তাজদীদ -blog


...


 


ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল



যুলুমকারী কাফির অর্থাৎ ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, মজুসী ও মুনাফিকগুলি শাস্তিস্বরূপ একের পর এক খোদায়ী গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কাফির-মুশরিকদেরকে বলে দিন, তোমরা তোমাদের গোসসায় মরে যাও তথা ধ্বংস হয়ে যাও।” মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম বা অত্যাচারী সে যেই হোক; তাকে পছন্দ করেন না



একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?


একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ? জানি ৯০% মুসলিম উত্তর দিবে “গিরিশ চন্দ্র সেন”। কিন্তু এটি ভুল তথ্য। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন #মাওলানা_আমীরুদ্দীন_বসুনিয়া ১৮০৮ সালে। এরপর বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদার মুবারক


বাতিল ফিরকাদের একটা দাবি হচ্ছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখেননি। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। মূলত তারা উনার সুমহান শান মুবারক সম্পর্কে সম্পূর্ণ বেখবর হওয়ার কারণে এ বিষয়সমূহ বুঝতে



খেয়াল-খুশিমত যাচ্ছেতাই করে বেড়ানো মুসলমানদের কাজ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দুনিয়া হচ্ছে মুসলমানদের জন্য কারাগার, আর কাফিরদের জন্য হচ্ছে বালাখানা।” অর্থাৎ কাফির-মুশরিক ইহুদী নাছারা মূর্তিপূজারী, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, তাদের যা মনে হয়, যা ইচ্ছা হয়, সেটাই তারা করতে পারে।



ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম- ক্বিয়ামত পর্যন্তই ‘প্রাণীর ছবি’ হারাম থাকবে…


যদি আপনি কাউকে বলেন- দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম; ব্যস, আপনাকে শুনতে হবে- সারাবিশ্ব জুড়েই চলছে, এমন কোনো মানুষ নেই যে এ কাজ করছে না, দেশের বড় বড় আলেমরা করছে, এটা না করলে নাগরিক সুবিধা পাওয়া



ইসলামবিহীন সিলেবাসের কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার



মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক


“শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে অবমাননা করো না



ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ



যখন প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিধর্মী বা হিন্দুরা থাকে… তখন কি হতে পারে?


জানা থাকার কথা, খ্রিস্টানদের প্রিয় খাবার শূকর আর হিন্দুদের কচ্ছপ-কাকড়া। আবার হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে, তারা গরু কুরবানীবিরোধী। তাহলে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া কি তাদের



আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি দুইজন যবেহ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল



সুন্নতী খাবার লবণ, খাবার শুরুতে এবং শেষে লবণ খেলে ৩৮০ প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকা যায়


লবণ আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার এবং শারীরীক সুস্থতার জন্য এক বহু প্রয়োজনীয় উপাদান। লবণ শুধু রান্নার কাজেই লাগে তা নয়। এর অন্যান্য ব্যবহারও আছে। লবণ খাওয়া খাছ সুন্নত। তরকারীর সাইয়্যিদ হলো লবণ। লবণ ছাড়া তরকারী রান্না করলে অন্যান্য মশলা সব দেওয়া