tahkik9 -blog


writer


 


হাদীস শরিফে বর্নিত মালউন হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ(হিন্দুদের সাথে জিহাদ) ।


  সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদের গুরুত্ব হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে,- ﻋَﻦْ ﺣَﻀْﺮَﺕْ ﺃَﺑِﻰْ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯽ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﻭَﻋَﺪَﻧَﺎ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻏَﺰْﻭَﺓَ ﺍﻟْﻬِﻨْﺪِ ﻓَﺈِﻥِ ﺍﺳْﺘُﺸْﻬِﺪْﺕُ ﻛُﻨْﺖُ ﻣِﻦْ



মামদুহী নূরের শাহী তাশরীফান


    আশিক মাশুক উনাদের নিসবত এমন একই দিনে ধরায় আগমন একই মাসে রগায়িব উনার রাত খুশি সবাই খুশি পুরো কায়িনাত ২৭ শে রজব ঈদে আযম সাইয়্যিদুল আইয়াদ উনার সাইয়্যিদি শান দাদীজান উনার রেহেম শরীফে মামদুহী নূরের শাহী তাশরীফান। দাদীজান উনার



ছামা শরীফ ও উনার সংশ্লিষ্ট কিছু সংশয় নিরসন  


  হযরত উবাই ইবনে কাব রদিয়াল্লাহু  আনহু  উনার থেকে বর্ণিত হাদীস শরীফ ৷তিনি বলেন নূরে মুজাসসাম,  হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া  সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,”নিশ্চয়ই  কোন কোন কবিতা(ক্বাছীদা) হিক্বমতপূর্ণ৷(বুখারী শরীফ) পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে উল্লিখিত বর্ণনা দ্বারা এটাই



আপনি যখন মারা যাবেন তখন………………


  আপনার পড়নে যেই কাপড়ই থাক না কেন সেটা পরিয়ে কিন্তু দাফন করা হবে না। ১।সাদা কাফন পরানো হবে ,কোট-প্যান্ট ,টাই পড়ানো হবে না কিন্তু। ২।সেলাইবিহীন ইযার,লেফাফা পড়ানো হবে,ইহুদীদের প্যান্ট পড়ানো হবে না । ৩।শার্ট পড়ানো হবে না,পিরহান পরানো হবে যেটা



ইবলিশের শাগরেদ ও তাদের কর্মকান্ডঃ


  প্রসঙ্গঃ ইবলিশ শয়তান ও কাফির নালায়েকের কাছে হার মানে।   ইবলিশ শয়তানকেও কাফির নালায়েকের কাছে শিখা গ্রহণ করা উচিত।কারন-   ১।ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর ইবাদত বন্দেগী করেছিল। ২।সে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সর্দার ছিল। ৩।সে জান্নাত-জাহান্নাম দেখেছে। ৪।সে দুনিয়ার



ওলী কারা?


★★★ ওলী কারা? ★ হাদীছ শরীফে ইরশাদ করেনঃ হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ ও ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম সহ অনেক সাহাবয়ে কেরাম বলেছেন- “`আউলিয়া আল্লাহিল্লাযিনা ইজা রুয়ুযা জুকিরাল্লাহ।“` অর্থঃ ” তারাই অলী আল্লাহ যাদের কে দেখলে খোদার কথা স্মরণ হয়।” ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ



‘নেককার পুরুষের জন্য নেককার মহিলা,আর বদকারের জন্য বদকার।”


সকল মুসলমান ভাই অথবা বোন সকলেই চায় তার আহলিয়া/আহাল যেন দ্বীনদার ,পাক্কা নামাজী হয়। প্রতিটা পুরুষের স্বপন থাকে তার আহলিয়া পর্দানশীলা হবে,নামাজী হবে সর্বোপরি আল্লাহওয়ালী হবে। আল্লাহ পাক কুরআনুল কারীমে বলেছেন,তোমরা সবাই আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও।” আরো বলেছেন,”নেককার পুরুষের জন্য নেককার মহিলা,আর



পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে করতে হিন্দুস্থানের বিশিষ্ট ওলী হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি


চীশতিয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ ম্ঈুনুদ্দীন হাসান চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা হলেন হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ‘দলীলুল আরেফীন’ নামক বিখ্যাত কিতাবের লিখক। উনার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণের ঘটনাটি অনেক মশহুর। ঘটনাটি ‘কুতুবে ছে’র’



কাদিয়ানি প্রাণের পন্য বর্জন করুন


প্রাণ’ কোম্পানীর উতপাদিত ‘প্রাণ লাচ্ছি’ তে ব্যবহার করা হয়েছে এমন কিছু উপাদান যেগুলো সরাসরি শূকরের চর্বি। এর একটি হল, E-440. শূকর থেকে যেসকল ফ্যাট পাওয়া যায়, সেগুলো এখন সাংকেতিক ভাষায় পণ্যের গা’ এ লিখে দেওয়া হয়। শূকর এবং শূকরজাত পণ্য খাওয়া



আপনি বা আমি কি এই কাফির নালায়েকের সাথে একমত.হতে পারি??? যেখানে…


=>ইমাম আজম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্ম মুবারক ৮০ হিজরী। =>আর এই ব্যক্তির জন্ম ১৩৫০ হিজরীর পর। => ইমাম আজম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি একজন তাবেঈন। =>এই ব্যক্তি একজন সাধারণ ইংরেজি শিক্ষিত। =>ইমাম আজম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি



বাংলাদেশে ভারতীয় গরু নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক।


গতবারের কুরবানীর সময় ভারতীয় গরু বাংলাদেশের বাজারে ছিলনা বললেই চলে। আলহামদুলিল্লাহ! গতবার গরুর কোন অভাব হয়নি। আমি মনে করি ভারতীয় গরু আমাদের দরকার নেই। ভারতীয় গরু আনা মানে বাংলাদেশের টাকা ভারতে চলে যাওয়া। তারছেয়ে বরং দেশি গরু কিনলে স্বাদ যেমন পাওয়া



যারা প্রাণির ছবি তোলে,অাঁকে, রাখে কেয়ামতের দিন তাদের কঠিন শাস্তি হবে:


قال حدثنا الاعمش عن مسم قا كنا مع مسروق فى دار يساربن نمير فراى فى صفته تماثيل فقال سمعت عبد الله قال ুسمعت النبى صلى اله عليه وسلم يقول ان اشد الناس عذابا عند الله المصورون. অর্থঃ হযরত আ’মাশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা