্থ: প্রদীপ, বাতি, আলোদানকারী, উজ্জ্বলকারী, গুণবান, শ্রেষ্ঠব্যক্তি। আর اُمَمٌ (উমামুন) শব্দটি اُمَّةٌ



ধর্মনিরপেক্ষ হলে উত্তর দিতে হবে


আমাদের দেশে একটি শ্রেণী আছে যারা নিজেদেরকে ‘সুশীল’ বলতে চায়। তাদের কথাগুলো অতি আশ্চর্যজনক মনে হয়। তাদের হাবভাব দেখে মনে হয়- নতুন নতুন সব তত্ত্ব আবিষ্কার ও প্রচারই যেন তাদের কাজ। এইতো কুরবানীর কিছুদিন আগে আগে তারা কয়েকটি বুলি (তত্ত্ব) প্রচার