তাজদীদ -blog


...


 


উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ كُلْثُومٍ عليها السلام بِنْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَوْجِي خَيْرٌ أَو زَوْجُ



সরকার পবিত্র ঈদে অসচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের পূজায় ঠিকই সাহায্য করে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় (মুশরিকদের পূজায়) পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ সরকার পবিত্র ঈদে অসচ্ছল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করে না অথচ মাত্র ১.৫% বিধর্মীদের



কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে আইনী নোটিশ


পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের দায়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব তাজুল ইসলামকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাঠিয়েছেন মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ



পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দলীল-আদিল্লা দ্বারা প্রমাণিত যে- ‘ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক রোগ বলতে দ্বীন


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘ছোঁয়াচে’ বা ‘সংক্রামক’ বলতে কোনো রোগ নেই। এ সম্পর্কে অসংখ্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন। যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى



শরীয়তসম্মত বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিয়ে যত সমালোচনা; অথচ অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে কোনো কথা নেই!


মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকরা কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করবে এবং মিথ্যা কল্পকাহিনী রটাবে- এই চিন্তায় মগ্ন থাকে সারাক্ষণ। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন; অন্য সকল ধর্মই বাতিল। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ



মসজিদে যেতে বারণ করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি


পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের নিরাপত্তার স্থান, রহমত-বরকত লাভের স্থান। রোগ-শোক, আযাব-গযব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া কামনার স্থান। পবিত্র ছলাত তথা নামায আদায় করার স্থান। একজন ঈমানদার, একজন মুসলমান মসজিদে যাবে, জামায়াতে নামায পড়বে, দোয়া-মুনাজাত করবে;



ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, আর এ জন্য বাইয়াত গ্রহণ করাও ফরয।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি খালিছভাবে আমার (সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে) ইবাদত করো। প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা ফরয। কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয়



ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল



যুলুমকারী কাফির অর্থাৎ ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, মজুসী ও মুনাফিকগুলি শাস্তিস্বরূপ একের পর এক খোদায়ী গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কাফির-মুশরিকদেরকে বলে দিন, তোমরা তোমাদের গোসসায় মরে যাও তথা ধ্বংস হয়ে যাও।” মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম বা অত্যাচারী সে যেই হোক; তাকে পছন্দ করেন না



একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?


একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ? জানি ৯০% মুসলিম উত্তর দিবে “গিরিশ চন্দ্র সেন”। কিন্তু এটি ভুল তথ্য। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন #মাওলানা_আমীরুদ্দীন_বসুনিয়া ১৮০৮ সালে। এরপর বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদার মুবারক


বাতিল ফিরকাদের একটা দাবি হচ্ছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখেননি। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। মূলত তারা উনার সুমহান শান মুবারক সম্পর্কে সম্পূর্ণ বেখবর হওয়ার কারণে এ বিষয়সমূহ বুঝতে



খেয়াল-খুশিমত যাচ্ছেতাই করে বেড়ানো মুসলমানদের কাজ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দুনিয়া হচ্ছে মুসলমানদের জন্য কারাগার, আর কাফিরদের জন্য হচ্ছে বালাখানা।” অর্থাৎ কাফির-মুশরিক ইহুদী নাছারা মূর্তিপূজারী, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, তাদের যা মনে হয়, যা ইচ্ছা হয়, সেটাই তারা করতে পারে।