সরল পথিক -blog


...


 


‘মহাসেন’ আতংকে উপকূলের মানুষ


বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ ক্রমাগত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। এ কারণে আতংকিত রয়েছে উপকূলের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপকূলের মানুষ বলছে, জেলার ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ লক্ষাধিক উপকূলবাসীর জন্য রয়েছে মাত্র ৫৩৭টি আশ্রয় কেন্দ্র। জেলায় ৫৭৫ কিলোমিটার



পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক আহম্মক শফী কি জাহান্নামী নয়?


পবিত্র মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- كل مصور فى النار অর্থাৎ “প্রত্যেক প্রাণীর ছবি তুলনেওয়ালা তোলানেওয়ালা, আঁকনেওয়ালা, আকানেওয়ালা জাহান্নামী”। বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক তথাকথিত হেফাজতের নেতা আহম্মক শফীসহ তার সকল অনুসারীরা কি জাহান্নামী নয়? কারণ তার ও তার



ময়মনসিংহে ট্রেনে আগুন


ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনে ২৫৩ নং ট্রেনের একটি বগিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে হরতাল সমর্থকরা। বগিটির ব্যাপক ক্ষতি হলেও কেউ আহত হয়নি। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে স্টেশনের মেডিকেল ফটক সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। রেলস্টেশনের সুপারিটেন্ডেন্ট আবু তাহের  এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



জামাতীরা ‘ইসলাম’ কায়িম করতে চায় না। তারা চায় ‘মওদুদীবাদ’ কায়িম করতে।


জামাত যে আসলে ‘ইসলামী’ কোনো দল নয় এবং জামাতীরা যে ‘ইসলাম’ কায়িম করতে চায় না- তা তাদের কথাবার্তা ও কাজকর্মেই প্রমাণিত হয়। যদি তারা ‘ইসলাম’-ই কায়িম করতে চাইতো, তবে তারা ইসলাম পালন করে না কেন? কেন তারা ইসলামবিরোধী হারাম নাজায়িয কাজে



কুকুরের লেজ সোজা হয় একথা বিশ্বাসযোগ্য!!! কিন্তু রাজাকার নষ্টামি ছাড়ে এই কথা কখনই বিশ্বাসযোগ্য নয়


নেত্রকোনার ভাষায় একটি প্রবাদ আছে, “কাউয়্যার বাসায় কুলির চাও (কোকিলের বাচ্চা), জাত বিদ্যায় করে রাও (ডাক)” অর্থাৎ যে যেখানেই অবস্থান করে না কেন তার স্বজাতির স্বভাব পরিবর্তন হয় না। রাজাকারের ক্ষেত্রে উক্ত প্রবাদের শতভাগ সত্যতা মিলে। রাজাকার শব্দের সাথে ধর্ষক-লম্পট-দুশ্চরিত্র শব্দগুলোও



ইসলামী শরীয়তে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা ছাড়াও আরো অনেক ঈদ রয়েছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, (হে আমার হাবীব!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর অর্থাৎ কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ



কুল-কায়িনাতের জন্য ফরয ওয়াজিব হচ্ছে- সাইয়্যিদুশ শুহুর, শাহরুল আ’যম, রবীউল আউয়াল শরীফ মাস উনার অনন্তকাল খিদমতের আঞ্জাম দেয়া, তা’যীম-তাকরীম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনো এবং হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনো ও উনার খিদমত করো, তা’যীম তাকরীম করো এবং উনার ছানা-ছিফত বা প্রশংসা করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ



মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের যারা বিরোধিতা করে তারা মুসলমান নয়


কালিমা শরীফ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলাল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমান আনয়নের জন্য পাঠ করতে হয়, মনে প্রাণে মেনে নিতে হয়, সেই কালিমা শরীফ-এর প্রথমাংশ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ প্রকাশ ঘটতো না যদি না শেষাংশ হতো। তা হলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু



ঐতিহাসিক সুমহান ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ ছফর মাসের শেষ ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি বা বুধবার শরীফ। যা কুল কায়িনাতের সকলের জন্য এক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করেন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। ঐতিহাসিক সুমহান ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ ছফর মাসের শেষ ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি বা বুধবার শরীফ। যা কুল কায়িনাতের সকলের



খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ঈদ উদযাপন


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত, ছানা-ছিফত, প্রশংসা তথা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ঈদ সর্বপ্রথম পালন করেছেন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তিনি স্বয়ং নিজে। এ সম্পর্কে হাদীছে কুদসী শরীফ-এ উল্লেখ