সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সরল পথিক -blog


...


সরল পথিক
 


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একটি বিশেষ দিন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবার উনাকে বলা হয়। পবিত্র ছফর শরীফ মাস ব্যতীত আর কোনো মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী



ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন নিয়ে ওহাবীদের চুরি ধরা পড়েছে..


ইমাম আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার পড়ুন। আপনাদের সুবিধার্থে আবার আলোচনা করছি- কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, يَسْتَبْشِرُونَ



হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে



যানজট নিরসনে ঢাকা শহর সম্প্রসারণের ও বিকেন্দ্রীকরনের বিকল্প নেই


চলতি কয়েক বছরে পুরো ঢাকা শহর যানজট নিরসনের নামে ফ্লাইওভার তথা উড়াল সেতুতে ছেঁয়ে যাচ্ছে। জনগণের এই মিলিয়ন মিলিয়ন কোটি টাকা ব্যয় করে উড়াল সেতু নির্মাণ করে লাভটা হচ্ছে কি? উড়াল সেতু থেকে নামা মাত্রই আবার কঠিন যানজটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ্বমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবদিয়াতের মাক্বাম প্রাপ্ত


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল মুসলিমীন, ইমামুল হুদা, পেশওয়ায়ে আহলু ইয়াক্বীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ্বমিছ আলাইহিস সালাম আবদিয়াতের মাক্বামে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ছিলেন মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



কানজুস: যারা নিজেদের মূলই ফউত করে ফেলে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বখিল মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু, যদিও সে আবিদ হোক না কেন। আর ছখী মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ফাসিক হোক না কেন।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হযরত মুহাদ্দিসীনে



যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হবে না, তারা গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) তার নছীব হয় না।” (পবিত্র সূরা কাহফ্ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭) পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রথম


মুসলমান ও ঈমানদার হওয়ার জন্য যেসব বিষয়ের উপর ঈমান আনা ও আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া অপরিহার্য সে সমুদয় বিষয়ের মধ্যে হযরত আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অন্যতম। হযরত আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করা উম্মত



দান করলে সম্পদ কমে না’ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক হলেন- আল মুতাছদ্দিক্ব আল আউওয়াল, খাইরি উম্মাতি,


একবার আখিরী রসূল, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে উনার সম্মানিত দামাদ আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি এসে আরজি করলেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; আমাকে আমার সম্পদ কমে



‘মহাসেন’ আতংকে উপকূলের মানুষ


বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ ক্রমাগত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। এ কারণে আতংকিত রয়েছে উপকূলের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপকূলের মানুষ বলছে, জেলার ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ লক্ষাধিক উপকূলবাসীর জন্য রয়েছে মাত্র ৫৩৭টি আশ্রয় কেন্দ্র। জেলায় ৫৭৫ কিলোমিটার



পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক আহম্মক শফী কি জাহান্নামী নয়?


পবিত্র মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- كل مصور فى النار অর্থাৎ “প্রত্যেক প্রাণীর ছবি তুলনেওয়ালা তোলানেওয়ালা, আঁকনেওয়ালা, আকানেওয়ালা জাহান্নামী”। বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক তথাকথিত হেফাজতের নেতা আহম্মক শফীসহ তার সকল অনুসারীরা কি জাহান্নামী নয়? কারণ তার ও তার



ময়মনসিংহে ট্রেনে আগুন


ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনে ২৫৩ নং ট্রেনের একটি বগিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে হরতাল সমর্থকরা। বগিটির ব্যাপক ক্ষতি হলেও কেউ আহত হয়নি। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে স্টেশনের মেডিকেল ফটক সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। রেলস্টেশনের সুপারিটেন্ডেন্ট আবু তাহের  এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।