তাজদীদ -blog


...


 


খেয়াল-খুশিমত যাচ্ছেতাই করে বেড়ানো মুসলমানদের কাজ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দুনিয়া হচ্ছে মুসলমানদের জন্য কারাগার, আর কাফিরদের জন্য হচ্ছে বালাখানা।” অর্থাৎ কাফির-মুশরিক ইহুদী নাছারা মূর্তিপূজারী, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, তাদের যা মনে হয়, যা ইচ্ছা হয়, সেটাই তারা করতে পারে।



ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম- ক্বিয়ামত পর্যন্তই ‘প্রাণীর ছবি’ হারাম থাকবে…


যদি আপনি কাউকে বলেন- দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম; ব্যস, আপনাকে শুনতে হবে- সারাবিশ্ব জুড়েই চলছে, এমন কোনো মানুষ নেই যে এ কাজ করছে না, দেশের বড় বড় আলেমরা করছে, এটা না করলে নাগরিক সুবিধা পাওয়া



ইসলামবিহীন সিলেবাসের কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার



মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক


“শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে অবমাননা করো না



ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ



যখন প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিধর্মী বা হিন্দুরা থাকে… তখন কি হতে পারে?


জানা থাকার কথা, খ্রিস্টানদের প্রিয় খাবার শূকর আর হিন্দুদের কচ্ছপ-কাকড়া। আবার হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে, তারা গরু কুরবানীবিরোধী। তাহলে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া কি তাদের



আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি দুইজন যবেহ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল



সুন্নতী খাবার লবণ, খাবার শুরুতে এবং শেষে লবণ খেলে ৩৮০ প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকা যায়


লবণ আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার এবং শারীরীক সুস্থতার জন্য এক বহু প্রয়োজনীয় উপাদান। লবণ শুধু রান্নার কাজেই লাগে তা নয়। এর অন্যান্য ব্যবহারও আছে। লবণ খাওয়া খাছ সুন্নত। তরকারীর সাইয়্যিদ হলো লবণ। লবণ ছাড়া তরকারী রান্না করলে অন্যান্য মশলা সব দেওয়া



যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। সুবহানাল্লাহ! যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে



পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ে অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সাথে কথা বলতে হবে


পবিত্র সূরা মুদ্দাছ্ছির শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ . قَالُوا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ . وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِينَ . وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ . وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ الدِّينِ . حَتَّىٰ أَتَانَا



যারা বলে ‘ইসলামী পোশাক’ বলে কিছু নেই…


সেই ছোটবেলা থেকেই প্রায়ই আমি আমার দাদাকে বলতাম- দাদা, হিন্দুরা এভাবে লুঙ্গি (ধুতি) পরে কেন? তাদের লজ্জা লাগে না? দাদা বেশি কিছু না বলে সংক্ষেপে বলতেন- হিন্দু হলে এভাবেই কাপড় পরতে হয়। এতটুকু উত্তরেই তখন ক্ষান্ত হতাম। কিন্তু এখন যদি দাদা



শ্রেষ্ঠ উম্মতদের দায়িত্ব কি?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজে নিষেধ করবে, খালিছ ঈমান আনবে।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতদের শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মহান