সকাল-বিকাল -blog


...


 


সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ. অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয়, উনাদের মহাসম্মানিত পিতা



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদাহ মুবারক: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যিনি খালিক্ব মালিক রব



ইতিহাসের ধুম্রজালে যুগে যুগে শাসকদের বিধর্মীপ্রীতি এবং এর পরিণতি! সময়কাল: মুঘল আমল। রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে চক্রান্তের দোসর মালউন


বাংলাদেশবিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী হিন্দুরা প্রায় সময় প্রোপাগান্ডা করে থাকে যে- ‘মুসলমানরা এই উপমহাদেশ দখল করেছে, অনেক মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ করেছে। আর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনও তাদের সৃষ্টি’। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু ইতিহাসের ধুম্রজালে হারিয়ে গিয়েছে অনেক সত্য, ক’জন জানে প্রকৃত ঘটনাগুলো। এই উপমহাদেশে ইংরেজদের বিরুদ্ধে



জামায়াতের কাতারে ফাঁক বন্ধ করুন, সকল রোগ-শোক থেকে নিরাপদ থাকুন


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না



সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাতারে ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব; তাই নামাযে দুরত্ব বজায় রাখা বা কাতারে ফাকা ফাকা হয়ে


জামায়াতে নামায আদায় করার ব্যাপারে সম্মানিত শরীয়ত উনার বিধান হচ্ছে, কাতার সোজা করা ওয়াজিব এবং ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব। কাতারে ফাক থাকলে ওয়াজিব তরক হওয়ার কারনে নামায মাকরুহ তাহরীমী হবে। আর নামাযে মাকরুহ তাহরীমী হলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব হয়ে যায়।



পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা



আফযালুল আউলিয়া, কাইয়্যুমে আউওয়াল, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী


মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করার কথা খোদ কুরআন কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যেই রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার, সাইয়্যিদুল মুরসালীন,



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে আহাল হিসেবে না পাওয়ার কারণে দুঃখ-অনুতাপে দুই শত কুরাইশী মহিলা উনাদের ইন্তেকাল


হযরত ইমাম আল্লামা আবূ সা’দ আব্দুল মালিক ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইবরাহীম নীশাপুরী খরকূশী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৪০৯ হিজরী) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘শরফুল মুস্ত¡ফা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন, فَلَمَّا ابْتَنٰى بِـهَا سَيِّدُنَا حَضْرَتْ ذَبِيْـحُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ



অনিচ্ছাসত্ত্বে নয় বরং ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিকল্পনা মাফিক হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারকে কটূক্তি করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!


যারা মনে করছে, এমনি এমনিই সিনেমাতে নবীজি উনার পরিবার উনাদের নামে নায়িকার নামকরণ করে অভিনয় করা হয়েছে তারা একদম ভুলের রাজ্যে বসবাস করছে। কেননা ইসলামবিদ্বেষীরা অনিচ্ছাকৃত কোন কাজ করেনা ইচ্ছাকৃত ভাবেই মুসলমানদের বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিত্ব উনাদের নাম কোন নায়িকার নামকরণ করে



যারা প্রতিবাদ করে না, তাদের জন্য কঠিন সতর্কবাণী


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অতঃপর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার



এসব পুথি পড়া মোল্লাদের জন্য মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এরা বানিয়ে বানিয়ে হাদীছ বর্ণনা করে।


নুরুল ইসলাম ওলীপুরী নামক এক জর্দাখোর মৌলবী ওয়াজের মধ্যে বলেছে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাকি জানাজা হয়েছে সেখানে নাকি অনেকেই ইমামতি করেছে। এর মধ্যে বড় যে জানাজার জামায়াত হয়েছে সেটার ইমামতি করেছেন হযরত সিদ্দীকে আকবর আবু বকর সিদ্দীক



পবিত্র ঈমান ধ্বংসে উলামায়ে সূ’রা অনেক কঠিন ও ভয়ঙ্কর ফিতনা


হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘বিদায়াতুল হিদায়া’তে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَنَا مِنْ غَيْرِ الدَّجَّالِ اَخْوَفُ عَلَيْكُمْ مّـِنَ الدَّجَّالِ فَقِيْلَ وَمَا هُوَ يَا رَسُوْلَ اللهِ