tahkik9 -blog


writer


 


পিতা ও পুত্র উনাদের নিসবত কত।সুবহানাল্লাহ


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবেদীন আলাইহিস সালাম তিনি কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার পর আর কখনো হাসেননি   কারবালার ঘটনার পর ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসুলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত যাইনুল আবেদীন আলাইহিস সালাম তিনি যখনই পানি দেখতেন, তখনই কারবালায়



সুলত্বানুল আউলিয়া, ইমামুল মুহাক্বক্বিক্বীন, পেশওয়ায়ে দ্বীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম যাইনুল আবিদীন আলাইহিস সালাম উনার মুবারক দোয়ায় মুষলধারে


  একবার পবিত্র হজ্জের সময় মক্কা শরীফ উনার মাঝে ভয়ানক খরা (অনাবৃষ্টি) দেখা দিলো। পানির অভাবে লোকজনের মধ্যে হাহাকার পড়ে গেল। বিদেশ হতে আগত পবিত্র হজ্জযাত্রীগণের সাথে সাথে খোদ মক্কাবাসীগণের মধ্যেও পানির এমন সঙ্কট দেখা দিল যে, লোকজন হয়রান-পেরেশান হয়ে চারিদিকে



হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়াল আনহুম উনারা আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের গোলাম।


হযরত উমর ফারূক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার প্রস্তাবিত বিষয়ে প্রায় ২২ খানা আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। সেই হযরত উমর ফারূক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ছাওয়ানেহ উমরীতে বর্ণিত রয়েছে, যখন আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় নেন



ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা আহলু বাইত শরিফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খাদিম।


আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে একবার হযরত ইমাম হাসান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম বসা ছিলেন এমতাবস্থায় হযরত জিব্রীল আলাইহিস্ সালাম আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত ও আওলাদে রসূলগণের ফযীলত


  قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى অর্থ: “হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট নুবুওওয়াতের দায়িত্ব পালনের কোন প্রতিদান চাইনা। তবে আমার নিকটজন তথা আহলে বাইতগণের প্রতি তোমরা সদাচরণ করবে।” (সূরা শূরা-২৩) এ



সাইয়্যিদুশ শুহাদা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম


  সাইয়্যিদুশ শুহাদা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম চতুর্থ হিজরীর শা’বান মাসের ৫ তারিখ মদীনা শরীফ-এ বিলাদত শরীফ লাভ করেন। বিলাদত শরীফ-এর পর সরকারে মদীনা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কানে আযান দিয়ে দুআ করেছিলেন। সাতদিন



ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহে উমরী


  খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আখাছছুল খাছ মনোনীত ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সাইয়্যিদুশ শুহাদা হযরত ইমামুছ ছালিছ



মাশুকে মাওলা,নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই ঈমান,আমল ও


প্নূরসঙ্রেগঃ  মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদুল বাশার, মালিকুল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার এবং সম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আফদ্বালুন নাস-আফদ্বলুন নিসা, মালিকাতুল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



মাশুকে মাওলা,নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই ঈমান,আমল ও


প্রসঙ্গঃনূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পিতা-মাতা আলাইহিমাস সালাম উনারা অবশ্যই জান্নাতী   সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত মুবারক ঘোষণার বহুপূর্বে এবং হযরত ঈসা



শবে মি’রাজ নিয়ে একটি মুবারক ওয়াকিয়া


ছহিবে মিরাজ, ছহিবে ক্বাবা ক্বওসাইনি আও আদনা, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মিরাজ শরিফ উনার রাত্রে, মহান আল্লাহ পাক উনার দীদার মুবারকে যাবেন, তখন উনার কদম মুবারকেও না’লাইন শরিফ ছিলেন। তিনি না’লাইন শরিফ খুলতে উদ্যত হলে, মহান



শবে মি’রাজ উনার আমল ।


যে ব্যক্তি পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসের ২৭ তারিখে তথা পবিত্র মি’রাজ শরীফের দিনের বেলায় রোযা রাখবে তার আমলনামায় ৬০ মাসের রোযা রাখার ছওয়াব লেখা হবে।” সুবহানাল্লাহ! (আল ইতহাফ ৫ম খ- পৃষ্ঠা ২০৮, আল মা’য়ানী আনিল হামলিল ইসফার প্রথম খ- ৩৬৭



মি’রাজ শরিফ সশরীরে হয়েছিল।সুবহানাল্লাহ


  নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ ,হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এক বিরাট বৈশিষ্ট্য ও মুজিজা মুবারক ,যা অন্য কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বা অন্য কোন মানুষের জীবনে ঘটেনি,তা হচ্ছে মি’রাজ শরীফ।সুবহানাল্লাহ মিরাজ শরীফঃ মি’রাজ অর্থ উর্ধ্বারোহণ। মক্কা শরীফ উনাতে অবস্থান