তাজদীদ -blog


...


 


ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ



যখন প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিধর্মী বা হিন্দুরা থাকে… তখন কি হতে পারে?


জানা থাকার কথা, খ্রিস্টানদের প্রিয় খাবার শূকর আর হিন্দুদের কচ্ছপ-কাকড়া। আবার হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে, তারা গরু কুরবানীবিরোধী। তাহলে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া কি তাদের



আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি দুইজন যবেহ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল



সুন্নতী খাবার লবণ, খাবার শুরুতে এবং শেষে লবণ খেলে ৩৮০ প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকা যায়


লবণ আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার এবং শারীরীক সুস্থতার জন্য এক বহু প্রয়োজনীয় উপাদান। লবণ শুধু রান্নার কাজেই লাগে তা নয়। এর অন্যান্য ব্যবহারও আছে। লবণ খাওয়া খাছ সুন্নত। তরকারীর সাইয়্যিদ হলো লবণ। লবণ ছাড়া তরকারী রান্না করলে অন্যান্য মশলা সব দেওয়া



যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। সুবহানাল্লাহ! যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে



পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ে অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সাথে কথা বলতে হবে


পবিত্র সূরা মুদ্দাছ্ছির শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ . قَالُوا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ . وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِينَ . وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ . وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ الدِّينِ . حَتَّىٰ أَتَانَا



যারা বলে ‘ইসলামী পোশাক’ বলে কিছু নেই…


সেই ছোটবেলা থেকেই প্রায়ই আমি আমার দাদাকে বলতাম- দাদা, হিন্দুরা এভাবে লুঙ্গি (ধুতি) পরে কেন? তাদের লজ্জা লাগে না? দাদা বেশি কিছু না বলে সংক্ষেপে বলতেন- হিন্দু হলে এভাবেই কাপড় পরতে হয়। এতটুকু উত্তরেই তখন ক্ষান্ত হতাম। কিন্তু এখন যদি দাদা



শ্রেষ্ঠ উম্মতদের দায়িত্ব কি?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজে নিষেধ করবে, খালিছ ঈমান আনবে।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতদের শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মহান



আমরা ছবিমুক্ত দেশ চাই!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ এরপরও ৯৭ ভাগ মুসলমান উনাদের জনবেষ্টিত। এই দেশের আনাচে-কানাচে কোথাও কোনো এতটুকু জায়গা নেই, এমন কোনো পণ্য-দ্রব্যাদি নেই যেখানে



আজ দিবাগত রাতটিই চাঁদের সঠিক তারিখ অনুযায়ী পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার পবিত্র রাত্র মুবারক পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস


সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব



না’তু বিনতি রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতিনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পর উনার লখতে জিগার সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি প্রায় ১২টিরও অধিক সম্মানিত না’ত শরীফ পাঠ করেন। যেগুলো ‘নু‘ঊতুয যাহরা আলাইহাস সালাম’ হিসেবে