তাজদীদ -blog


...


 


তারা জনগণের নেতা হওয়ার অযোগ্য- যাদের নজর পবিত্র কুরবানীর পরিবর্তে মূর্তিপূজার প্রতি


বলা হয়ে থাকে- ‘পাগলেও নিজের ভালোটা বুঝে।’ কিন্তু বাংলাদেশের চলমান অবস্থা দেখে বিপরীতটাই মনে হয়। কারন এদেশের জনসংখ্যার মূল অংশ তথা ৯৮ ভাগই যেখানে মুসলিম, সে মুসলিমরাই আজ তাদের দ্বীনি অধিকার পালনের স্বাধীনতা পাচ্ছে না। মুসলমানদেরকে বলা হচ্ছে- সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট



এতো কম সংখ্যক হাট থেকে পবিত্র কুরবানীর পশু কেনা অত্যন্ত কঠিন


পবিত্র কুরবানীতে সরকারিভাবে রাজধানীতে পশুর হাট কমানো হয়েছে। নিরাপত্তা, যানজট ইত্যাদির অজুহাতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় হাটগুলো ঢাকার দূরবর্তী অঞ্চলে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব মূলত ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। স্মরণ রাখতে হবে, পশুর হাট অন্যত্র সরিয়ে নেয়া বা হাটের সংখ্যা



সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে কারো তুলনা করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوا بَعْدَ اِيْـمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَّنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُولٰـئِكَ هُمُ الضَّالُّوْنَ অর্থ: নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনার পর কুফরী করে, আর (তাওবা করেনা বরং) কুফরীকে বৃদ্ধি করে কস্মিনকালেও তাদের তওবা কবুল করা



বাতিল ফিরক্বার উত্থাপিত মিথ্যাচারিতার দাঁতভাঙ্গা


বাতিল ফিরক্বার লোকেরা প্রচার করে থাকে যে, “রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা তিনি “তাঁতী ও সূতা ব্যবসায়ী ছিলেন।” নাঊযুবিল্লাহ! মিথ্যাচারিতার খণ্ডনমূলক জবাব: হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ আলাউদ্দীন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পুত্র হযরত সাইয়্যিদ



যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তাদেরকে অনুসরণ করা জায়িয নেই। তারা অনুসরণের অযোগ্য


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক



কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা পশ্চিমবঙ্গে এক বইয়ে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শানে বেয়াদবি


পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, শিশু বিকাশ পাবলিকেশনের দ্বিতীয় শ্রেণীর পাঠ্য পুস্তকে‘মানব সভ্যতার ইতিহাস’ এর ১৫ নম্বর এই ছবি ছেপেছে । বইয়ের রচয়িতা প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক যবন ম্লেচ্ছ অস্পৃশ্য গোষ্ঠবিহারী কারক। সেখানে সে নবীজী উনার পবিত্র নাম মুবারকের একটি



সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন কেবলি প্রহসন


আমাদের দেশে আজকাল কেউ ইন্তেকাল করলে তার স্মরণে সে মানুষটির কর্মস্থলে বা তার তৈরি কোনো প্রতিষ্ঠানে বা সংগঠনে এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন করা হয়। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে- আজকাল মুসলমানদের জন্যেও পালিত হচ্ছে এসব বিজাতীয় অদ্ভুত অনুষ্ঠান। যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে,



আইএসকে অস্ত্র সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র: সউদী আরব


সিরিয়া ও ইরাক-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘আইএস’ যে অস্ত্রে যুদ্ধ করছে, তার প্রায় এক তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্র ও সউদী আরবের। সিরিয়া-ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্রে রিয়াদ-ওয়াশিংটন তাদের মদদপুষ্ট পক্ষকে এই অস্ত্র সরবরাহ করে। এভাবে হাত বদল হয়ে তা পৌঁছানো হয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির হাতে। জরিপ চালিয়ে এ



অমঙ্গল শোভাযাত্রা একটা শেরেকী অনুষ্ঠান যা করলে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শিরক করা হবে


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হয় অমঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করে। শোভাযাত্রায় থাকে বিশালাকার চারুকর্ম পাপেট, হাতি ও ঘোড়াসহ বিভিন্ন পশুর সাজসজ্জা, থাকে বাদ্যযন্ত্র। বৈশাখী উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বোনাস চালু করুন।


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “সমস্ত কাফির-মুশরিক মুসলমানদের শত্রু। তোমরা কখনই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না” এবং তাদেরকে অনুসরণ করিও না। কাজেই নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেফজ হোক, আরবী



জঙ্গিবাদ হারাম নয় ‘ফরয’ বরং ‘সন্ত্রাসবাদ হারাম’। ফতোয়ায় স্বাক্ষরকারী ১লাখ কথিত আলেম স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন ও ভাষাজ্ঞানহীন


সম্প্রতি দেশের ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণীর একলক্ষ স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন কথিত আলেম “ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ হারাম” নামক একটি ফতোয়াতে একমত হয়ে সই-স্বাক্ষর করে খুব বাহবা কামিয়েছে। কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ভারতও তাদের ফতোয়ায় খুশি হয়ে বাহবা দিয়েছে। সূত্র: http://goo.gl/oL6fRl জঙ্গি শব্দটা আসলে কোত্থেকে এসেছে? একটা সময় ছিল যখন



মায়ের জন্য একটি দিন কেন? এটা মায়ের সাথে উপহাস নয়?


পৃথিবীর কোন মা-ই সন্তানকে একদিনের জন্য ভালোবাসা-আদর-যত্ন করেন নি। তাহলে মায়ের এই সীমাহীন ভালোবাসার কৃতজ্ঞতা জানাতে কেন একটি জাতিকে অনুসরণ করে আমরাও আমাদের মায়ের জন্য একটি দিবসকে নির্ধারণ করবো? এই দিবসটি শেষ হয়ে গেলে মা কি পরের বছর এই দিবসটির জন্য