মুজাদ্দিদী সৈনিক -blog


...


 


ওহাবী, সালাফী, খারিজি, আহলে হাদিছ, জামাতী-মওদুদী তথা জাহিল মাওলানা, কাফিরদের এজেন্ট, উলামায়ে ছু’দের এক নব্য ফতোয়া শুনুন!!


দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে যেয়ে অনেকে মূর্খসূচক কথা বলে থাকে। এরা তাওহীদ তাওহীদ করতে যেয়ে অনেক ফরয বা সুন্নতকে শিরক বলে থাকে; আবার ফরয সহীহ আকীদাকে শিরক বলে থাকে।(নাউযুবিললাহ) যেমনঃ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিযবুত তাহরীর মওদুদীবাদী জামাতেরই সহযাত্রী


জামাত-শিবিরের আস্তানাগুলো: গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ঢাকায় যেসব স্থানে জামাত-শিবিরের আস্তানা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়, সেগুলো হলো- নিউ মার্কেট কাঁটাবন ঢালের ২৬৬ নম্বর বাড়ি, নিউ মার্কেটের পাশে এলিফ্যান্ট রোডের ২৬৪ নম্বর বাড়ি, এলিফ্যান্ট রোডের ৫১ নম্বর পাঁচতলা ভবন, এলিফ্যান্ট রোডের ৬৬ নম্বর



এপিএসকে বরখাস্ত করল সুরঞ্জিত, সুরঞ্জিতকে বরখাস্ত করবে কে?


সেইদিন যাচ্ছিলাম ঢাকা থেকে ট্রেনে অন্য জেলায়। ভোরে লাইনে দাড়িয়েও শুনতে পেলাম সিট শেষ, স্ট্যান্ডিং টিকিট আছে। অথচ, টিকিট কিনে যেয়ে দেখি পুরো বগি ফাকা। এখন কি করতে হবে, সেখানকার চেকার বলল যে, ‘বসতে চাইলে ৪০ টাকা লাগবে।’ দেখুন রেল যোগাযোগের



কথিত ‘লালন শাহ’ আসলে ‘বাউল লালন’; যে ছিল হিন্দু


ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় এসেছে, বাউল লালন জন্মগ্রহণ করে হিন্দু কায়স্থ পরিবারে, তবে সে আশ্রিত ছিল একটি মুসলিম পরিবারে। সে মুসলমান পরিবারের সেবক হিসেবে থাকলেও সে ইসলাম গ্রহণ করেনি বা সে মুসলমান হয়নি। ফলে সে জীবনে এক ওয়াক্ত নামাযও পড়েনি। একটি রোযাও



সংখ্যালঘু হিন্দুরা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছে; আসুন প্রতিরোধ গড়ে তুলি


২রা এপ্রিলঃ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৭শে মার্চ ফতেপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আবুল মনসুর আহমদের ‘হযুর কেবলা’ গল্পের নাট্যরূপ মঞ্চস্থ হয়। সেই নাটকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাকে কটূক্তি করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার ধর্মপ্রাণ মুসলমান উত্তপ্ত হয়ে



আসুন কাউমাউ না করে জেনে নেই, যে কোন নতুন বছর উদযাপন করার ব্যাপারে ইসলাম কি বলে?


আমি মায়ের সন্তান, আবার বাবারও সন্তান। বাবার সন্তান যখন বলা হবে, তখন আমি মাকে দূরে ঠেলে দিতে পারি না। তারা দুজনেই আমার আপন। একইভাবে আমি মুসলমান, আবার আমি বাংলাদেশী। বাংলাদেশী হয়ে জন্মেছি। কিন্তু কতজন বাংলাদেশকে মুহব্বত করে? অধিকাংশের মুখে শুনি, “বাংলাদেশটা



প্রত্যেক মুসলমানের জন্য মাযহাবের অনুসরণ করা অপরিহার্য তথা ফরয-ওয়াজিব


মাযহাবের আভিধানিক অর্থ ‘চলার পথ’। শরীয়তের পরিভাষায় কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ তথা ফিক্বাহর অনুসরণ করতে গিয়ে যে যেই ইমাম উনার তাকলীদ বা অনুসরণ করে সে সেই ইমাম উনার মাযহাবের অন্তর্ভুক্ত। মূলত প্রত্যেক ছাহাবী এবং প্রত্যেক ইমাম-মুজতাহিদ উনারা প্রত্যেকেই একটি করে মাযহাব



জাকির নায়েক ওরফে কাফির নায়েক কেন টাই পড়ে?-একটি খোড়া যুক্তির খন্ডন


হাদিছ শরীফে পেয়েছি যে, কিয়ামতের দিন অনেক মানুষকে যখন জাহান্নামে যেতে বলা হবে, তখন তারা তাদের পথভ্রষ্টতার পিছনে মাওলানাদের দোহাই দেবে। তখন মাওলানাদেরসহ তাদেরকেও জাহান্নাম নিক্ষেপ করা হবে। তাই কোন উলামায়ে ছূ’র ভ্রান্ত যুক্তির আলোকে ভুল ফতোয়া মেনে আমল করা যাবে



বাংলাদেশ নাকি গরীব! তাহলে বিপিএল এর পিছনে টাকা ঢালার অনুমতি কে দিল? গরীবের ভাত জোটে না, মার্সিডিজ বেঞ্জেরও শখ


যেখানে ইসলামে সমস্ত খেলাধুলা হারাম, সেখানে ৯৭% মুসলমানের দেশে (যে দেশকে সবাই গরীব বলে গালি দেয়) সেখানে খেলাধুলার পিছনে অপচয় করা হয় কিভাবে!!! ভারতের ইন্ধনেই এসব হচ্ছে। এ ব্যাপারে সকল বাংলাদেশীদের সচেতনতা কামনা করি। সমস্ত খেলাধুলা হারাম-জানতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ



কারামতে হযরত শাহযাদীয়ে ছানী ক্বি‌বলা আলাইহাস সালাম


আকাঈদের কিতাবে আছে, ‘কারামাতুল আউলিয়ায়ে হাক্কুন।’ অর্থাৎ ওলীআল্লাহগণ উনাদের কারামত সত্য। নূরে মদীনা, গুলে মুবিনা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহযাদীয়ে ছানী ক্বি‌বলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন- মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত মহা সম্মানিতা



ড্রেসকোড!!! সে কি শুধু বোরকার বিরোধিতা করার বাহানা!!!


যার হাত নেই, তাকে যদি হাতে মেহেদী দিতে বলা হয়, সে কি সেটা পারবে? না। তাহলে হাতে মেহেদী দেওয়া বাধ্যতামূলক করলে কি সেটা তার পক্ষে সম্ভব? না। তাহলে ড্রেসকোডের নামে মুসলমানে মহিলাদের বেপর্দা করার নিয়ম নতুন করে চালু করলে তারা কি



হিন্দুদের পূজামন্ডপ পরিদর্শনে সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপতি! অথচ ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাহফিলগুলোতে তাদের দেখা যায় না


আমাদের দেশে শতকরা ২ ভাগ হিন্দু। এই শতকরা ২ ভাগ হিন্দুর ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-এমপি তাদের দেখা যায়। অথচ মুসলমানগণের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেও এ দিন উপলক্ষে