সরলমত -blog


...


 


হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমمعيارحق বা সত্যের মানদন্ড।


কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমمعيارحق বা সত্যের মানদন্ড। কেননা উনাদের মাধ্যমেই আমরা নিখুতভাবে মহান আল্লাহর একমাত্র দ্বীন ইসলাম পেয়ে ধন্য হয়েছি। পবিত্র কুরআনে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগন উনাদের প্রশংসায় মহান আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন: رَضِىَ اللهُ



যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার বরকতময় দিন তার পরিবার পরিজনের জন্য ভালো খাদ্যের ব্যবস্থা করবে মহান আল্লাহ পাক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা খাও, পান করো, তবে অপচয় করো না।’ পহেলা মুহররম শরীফ, পহেলা বৈশাখ, পহেলা জানুয়ারিতে ভালো বা বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা ও খাওয়ানোর মধ্যে আলাদা কোনো ফযীলত বা বরকত নেই। অথচ যে ব্যক্তি পবিত্র



মাত্র কিছু লোকের কারনে ১৬ কোটি লোক হারাম কাজ করছে?


বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ। এদেশের ৯৭% লোক মুসলমান। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য সবকিছুর সাথেই ইসলাম ধর্ম ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু আফসোস এবং দুঃখের বিষয় হলো, এদেশের মুসলমানদেরকে দেখলে মুসলমান মনে হয় না।(নাউযুবিল্লাহ) ৯৭% মুসলমানের দেশে গান-বাজনা, ছবি, টেলিভিশন, সিনেমা, বেপর্দা, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা,



হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি মুহব্বত রাখা, উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করা হচ্ছে পবিত্র জুযয়ে ঈমান


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত মুবারক সম্পর্কে অবগত হও।’ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর



মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক ব্যতীতই হিজরত করেছেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি (হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম) উনাদের প্রতি ওহী মুবারক পাঠাতাম।’ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের কথা-বার্তা, চাল-চলন, উঠা-বসা, চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন মুবারক ইত্যাদি সবই পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা পরিচালিত। পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে আলোচনা করতে



পবিত্র আশূরা শরীফ উনার মুবারকময় দিনের আমলসমূহ


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ পবিত্র আশূরা শরীফ দিনের আমলসমূহ হচ্ছে- রোযা রাখা অর্থাৎ ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ দু’দিন রোযা রাখা; এরপর পরবর্তী কোনো এক সোমবার শরীফ মিলে মোট ৩টি রোযা রাখা। পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে



মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে বেসামাল রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার


আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার সাড়ে ৩ বছরের বেশি অতিক্রম করেছে। কিন্তু তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার একটিও বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শেষ আমলের তুলনায় দ্রব্যমূল্যের দাম



মাত্র দশ বছরের মধ্যেই অন্তত ৩৩ হাজার বর্গমাইল আয়তনের ‘অবিচ্ছিন্ন ভূখন্ড পাওয়া যাবে


বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে উঠছে আরেক বাংলাদেশ। উজানি নদীর পানিবাহিত পলি জমে নোয়াখালীর দক্ষিণে সাগরের বুকে জেগে উঠছে শতাধিক ছোট দ্বীপ। কোনোটি জোয়ারে ডুবে যায়, ভাটায় আবার ভেসে উঠে। কোনোটির কিছু অংশ জোয়ারেও ডোবে না। একটু পানির নিচে থাকা নতুন করে জেগে



কুরআন শরীফ অবমাননার ছবি এবার নাগরিক ব্লগে(নাউযুবিল্লাহ)


কুরআন শরীফ অবমাননার ছবি এবার নাগরিক ব্লগে। (নাউযুবিল্লাহ) । .কিছু লেখার আর ভাষা খুজে পাচ্ছি না। কিন্তু  এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। আল্লাহ পাক যেন মুজাদ্দিদে আ’যম , হাবীবুল্লাহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উনছিলায় এ নিকৃষ্টতম কাফিরগুলোকে জমিন



কুরবানীর দিনসমূহে অর্থাৎ যিলহজ্জের ১০ তারিখ ছুবহে ছাদিক হতে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাঁস মুরগি কবুতর ইত্যাদি


মুসলমানদের আইয়ামে নহর বা কুরবানীর দিনসমূহে যারা মজূসী বা অগ্নি উপাসক তারা তাদের ধর্মীয় বিধান মুতাবিক হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে থাকে। এখন যদি কোনো মুসলমান তাদের সাথে মুশাবা বা সাদৃশ্য রেখে কুরবানীর দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ্ করে, তাহলে সেটা কুফরী হবে।



কাফিরদের বিরুদ্ধে বদ দোয়ার অডিও


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক  কাফিরগংরা একেরপর এক বেয়াদবী করে যাচ্ছে। তাই এদের বিরুদ্ধে চরম ব্যবস্থা নেয়া উচিত। কিন্তু সীমাবদ্ধতার কারনে পারা যাচ্ছে না। তাই প্রথমে এদের হিদায়েতের জন্য দোয়া করতে হবে, নসীবে হিদায়েত না থাকলে



পশ্চিমার অনুকরনে গনতন্ত্র চর্চায় বাহবা দেয়া হয়, কিন্তু জনস্বার্থের জন্য মিডিয়া নিয়ন্ত্রের নীতিমালার বিরুদ্ধে এত হাউকাউ কেন?


দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগন মুসলিম। এদেশের শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্র। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রে যে কোন ধর্ম যে কেউ পালন করতে পারবে। এবং রাষ্ট্রযন্ত্র জনগণের ধর্ম পালনে কোন হস্তক্ষেপ করবে না। বরং সহযোগীতা করবে। পুজা পালনের সময় সরকারের পক্ষ থেকে পুলিশ দিয়ে পাহারার ব্যবস্থা