tahkik9 -blog


writer


 


অনেক ফিকিরের বিষয়


    হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,সম্মানিত ক্বাবা শরীফ উনার মধ্যে প্রতিদিন ১২০ টি রহমত নাযিল হয়।সুবনাল্লাহ। তাহলে চিন্তা-ফিকিরের বিষয় সম্মানিত মদীনা শরীফ উনাতে তাহলে কত রহমত নাযিল হবে? এতা চিন্তা ও ফিকিরের উর্ধে ।কারন সম্মানিত মদীনা শরীফ উনাতে



বাত্বিল ৭২ ফির্কার মুখোশ উন্মোচন-২


  প্রসঙ্গঃশিয়া সম্প্রদায় ও তাদের কুফরি আকিদা এবং দেওবন্দী ও শিয়া ভাই ভাই     শিয়াদের পরিচিতি: শিয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত ফিরকা। যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরনের দোহাই দিয়ে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের চরম বিরোধীতা করে তাদের



যে যার সাথে মিল রাখবে তার সাথেই তার হাশর-নাশর হবে৷


  আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন- من يبتغ غير الاسلام دينا فلن يقبل منه وهو فى الاخرة من الخاسرين. যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের



পর্দা সম্পর্কিত একটি সুন্দর ওয়াকিয়া মুবারক


  পূর্ববর্তী যামানার একটা ঘটনা রয়েছে, সে ঘটনায় উল্লেখ করা হয়েছে- একজন আবেদ ছিল। আবেদ, যে খুব ইবাদত-বন্দিগী করত। সে খুব পরহিযগার ছিল। সমস্ত দিন এবং রাত্র সে ইবাদত-বন্দিগীতে কাটাত। এতে সে কোন ত্রুটি-গাফলতি করতনা। ইবলিস অনেক দিন যাবৎ কোশেশ করতেছিল



লা-মাজহাবীদের কিতাবে হাদীস বিকৃতি


আমরা সাধারণ মুসলমানেরা গত ১৪০০ বছর ধরে ২০ রাক’আত তারাবীর নামায পড়ে আসছি। প্রায় ২৫০ বছরের ব্রিটিশদের তৈরীকৃত ওহাবী-খারেজী মতবাদের অনুসারীরা আজ হঠাৎ করে বলে বেড়াচ্ছে তারাবীর নামায নাকি ৮ রাক’আত। শুধু তাই নয় তাদের এই মিথ্যা দাবীকে সত্য বলে প্রমাণ



তারাবীহ নামায আট রাকায়াত হওয়ার দাবী খণ্ডন


    ১ম দলিলঃ প্রথমত যারা বলে তারাবীহ্ নামায আট রাকায়াত পড়া সুন্নত, তারা দলীল হিসাবে নিম্নোক্ত হাদীছ শরীফ পেশ করে থাকে। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফে আছে, عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه أخبره : أنه سأل عائشة رضي الله



তারাবীহ নামায ২০ রাকায়াত এর দলিল পর্ব-২


  দলিল-২   حدثنا يزيد بن هارون قال- اخبر نا ابراهيم ابن عشمان، عن الحكم عن مقسم عن ابن عباس- ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان سصلى فى رمضان عشرين ركعة والوتر- (اخرجه فى مصنف بن ابى شيبة= وكذا



তারাবীহ নামায ২০ রাকায়াত এর দলিল পর্ব-১


  তারাবীহ নামাযঃ তারাবীহ শব্দটির মূলতঃ আরবী । এর বাংলা রুপ ‘তারাবী’ যার অর্থ হলো – বিশ্রাম গ্রহন করা । এ শব্দের ব্যাখ্যায় হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন تراويح শব্দটি ترويحة শব্দের বহুবচন । ترويحة অর্থ একবার বিশ্রাম গ্রহন



রমদ্বান শরীফ উনার বিশেষ দিনসমূহ


ইসলামে বিশেষ নিদর্শন সম্বলিত দিবস, বিশেষ দিনসমূহ   وَذَكِّرْهُم بِأَيَّامِ اللَّهِ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ   অর্থ: “আর তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিবসসমূহকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিবসসমূহের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল-শোকরগোযার বান্দাদের জন্যে নিদর্শনাবলী (নিয়ামত) রয়েছে।”[সূরা



সুমহান পবিত্র ৬ই রমাদ্বান শরীফ- যা কুল কায়িনাতবাসীর জন্য রহমত, বরকত ও সাকীনাপূর্ণ একটি ঈদের দিন।


    পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ, পুনরুত্থান প্রত্যেকটিই রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ এবং ঈদ বা খুশি প্রকাশের কারণ। যেমন, হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার



পবিত্র ৬ই রমাদ্বান শরীফ- সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহতিছ ছালিছাহ হযরত উম্মে কুলসূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান বিছাল শরীফ দিবস


  اِنَّا اَرْسَلْنٰكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيرًا. لِّتُؤْمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُولِه وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وّ َاَصِيلا. অর্থ : (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষীদাতা, সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারীস্বরূপ পাঠিয়েছি; যেন (হে মানুষ!) তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার উপর



সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত আলী আওসাত যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী তথা জীবনী মুবারক


    হযরত আহালু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে জানা, উনাদের মুহব্বত করা, উনাদের খিদমত মুবারক করা, উনাদের তা’যীম-তাকরীম করা এবং উনাদের মুবারক ছানা-ছিফত করা সমস্ত মুসলমান তথা জিন-ইনসান সমস্ত কায়িনাতের জন্য ফরয। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক