তাজদীদ -blog


...


 


বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি ‘আইন’ হিসেবে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে; এই শিক্ষানীতি বাতিলে তীব্র প্রতিবাদ জানান


যে শিক্ষানীতি (২০১০) এর আলোকে প্রণীত হয়েছে হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস সেই শিক্ষানীতিটিই এখন ‘আইন’ হিসেবে জারি করে চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করছে সরকারের অন্তরালে আরেক হিন্দুত্বাবাদী ছায়া সরকার। এজন্য সেই ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষানীতিটিই এখন ‘শিক্ষা আইন-২০১৬’ হিসেবে প্রণয়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক



এক হারামখোর ধর্মব্যবসায়ী ওলামায়ে সূ’র পহেলা বৈশাখকে হালাল করার চেষ্টা ও তার বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের দাঁতভাঙ্গা জবাব


ইসলাম অপব্যাখ্যাকারী মদের ব্যবসায়ী দৈনিক যুগান্তরে ইসলামী পাতায় হারাম পহেলা বৈশাখকে হালাল করার জন্য মিথ্যা ফতওয়া : প্রত্যেক বক্তব্যের খণ্ডনমূলক জবাব গত বছর দৈনিক যুগান্তরে ইসলামী পাতায় ভ্রান্ত যুক্তি দিয়ে হারাম পহেলা বৈশাখকে হালাল করার অপচেষ্টা করা হয়েছিলো। (http://www.jugantor.com/islam-and-life/2015/04/10/247269)। এখানে লেখকের



পহেলা বৈশাখের বোনাসের নেপথ্যে ‘র’-‘মোসাদ’ চক্রের খোলা মাঠে মগজ ধোলাইয়ের ঘৃণিত অপপ্রয়াস


ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করতো। —– খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করে। সে মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেয়। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত



ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরার পরিণতি: বাড়ছে বিয়ে বহির্ভূত গর্ভবতী ও ভ্রুণহত্যা


১৭ বছরের মেয়েকে নিয়ে তন্ন তন্ন করে একটা নিম্নমানের ক্লিনিক খুঁজে বের করেছেন উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের এক মা। মা-মেয়ে হাজির হয়েছেন শ্যামলী রিং রোডের এক সাইনবোর্ড সর্বস্ব ক্লিনিকে। ক্লিনিক না বলে, ভাড়া বাসা বলা যায়। বাড়িওয়ালা জানেন না সেখানে কী হয়। সাবেক



সরকারের কাছে প্রশ্ন—


সরকার কি জোরপূর্বক মুসলমানদেরকে কাফির বানাতে চায়? সরকার কি মুসলমান না??? সরকার কি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফ বিশ্বাস করে না? مَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ (৪৪) অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন,



বান্দা যতই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত নিয়ে ভাববে, সে ততই নৈকট্য হাছিল করবে


‘পানির অপর নাম জীবন’- সেই ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। আমাদের জীবনে পানির ব্যবহারও বেশি। সকালে ঘুম থেকে উঠে চাই পানি এবং ঘুম আসা পর্যন্ত পানি। এই পানি যে কতো প্রয়োজনীয় তা বুঝা যায় পানির সঙ্কট হলে, পানি দুষ্প্রাপ্য হলে। পৃথিবীতে ৪



মাতৃভূমির স্বার্থ বিলিয়ে এ কেমন বন্ধুত্ব?


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বদেশের প্রতি মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।” বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নিজের জীবন থেকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে বেশি ভালবাসতেন। বঙ্গবন্ধু



বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা এবং মুসলমানদের করণীয়


৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ। কিন্তু এখানকার মুসলমানদের ঈমানী জজবা আজ কোথায়? কারণ দেশের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে কি বাংলাদেশের মুসলমান অবগত নয়? রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধান থেকে তুলে দেয়ার জন্য মাত্র ২%-এরও কম বিধর্মীরা হাইকোর্টে রিট করেছে। এই ২% বিধর্মীর এতো



যেসকল ইমামরা হারাম ছবির বিরুদ্ধে সতর্ক করেনা, তারা মুনাফিক; এদের চিনে রাখুন


আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ অনেক এলাকার মসজিদ উনার প্রবেশদ্বারেই রয়েছে অশ্লীল ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড। প্রতিদিন



হারাম ছবির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ফরয-ওয়াজিব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোনো মু’মিন পুরুষ-মহিলার জন্য জায়িয হবে না- মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা করেছেন, সেই ফায়ছালার মধ্যে স্বীয়



নাস্তিকদের প্রচারণা- ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’ কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো



নেককার ব্যক্তিগণের সংস্পর্শে থাকলে কী হবে? একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ


একটি ইটের ভাটায় কোটি কোটি ইট বানানো ও পোঁড়ানো হয়। এর মধ্যের কোন ইটকে দলানে লাগানো হয়, কোনটি মসজিদে, মাদ্রাসায়, রাস্তা-ঘাটে, অফিস-আদালতে, কোনটি পায়খানায় লাগানো হয়। এখানে কোন ইটকে কোথায় লাগানো হবে তা মালিকের খুশি। এতে ইটের কিছুই বলার থাকে না।