সরলমত -blog


...


 


হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আবারো সৃষ্টির নিকৃষ্টতম বেয়াদবী!!! এ অবস্থায় কোন মুসলমান নিশ্চুপ থাকলে সে


ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ননাঃ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে সৃষ্টিজগতের নিকৃষ্টতম বেয়াদবী প্রকাশ করলো না’লতপ্রাপ্ত জাতি ইহুদীর বংশধর, কুলাঙ্গার সন্ত্রাসী আমেরিকার ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠা কুলাঙ্গার, জাহান্নামের কীট, মিশরীয় বংশদ্ভুত আমেরিকান ইহুদী স্যাম বেসিল ।নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ,



যারা বলে ‘হজ্জের সাথে পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারতের কোনো সম্পর্ক নেই’ তারা গুমরাহ ও বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত করো, উনাকে সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যা উনার ছানা-সিফত করো।’ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



নেক কাজে দান করার গুরুত্ব এবং ফযীলত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে একটি নেক কাজ করবে, সে তার দশগুণ পাবে।’ (সূরা আনয়াম : আয়াত শরীফ ১৬০) কেউ কোনো নেক কাজের নিয়ত করা মাত্র তার জন্যে একটি নেকী লেখা হয়- নেক কাজটি করুক বা



শুধুমাত্র ইসলাম বিরোধীতার জন্যই নাস্তিকতার ভান?


কুখ্যাত, মার্কামারা নাস্তিক ভেকধারী ব্যক্তিরা যখনই ব্লগে পোস্ট দেয়, তার উদ্দেশ্যই থাকে কৌশলে ইসলাম সম্পর্কে বিদ্বেষ ছড়ানো। ধর্মের বিরোধীতা করে, ধর্ম নিরপেক্ষতার মোয়া ফেরী করে; একটাই উদ্দেশ্য ইসলাম বিরোধীতা। ধর্মের বিরোধীতার নামে শুধু ইসলামের বিরোধীতা করলেও, তার প্রিয় উগ্রবাদী হিন্দু ধর্ম



মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন- ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান বা বিনিময় চাই না। তবে আমার ঘনিষ্ঠ বা আপনজন উনাদের প্রতি তোমরা সদ্ব্যবহার করবে।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



মুবারক বিছাল শরীফ, বদর জিহাদ এবং মক্কা শরীফ বিজয়ের স্মৃতি বিজড়িত দিন ঐতিহাসিক ১৭ ই রমাদ্বান শরীফ সমাগত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ বেমেছাল ফযীলতযুক্ত ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। এ দিন উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজাতুল



“ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা” : ৯ই রমাদ্বান সোমবার শরীফ ‘পূর্ণিমার চাঁদ’ উঠল বাংলার আকাশে


আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আল্লাহ পাক (উনার খাছ ওলী হিসেবে) যাঁকে ইচ্ছা তাঁকেই মনোনীত করেন।” (সূরা শুরা: ১৩) আরবী পঞ্চদশ শতাব্দী। গাছে গাছে ফুল ফুটেছে। পাখিদের কণ্ঠে সুমধুর সুরের বন্যা ছড়াচ্ছে বসন্তের সমারোহ চারদিকে। ঐ জান্নাত থেকে ভেসে আসা মৃদু



আজ পহেলা রমাদ্বান শরীফঃ গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি- উনার মুবারক বিলাদত শরীফ ।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’ হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন লোক প্রেরণ করবেন,



৩রা রমাদ্বান শরীফ, ১লা রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে বিশেষ ব্যানার ও বিশেষ পোস্ট চাই


৩রা রমাদ্বান: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামিন, উম্মু আবিহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক বিছাল শরীফ। ১লা রমাদ্বান: গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিলাদত শরীফ।



সুমহান ২৯শে শা’বান শরীফ : নূরে মদীনা, গুলে মুবীনা, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের


আসছে ২৯ শে মাহে শাবান শরীফ, ১৪৩৩ হিজরী, <=> ২২ সানী, ১৩৮০ শামসি <=>২০ জুলাই, ২০১২ ঈসায়ী সন,  <=>৪ শ্রাবন, ১৪১৮ ফসলী সন ইয়াওমুল জুমুয়াতি (শুক্রবার) নূরে মদীনা, গুলো মুবীনা, হাবীবাতুল্লাহ, রাইহানাতু মুর্শিদিনা, আওলাদে রসূল, ত্বাহিরা, তইয়িবা হযরত শাহ নাওয়াসী ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের মুবারক বিলাদত



যাকাতের আহকাম ও মাসায়িল ॥ আপনার যাকাত কোথায় প্রদান করবেন?


কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “বড় সৎ কাজ হলো এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহ পাক উনার উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের উপর। আর সম্পদ ব্যয় করবে উনারই মুহব্বতে আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম, মিসকীন, মুসাফির, ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসের জন্য। আর



যাকাত পাওয়ার হক্বদার কে?


নামাজের মতই যাকাত ফরজ। কোনটার গুরুত্ব কম নয়।  তাই যাকাত সম্পর্কে জানা ফরজ। যাকাত কাকে দেবেন বা কে যাকাত পাওয়ার হক্বদার তা জানাও ফরজ। নিম্নলিখিত আট খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা ফরয। পবিত্র কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “যাকাত কেবল